পাঠকের মতামত

এখানে আপনার মূল্যবান মন্তব্য দিন-

226 Responses to পাঠকের মতামত

  1. এক জন সালাউদ্দীন আয়ুবীর অপেক্ষায় says:

    আল্লাহ এই জালেম এর হাত হতে বাঙলার এই জমিন হিফাজত করবেন।

    • habil says:

      govt running wrong way no doubt.

    • Umar says:

      Allah is the great protector for all. Please seek help of Allah Subhanahu Wa Taala by Salat and Sabor to release Islamic Leader from the persecution of the friend of Iblis, Nomrud, Saddad and Karun.

    • Ekhon Jagar Shomoy says:

      This is to এক জন সালাউদ্দীন আয়ুবীর অপেক্ষায়,

      Are you Still Waiting for a salahuddin ayoubi?

    • abdul gofur says:

      [2:212] This worldly life is adorned in the eyes of the disbelievers, and they ridicule those who believe. However, the righteous will be far above them on the Day of Resurrection. GOD blesses whomever He wills, without limits.
      [2:213] The people used to be one community when GOD sent the prophets as bearers of good news, as well as warners. He sent down with them the scripture, bearing the truth, to judge among the people in their disputes. Ironically, those who received the scripture were the ones who rejected any new scripture, despite clear proofs given to them. This is due to jealousy on their part. GOD guides those who believe to the truth that is disputed by all others, in accordance with His will. GOD guides whoever wills in a straight path.
      [2:214] Do you expect to enter Paradise without being tested like those before you? They were tested with hardship and adversity, and were shaken up, until the messenger and those who believed with him said, “Where is GOD’s victory?” GOD’s victory is near.

    • Ekhon Jagar Shomoy says:

      Salahuddin ayoubi ashe jugejuge. Kintu amra onek shomoy chinte parina take. apni ki ekhono oppekhha kore achhen ekjon salahuddiner jonno ekhon-o.

    • Md Ismail Hossain says:

      সালাউদ্দীন আয়ুবীর অপেক্ষায় / We hope ALLAH will save them(LEADERS) with HIS Miracle Please Pray for Leaders and be first with Care

    • bashir qasami says:

      يا سعدي انت صلاح الدين أيوبي

  2. Abdullah Al Zaber says:

    আল্লাহ্ এই জালিম সরকারের থাবা থেকে ও ভারতের কবল থেকে এই মুসলিম ভূখন্ডকে রক্ষা করবেনই এবং কুচক্রান্ত নস্যাত করেদেবেন ফেরাউন , নমরূদ এবং হাতী ওয়ালাদের মত ইংশাল্লাহ্ । সবাই দোয়া করবেন , রোজা রাখবেন এবং কুনুতে নাজেলা পরুন। আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করুন । আমিন ।।।

    • Jibon says:

      আমাদের পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ আল-কুরআন এর সূরা আল-হুজরাত এর দু’টি আয়াত নিম্নে উল্লেখ করলাম –
      আয়াত নং ৬ : মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ণ করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।

      আয়াত নং ৯: যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ইনছাফ করবে। নিশ্চয় আল্লাহ ইনছাফকারীদেরকে পছন্দ করেন।

      http://www.quraanshareef.org/index.php?sid=49&ano=18&st=0

      জামাত-ই-ইসলামী এর নেতা, কর্মী ও সাপোর্টারদের প্রতি প্রশ্ন -
      ০১। তাদের তখনকার নেতারা তথা গোলাম আযম, নিজামী গংরা পাপাচারী পাকিস্তানী নেতা ও সেনাদের পক্ষ নিতে কোন যুক্তি/নীতি/আদর্শ/ধর্মের বিধান অনুসরণ করেছে?
      ০২। গোলাম আযম, নিজামী গংরা কুরআন এর উপরিউক্ত আয়াত দু’টির আলোকে দোষী কিনা ?
      ০৩। গোলাম আযম, নিজামী গংদের কেন বিচার হবে না?

  3. এক জন সালাউদ্দীন আয়ুবীর অপেক্ষায় says:

    আল্লাহ আমাদের দোয়া গুলো কবুল করে নিন। আল্লাহ তোমার কুরআনের এই খাদেম কে তোমার কুদরতি হাতে তুলে দিলাম । আল্লাহ তাকে তুমি হিফাযত কর। আল্লাহ তাদের কে তুমি ধৈর্য্য ধারন করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ গো আমাদের মুনাজাত গুলো কবুল কর। আমাদের চোখের পানি গুলো কবুল কর। আল্লাহ তুমি আমাদের বদরের সাহাবাদের সেই ঈমান. সেই শক্তি. সেই ত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ এই দেশের সকল আলেম ওলামা দের এক হওয়ার তাওফিক দান কর। আমিন।

  4. Asem says:

    আল্লাহ অতি শীঘ্রই এ জালেমদেরকে লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত করবেন।

  5. sarkarer sov bibek jagrat hok.

  6. Amirul Islam says:

    আল্লাহ রব্বুল আলামীন এই যালেম সরকারের হাত হতে আমাদের এই পবিত্র মাতৃভূমিকে রক্ষা করুন। আমাদের প্রিয় তিন জাতীয় নেতাকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়া না হলে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার গণ আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয় নেতাদের কে মুক্ত করে আনবো ইনশাআল্লাহ।

  7. Kari Anwar Ullah, says:

    আল্লাহ্ এই জালিম সরকারের থাবা থেকে ও ভারতের কবল থেকে এই মুসলিম ভূখন্ডকে রক্ষা করবেনই এবং কুচক্রান্ত নস্যাত করেদেবেন ফেরাউন , নমরূদ এবং হাতী ওয়ালাদের মত ইংশাল্লাহ্ । সবাই দোয়া করবেন , রোজা রাখবেন এবং কুনুতে নাজেলা পরুন। আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করুন । আল্লাহ তুমি আমাদের বদরের সাহাবাদের সেই ঈমান. সেই শক্তি. সেই ত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ এই দেশের সকল আলেম ওলামা দের এক হওয়ার তাওফিক দান কর।আল্লাহ অতি সীঘ্রই এ জালেমদেরকে লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত করবেন। আমিন।

    • Alamgir says:

      আল্লাহ আমাদের দোয়া গুলো কবুল করে নিন। আল্লাহ তোমার কুরআনের এই খাদেম কে তোমার কুদরতি হাতে তুলে দিলাম । আল্লাহ তাকে তুমি হিফাযত কর। আল্লাহ তাদের কে তুমি ধৈর্য্য ধারন করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ গো আমাদের মুনাজাত গুলো কবুল কর। আমাদের চোখের পানি গুলো কবুল কর। আল্লাহ তুমি আমাদের বদরের সাহাবাদের সেই ঈমান. সেই শক্তি. সেই ত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ এই দেশের সকল আলেম ওলামা দের এক হওয়ার তাওফিক দান কর। আমিন।

    • Fahim says:

      Jamatleaders are not only a party leaders. they are the leaders of muslim ummah.so whos goverment arrest the muslim leaders, they are not muslim,they r murtad.

  8. Gazi Najmur Raiyan, Chaterpaiya, Senbag, Noakhali. says:

    আল্লাহ তুমি আমাদের বদরের সাহাবাদের সেই ঈমান. সেই শক্তি. সেই ত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ এই দেশের সকল আলেম ওলামা দের এক হওয়ার তাওফিক দান কর।আল্লাহ অতি সীঘ্রই এ জালেমদেরকে লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত করবেন। আমিন।

  9. MUHAMMAD ROFIQUL ISLAM says:

    Hey Allah tumi tumar Nirapottar chador dia amader boyobriddo netribindo ke rokka koro.Allah amader r ke ase tumi sara? Tumi chaile ta paro.

  10. একজন মুজাহিদ says:

    দুরবার আন্দোলন এর মাধ্যমে জেলের তালা ভেঙ্গে বিস্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম শীষ নেতাদের মুক্ত করতেই হবে। আল্লাহ আমার দের কে তউফিক দাও । আমিন।।

  11. omar mujahid says:

    if u goverment think we r coward u r in world of fool. we r not brave, we r braver than hopeless cos we represent the word of almighty allah. u cant stop us till kill last worker of us.allahu mayana.

  12. omar mujahid says:

    amader kotha gulo amny kore bohudin muse dite ore kehu pare nei. sotter kotha mora boley jabo, badar pahad joto madie

  13. Abusamihah says:

    Please Publish the Following in Your main page:
    গ্রেফতার নির্যাতন বন্ধ করে অভিলম্বে বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমদের মুক্তি দিন

    বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের গ্রেফতার-নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং অভিলম্বে মুক্তির দাবী জানিয়েছেন নিউজার্সী, যুক্তরাষ্ট্রের বাংগালী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ। এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনৈতিক হীন উদ্দ্যেশ্য চরিতার্থ করার জন্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলায় দেশের শীর্ষ আলেম ও রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে অত্যাচার কোন মতেই গ্রহনযোগ্য নয়। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে বলেন, রিমান্ডের নামে দেশের আলেম ওলামা ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের ওপর যে চরম জুলুম নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার জন্য সরকারকে ভবিষ্যতে জনগনের কাছে অবশ্যই জাবাবদিহি করতে হবে।

    বিবৃতিতে অবিলম্বে শীর্ষ আলেমদের রিমান্ডের নামে নির্যাতন বন্ধ করে মুক্তি না দিলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও ইসলামী মূল্যবোধ সুরক্ষার লক্ষ্যে সাম্রাজ্যবাদী, আধিপত্যবাদী এবং অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে সোচ্চার হতে সমস্ত ইসলামিক, গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক জনগনকে আহ্বান জানান হয়। তারা সাবেক মন্ত্রী ও এমপি মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, সাবেক এমপি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সাবেক মেয়র ও মন্ত্রী মির্যা আব্বাস, সাবেক পররাষ্ট্র সচীব বীর মুক্তিযোদ্ধা শমশের মুবিন চৌধুরী ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সহ সকল রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেন। আশা প্রকাশ করেন সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং গণতান্ত্রিক মুল্যবোধের প্রতি সম্মান রেখে সংবিধান স্বীকৃত জনগনের মৌলিক অধিকারে কোন রকম হস্তক্ষেপ করা হবেনা।

    বিবৃতিতে সাক্ষর করেন দেলাওয়ার ভ্যালী ইসলামিক সেন্টারের সভাপতি মাওলানা কাজী ইলিয়াছ, সাধারন সম্পাদক জনাব ফোরকান উদ্দীন, বাংলাদেশ প্রগ্রেসিভ ফোরাম এর আহ্বায়ক জনাব শাহাবুদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব জয়নাল আবেদীন, সেক্রেটারী জনাব নুর ইসলাম, মুনার চ্যাপ্টার প্রেসিডেন্ট জনাব এ কে আজাদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহেদুর রহমান ও সেক্রেটারী শফিউদ্দীন, আস্ সিরাতুল মুস্তাকীম ইসলামী স্কুলের ডাইরেক্টর ডাঃ এল এ চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর এম এইচ কবির, বাংলাদেশ-আমেরিকান সোসাইটির(BAMS) যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শিহাব উদ্দীন, সেক্রেটারী মঈনুল হোসাইন, মুনা ইয়ুথ প্রেসিডেন্ট ব্রাদার মিনহাজুল আবেদীন, সেক্রেটারি ব্রাদার শেখ হাসান, মুসলিম ইয়ুথ নিউ জার্সীর(MYNJ) প্রেসিডেন্ট ব্রাদার জোবায়রুল আজাদ এবং সেক্রেটারী ব্রাদার রেজাউল করিম।

  14. Ooooh Allah, The Almighty, Save our innocent leader- Motiur Rahman Nizami, Ali Ahsan muhammad Muzahid, Allama Delwar Hossain Saidy and others. America+Israil+India+Baksal Attacked us at a time, Save Muslim leader, Save Mahmudur Rahman, Save the voice infavour of freedom & Islam. OH Allah, The suprime power only you can do, I am very weak. waiting for a sunny morning……………………. When our sleep will be broken, We will break BAKSAL @ fasibad.

  15. Masud Alam says:

    Right now our government has taken very bakshali conduct atmosphere loss her character almost everybody let me know herself,
    right now we are passing very default time because our main leader in the jail.

    O–Allah half our leaders , show cause is nothing when arrest our main leader but, forget this government he will not still after long time !!!

  16. Abu Taher says:

    Allah amader sakel natribrindoke hafazat korun…. Amin

  17. Md. Tamim Al Mishu says:

    The patriotic people of Bangladesh analyse the present problems including the arrest of political leaders. We know, the total power is on the people. & we will react in just time INSHAALLAH.

  18. shahadath says:

    O Allah tumi amader ekmatro ovivabok. tumi amader netader daitto nia naw.

  19. ruhul amin says:

    shob kisur akta shesh ase , otirikto kisui valo na , bangladesh er manuhs ato biokto je r akta 15 august hole stange hobona

  20. omar mujahid says:

    hasina,apnar baba ai kajguloi korecchilen…ja apni korcchen……….ai opokormer folafol boroi mormantik…..apnar vaggo apnake boron kortey hobe….na hole keno apnar ai durmoti holo….amra itihaser punorabritti chaina…………..allah apnar sumoti dan korun……..

    • Hashemudin Bapary says:

      Omor Bhai…Apnar Shumoti hok ,Apnader Shumoti hok …aee doa kori.
      Ekhon o bujhen na keno! shomoy shesh…Khoma chaye notun vabey rajneetiy koren…dhormo pran banglalee hoyto maf korteo pare !
      Purano Papi netader cherey Notun neta khujun..jini Shadhin Bangladesh e bishshash koren…

  21. Khurshed says:

    Sarker Jamat netader gerapter kore Islami andolonke tara nischinna kore dita chai kinto Allah tar deenke tar nijeay hafajat korben …… R Bangladeh Awami League ke Itihash teke sikka newa darker Islami andolonke nischinna korte keo parenai & parbena borongcha tarai nischinna hoiajabe Inshallah ……… ” amader kotha gulo amny kore bohudin muse dite ore kehu pare nei. sotter kotha mora boley jabo, badar pahad joto madie……. “

  22. sumon parvez says:

    Allah ja koren valor jonni koren. Hoyetoba jalimra dongser kasakasi chole asese. Tai ato barabari korse. Allah ai sirso alemder hepajot korun. amin

  23. Abdullah says:

    Islami andoloner shokol kormi, shuvakanki abong dayettoshil vai o bonder proti amar onurudh, doya kore apnara emon poristitite matha gorom korben na. ashun amra shobai sobor o namajer shohith Allahr shahajjo kamona kori. Allah bolechen, “Hey Imandargon, tumra sobor abong namazer maddome Allahr shahajjo kamona koro.” shutorang, prio vai o bonera Amra rate nofol namaz abong dine parle nofol ruja rekhe amader prio netader muktir jonno Allahr dorbare doa korbo. Ami nischit Allahr shahajjo obossoi ashbe, tobe tar age amader Imaner porikka dite hobe. Tar pashapashi Kendrio shiddanto onujae jekuno kormoshuchite shotorsfurtovabe ongshogrohon korbo. Insha-Allah amra shofol hoboi. karon Allah ghushona korechen, “Tumra hotash hoyo na, tumra chintito hoyo na, tumrai bijoye hobe jodi tumra shottikarer Mu’min ho.” Allah amader shokol totporotake tar deen’er jonno kobul korun. Ameen.

  24. Nazmus sakib says:

    O Allah tume amadar preo natadar baksal sarkar ar sakranto thaka hapajot koro.tara mona kora selo a vaba quranar pramikdar bondi kora rakla islami andolanar kaj bondohoajaba kentu ami bolta cy tadra ay nakkar jonok kaj ar vinemoa a dasar sab muslim poribara aj hajaro nejami,sydi,mujahid ar jarmo hoasa. amra tadar nersorto mukti cy.

  25. shibir should carry on their activities ….

  26. ROMESH GHOSH says:

    SHIBIR!!!!!!!!!!
    CARRY ON!!!!!

  27. shibir should have strong voice against awamileage because, AL want to show BD as a terrorist country!

  28. ABC says:

    shob kisur akta shesh aseto!

  29. yasin arafath says:

    ফেরাউন মুসার জন্ম ঠেকাতে সন্তান জন্মদানে নিষেদাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু যার ভয়ে এত আয়োজন তাকেই লালন-পালন করেছে ফেরাউন। জামায়াত-ছাত্রশিবিরের উত্থান ঠেকাতে আওয়ামী সরকার ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব শুণ্য করতে চাইছে কিন্তু আওয়ামী সরকার কি বুঝতে পারছে যে সেই সুযোগে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে অনেক যুবক তৈরী হয়ে যাচ্ছে।

  30. Joynul Abdin says:

    Allah amader sakal leader k hafazat korun…. Amin. jalem k tumi hedayet dankoro.

  31. A K M Kamal Uddin says:

    ওরা শেকড় বিহীন-
    ওতবাদের বংশধর।
    ওদের খিপ্রগতিতে ভয় পেয়োনা
    হতে পারে এটা নিঃশেষ
    হওয়ার পূর্বে জ্বলে উঠা
    অস্বাভাবিক গতি

  32. May Allah help our leaders.

  33. Rahman Faruk says:

    গাড়ী পোড়ানোর নির্দেশ না দিয়েও যদি নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হয়, তাহলে ২৮ অক্টোবর যিনি লগি-বৈঠা দিয়ে খুচিয়ে/পিটিয়ে মানুষ হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন তার বিচার কি হবেনা? অবশ্যই হবে।

  34. mohiuddin says:

    আল্লাহ আমাদের নেতাদের মুক্তি দিন।

  35. mannan says:

    আমাদের নেতাদের সম্পর্কে বলা হলো যে, তারা রাসুল (সা:) এর সাথে মাওলানা নিজামী সাহেবকে তুলনা করেছে যা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত এনেছে। আর এ কারনে জাতির বিবেক তাদের নামে মামলা ঠুকে দিতে কার্পণ্য করেনি। আমার প্রশ্ন হলো পবিত্র কোরআনের মাধ্যমে আমরা জানি যে, মুসলমান জাতির জনক ইব্রাহীম (আ:)। অথচ আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ নামধারী কিছু পিশাচ যুগ যুগ ধরে বলে আসছে জাতির জনক টুংগীপাড়ার শেখ মুজিবর রহমান। এ কথাটি যদি সঠিক না হয়ে থাকে তাহলে জাতির বিবেক এখনো চুপ করে বসে আছে কেন ? তাদের নামে কোন প্রকার কেস এখণো হয়নি কেন ? ……………….

    • Ovaga Desh says:

      তারা নবীকে নিয়ে মনচ নাটক করে, নবীর নামে গালি দেয়।

  36. S m rashed says:

    Rat joto govir hoy, provat toto nikot borti hoy. Aloo asbe..i…

  37. m says:

    Allah always with them who are on Islamic way in adverse condition. May Allah bless upon them.

  38. এক জন সালাউদ্দীন আয়ুবীর অপেক্ষায় says:

    اسلام عليكم ورحمة الله
    সবার কাছে অনুরোধ , আপনারা সবাই কুনুতে নাযেলা পড়ুন। এবং ব্যক্তি গত ভাবে বা পারিপারিক ভাবে কুরআন খতম এবং খতমে ইউনুস পড়ার চেষ্টা করুন। এই দোয়া খতম কেবল বর্তমান পরিস্থিতির জন্য নয় । বরং আমাদের সকলের ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্যো দরকার।

  39. Daniel says:

    Amader sahajjokari Allah. Sobcheye porakromshali, sobcheye khomotaban. Sutorang chinta kiser? Ai rat kete jabe. Surjo uthbe e. Sotter aloy udvasito hobe chardik. Nasrum minallahe wa fathun qareeb.

  40. Mamun says:

    হে আল্লাহ, তুমি তুমার বান্দাদের সাহায্য কর।ওই জালিমদের হেদায়াত দান কর।আর যদি এদের হেদায়াত না থাকে তাহলে আর একবার ডালিম,ফারুক,রশীদদের পাঠাও।আরও একটি ১৫ই আগশট আমাদের ভাগ্যে লিখে দাও।আমিন।

  41. M L Hossain says:

    Oh–Allah half our leaders (Motiur Rahman Nizami, Ali Ahsan muhammad Muzahid, Allama Delwar Hossain Saidy) , Oh Allah, The suprime power only you can do, I am very weak. waiting for your modot, nasrum minallahi owa fathun karib………Ameen.

  42. Nasrin says:

    গ্রেফতার নির্যাতন বন্ধ করে বাংলাদেশের শীর্ষ আলেম এবং তিন জাতীয় নেতাকে অবিলম্বে মুক্তিমুক্তি দিন । সবাই দোয়া করবেন এবং রোজা রাখবেন । আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করুন । আমিন ।।

  43. m.n.karim.feni says:

    allah tumi amader natader hafagot korun.

  44. MUHAMMAD ROFIQUL ISLAM says:

    Boi kiser oder hepajoter dayitto to sudu Allahr.asun amra amader dayitto palon kori sobor o salater sate protibad kore,prosarona saliye.islam birudira aj kibabe mittasar korse tader media dia.a guli nkisui na.

    • mujibur rahman says:

      MAY ALLAH RELEASE OUR LEADERS FROM THE JAIL

      ALLAHUMMA INNA NAJALUKA FI NUHURIHIM WA NAUJUBIKA MIN SURURIHIM

  45. Md K.A. Roni says:

    Allah know the truth. Insha-Allah you will be success in this exam by the faith/help of Allah.

  46. Abu sufian halim says:

    I request all of Jamat and Shibir worker to don’t be worried; victory must come within short time . Do not take rest. Allah(SWT) must with you; so, try and try . We are also trying from aboard….

  47. imdad says:

    উল্লসিত কিংবা দুঃখিত নই বরং শঙ্কিত

    ইমদাদুল হক

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদ ও নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী গ্রেপ্তারের পর আনন্দ মিছিল কেরেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। যদিও সম্প্রতি আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম তাদের কর্মকাণ্ডের দায় দায়িত্ব না নিয়ে দলটিকে শেকড়হীন দলে পরিণত করেছে। অপরদিকে জামায়াত ও ছাত্র শিবিরের নেতা-কর্মীরা মিছিলের প্রস্তুতি নিলে পুলিশি অ্যাকশনের শিকার হয়েছেন। এমনকি ডিএমপির পক্ষ থেকে তাদেরকে মিছিল মিটিং না করার জন্য পরামর্শও দেয়া হয়েছে।

    অবশ্য একই বিষয়ে দ্বৈতনীতির পক্ষে ডিএমপি কেনো আনুষ্ঠানকিভাবে অবস্থান নিলো তা তারাই ভালো বলতে পারবেন। তবে এ আচরণ যে ভবিষ্যত গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করলো তা বোঝার জন্য খুব বেশি দূরদৃষ্টির প্রয়োজোন নেই। শুধু এদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে থেতলে যাবে সাধারণ মানুষের মস্তিস্ক। ক্রমেই অসহিষ্ণুতা আর নৈরাজ্যের দিকে ঝুঁকবে দেশ। কেননা আশ্রয়হীনতা থেকেই জন্ম নেয় সঙ্কট। নদীর প্রবাহমানতায় হঠাৎ করেই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে যেমন তা রোধ করা যায় না তেমনি বঞ্চনার ক্ষোভ থেকে সৃষ্ট বিক্ষোভ খুবই ভয়ঙ্কর।

    দর্শনের কথা এখন থাক। এবার বাস্তবতায় চোখ ফেরানো যাক। জামায়াতের শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তারের পর স্বভাবতই (!) রাস্তায় রাস্তায় আওয়ামী লীগ ও তার অনুজদের বেশ উল্লসিত হতে দেখা গেছে। অপরদিকে জামায়াত ও তার অনুসারীরা হয়েছেন পুলিশি অ্যাকশনের বলি। আর এতোদিন ভোটের বাক্সে লাথথি মেরে সমাজতন্ত্র কায়েমে বিশ্বাসী বাম মোর্চার সমর্থকেরা যারপরনাই ক্ষিপ্ত। অবশ্য এটা গ্রেপ্তারে বিলম্ব ও পথের কাঁটা অপসারণের কারণে। কেননা জামায়াত আর বামদের রাজনৈতিক দর্শনে বিপ্রতীপ সম্পর্ক রয়েছে। ১৮০ ডিগ্রি দর্শনগত পার্থক্য থাকলেও উভয়ের মধ্যে সাংগঠনিক আনুগত্যের, মেধা চর্চা ও শৃঙ্খলার দিক দিয়ে মিল রয়েছে।

    অপরদিকে বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে ব্যস্ত বুদ্ধির সওদাগররা (বুদ্ধিজীবী)। আর এসবকিছুতেই প্রচ্ছন্নভাবে ঘৃতাহুতি দিয়ে সাংঘাতিক পারঙ্গমতার পরিচয় দিচ্ছেন কোনো কোনো সংবাদ বণিকেরা।

    কিন্তু দীর্ঘ নিরবতার পর আচমকা গ্রেপ্তারে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে রবিবারের সতস্ফূর্ত হরতাল দেখে সরকার বোধ হয় ঘাবড়ে গেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাসায় র‌্যাব-পুলিশের হামলা, দলের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যনিকে পুলিশ প্রহারায় ছাত্রলীগের বেধরক পেটানোর দৃশ্য, বেশুমার গ্রেপ্তার গোটা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণহীনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    সবমিলিয়ে মনে হচ্ছে আবার অন্ধকারের দিকে হাঁটতে শুরু করেছি আমরা।গুহা মানবের জীবনেই আবার ফিরে যাচ্ছি। জঙ্গলের রাজাদের মতোই রাজনীতি হয়ে পরছে পেশী শক্তি নির্ভর। এ সুযোগে শিথীল হয়ে যাচ্ছে আমাদের জাতীয় ঐক্য। সীমান্তের ওপার থেকে জঙ্গল সাফ করে চাষাবাদ করতে এ দেশে আসছে ভারতীয় খাসিয়া সম্প্রদায়। বাঙ্কার নির্মাণ করেছে বিএসএফ।

    কিন্তু বিষয়ে নেই অগ্রগতি। নিয়মিত পতাকা বৈঠক হলেও সমাধান যেন সুদূরেই থেকে যাচ্ছে। স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর কৌশলে চলছে খবরদারি। বিপরীত মতের একাধিক সংবাদ মাধ্যম বন্ধ করে দেয়ার পর পত্রিকা ও টিভি গুলো এখন বিটিভির দ্বিতীয় সংস্করণের চেয়ে খুব একটা উন্নত তা বলা যাবে না। সর্বশেষ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক ওয়েব সাইট ফেসবুক বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। অবশ্য নানা সমালোচনার জন্ম দিয়ে পরে তা খুলে দেয়া হয়। আর এসব কারণেই বেশ চিন্তিত না হয়ে পারছি না। কেবলই মনে হচ্ছে উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ।

    কারণ গ্রেপ্তারের মালায় জামিন পেয়েছেন জামায়াতের ৩ শীর্ষ নেতা। এরমাধ্যমে আটক নাটকের মঞ্চায়ন নিয়ে আর সন্দেহ থাকল না। তবে অপর ৫ মামলায় ১৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। প্রথম রাত তারা কাটিয়েছেন কেন্দ্রীয় কারগারে। রাতেই সেখানে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে হয় জামায়াত প্রধান মাওলানা নিজামীকে। আর পল্টনে পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বুধবার বিকালে ৩দিনের রিমান্ডে নেয়া হয় অপর দু’জনকে (মুজাহিদ-সাঈদী)।

    পুরো ঘটনায় কোনো সুস্পষ্ট বা গণ আরাধ্য বার্তা আমি অন্তত পাইনি। যারা উল্লাস করছেন, অশ্রুপাত করছেন অথবা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন অশোভন শব্দে খরচ করছেন তাদের যুক্তিকে আমি অসম্মান করছি না। তবে এটুকু বলছি, গোল হওয়ার আগ পর্যন্ত নানা টেনশন নিয়েই খেলা দেখতে চাই। কারণ পুরো বিষয়টি আমার কাছে ফুটবল খেলার মতোই মনে হচ্ছে।

    ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো এখানেও রয়েছে দুইটি চিহ্নিত গ্রুপ। উভয় পক্ষই যথেষ্ট আবেগী। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যুক্তি ও সহনশীলতাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ। কেউ আবার ভবিতব্য না বুঝেই নানা তীর্যক মন্তব্য করছেন। এমন ভাবে ওপর দিকে থুতু ছুঁড়ছেন তা যে নিজের গায়ের ওপরই পড়ছে সে বিষয়েও ভ্রুক্ষেপ নেই।

    এমন অবস্থায় চিন্তাগুলো এখন দুশ্চিন্তায় মোড় নিচ্ছে। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে দেশটির রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বার্নস সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস এর সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মন্তব্য ইতিবাচক হলেও বিষয়টা সাদা চোখে দেখা কতটুকু ঠিক হবে তা রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরাই ভালো বলতে পারবেন। তবে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ভূমিকা এবং তাদের সাম্রাজ্যবাদী নীতি আমাকে কিছুটা হলেও ভাবিত করেছে।

    কারণ বাংলাদেশ সঠিক পথে এগিয়ে চলছে বলে মন্তব্য করে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে এ দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও উন্নয়নে সব ধরনের জন্য তিনি তার দেশের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার যে আশ্বাস দিয়েছেন তা যে আত্মিক নয়; স্রেফ রাজনৈতিক। আর এভাবেই তারা বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক শক্তি ও সংহতিতে ফাটল ধরায়। গাছের গোড়ায় পানি ঢেলে আগায় জল দেয়ায় তারা দারুণ ওস্তাদ।

    প্রসঙ্গচ্যুতি না ঘটিয়ে এবার নিজ জেটিতেই ফিরে আসি। আমি যেটুকু বুঝি আমাদের ঘরের সমস্যা ঘরের লোকেরাই মেটাবে। বাইরের কেউ নয়। ওয়র্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফ ইত্যাদি থেকে আমাদের ঢের শিক্ষা হয়েছে। আর নয়।

    তাছাড়া বিভেদ সৃষ্টি যেমন সহজ। সংঘাত প্রসমণ ঠিক ততটাই কঠিন। তাই এ মুহূর্তে এমন কোনো আচরণ, বক্তব্য না দেয়াই শ্রেয় যা প্রকৃত সত্যকে আবৃত করবে। নদী হারাবে তার স্রোত ধারা। মাঝখান দিয়ে অনেক রক্তপাত ঘটবে। হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণে নুয়ে পড়বে তেজদ্বীপ্ত তারুণ্য। যৌবনের উর্দীর নিচে কেবলই বুকডন দেবে ঘৃণা, অশ্রাব্য গালি..।

    আর তাই রেফারির ওপর খর নজর না রাখলে আফ্রিকা বিশ্ব ফুটবলের উত্তেজনাকর আসরে ইংল্যান্ডের মতো কোনো অঘটন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হবে উভয়েই। ঠিক মেসি যেমন বার বার ফউলের শিকার হয়ে খেলায় ছন্দ রাখতে পারবেননা তেমনি লাল কার্ড পেয়ে মাঠের বাইরে কাটতে হবে কাকাকেও। আর সবশেষে খেলার মূল পর্ব থেকেই ছিটকে পড়েছে ফেবারিটরা।

    পুনশ্চ: হাত-পা বেঁধে কারও ওপর চড়াও হওয়ায় বহুজোর দেখানো যায় বটে। তবে এতে সাহসের চেয়ে কাপুরুষতাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সঙ্গতকারণেই এক্ষেত্রে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মতো উল্লসিত হওয়া মানবতার জন্য লজ্জা ছাড়া আর কিছুই নয়। আর ইসলাম কায়েম করতে গেলে বাধা আসবেই। ফলে দু:খ করার কোনো কারণ নেই।
    ০১৫৫২৬০০৫৭৯

  48. Samsul alam masud says:

    আমরা আরও কঠিন কর্মসূচি চাই।

  49. SIMO says:

    O allah tumi a sirso alimdar jalim sarkar ar kalo thaba thaka rokkha koro.sakol pathok ka dowa karar onurod korci.

  50. AZAD PISSE.FENI says:

    sakal ka a sirso alimdar jonno dowa,tahlzut,roja palon korar jonno onurod korsi.amra a sirso alimdar nirsorto mukti cy.o allah ami masum tume amadar sakol dowa kurun. koro.amin,amin,amin

  51. এই মানবতা বিরোধী কাজের জওয়াব জনগণ একদিন দিবেই। আমরা তাই আল্লাহর দরবারে শুধু ফরিয়াদ করব।

  52. We Pray to Allah For Release of Three National Leaders Of Bangladesh. Awami League Oppressed to All Muslims Of Banglades.
    It is a Humanity Oppress by Present Government of Bangladesh.
    They Made Lal Bahani during the rule of Saikh Mujibur Rahman after 1971 to 15th August 1975.

  53. Kazi Mohammad Ismail says:

    To ensure justice, judges should quash the case, to ensure democracy, govt. should free the National leaders, to ensure peach police department should stop the combing operation against general people and to ensure sovereignty of our country all the people of the land should react against Awami League’s fascist activities.

  54. Nadim says:

    all of the member prayer for them. Because they are leader of BJI. Allah help them
    , Our government must be careful for this situation, because next time they are fall this situation

  55. Muhammad Ahsanuzzaman Nasir says:

    Ooooh Allah, The Almighty, Save our innocent leader- Motiur Rahman Nizami, Ali Ahsan muhammad Muzahid, Allama Delwar Hossain Saidy and others. America+Israil+India+Baksal Attacked us at a time, Save Muslim leader, Save Mahmudur Rahman, Save the voice infavour of freedom & Islam. OH Allah, The suprime power only you can do, I am very weak. waiting for a sunny morning……………………. When our sleep will be broken, We will break BAKSAL @ fasibad, Zalimbad

  56. haque says:

    Political right is for every one. But this time Allah gives the devil mighty power. Allah knows how experiment will still needs to pay!!

    Our voice has made closed forcefully, hands and legs have been tied up, no voice to say anything, no hands to protect. What will we do now? Is this democracy? Forcefully oppression is called democracy in Bangladesh. This definition is invented by Awami league and Sheikh Hasina.

    All should know this.

  57. Faiz says:

    আওয়ামীলীগ সরকার বর্তমানে জামায়াতের সাথে যে আচরণ করছে তা এক কথায় বেআইনি, অমানবিক, অগণতান্ত্রিক। এতে জামায়াত সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারও নিজেদের জন্য বোধ হয় খারাপ পরিনতি ডেকে আনছে। যুদ্ধাপরাধ বা মানবা বিরোধী বিচারের যে কথা বলা হচ্ছে তা যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ তা এসব ঘটনা থেকে দিবালোকের মতো পরিস্কার হয়ে ওঠেছে। বাংলাদেশের জনগন এখন আর বোকা নয়। চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের মতো সময় সুযোগ মতো জনগন ঠিকই জবাব দিয়ে দেবে। তার আগে জামায়াতকে বুদ্ধিমত্তার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারের রোষানল থেকে বেরিয়ে আসার জন্য। ৯-৭-১০

  58. Masud Rahman says:

    BAKSAL is back! This time in the guise of “DIGITAL” Bangladesh. The way they are treating the national leaders and editor Mahmudur Rahman is nothing but the fascism. All Bangladeshis should rise up and stop this BAKSALite right away, right now – other wise another PALASHI and 100s of PILKHANA tragedy is in the making.

  59. Hafijur Rahman says:

    Allah amader leaders der mokto koron………..A.lig o Hasina govt. ka hadaeat dan koron.

  60. najmul hasan says:

    free the leaders now.

    • saiful says:

      আল্লাহ্ এই জালিম সরকারের থাবা থেকে ও ভারতের কবল থেকে এই মুসলিম ভূখন্ডকে রক্ষা করবেনই এবং কুচক্রান্ত নস্যাত করে দেবেন ফেরাউন , নমরূদ এবং হাতী ওয়ালাদের মত ইনশাল্লাহ্ । সবাই দোয়া করবেন , রোজা রাখবেন এবং কুনুতে নাজেলা পড়বেন। আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করুন । আল্লাহ তুমি আমাদের বদরের সাহাবাদের সেই ঈমান. সেই শক্তি, সেই হিম্মত, সেই ত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ এই দেশের সকল আলেম ওলামা দের এক হওয়ার তাওফিক দান কর। আল্লাহ অতি শীঘ্রই এ জালেমদেরকে লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত করবেন। আমিন। হে আল্লাহ, তুমি তুমার বান্দাদের সাহায্য কর।ওই জালিমদের হেদায়াত দান কর।আর যদি এদের হেদায়াত না থাকে তাহলে তোমার ফায়সালা নাজিল কর।

      কুনুতে নাযিলা বলতে সেই দোয়া বুঝায় যা রাসূল (সা) ইসলামের দুশমনদের ধ্বংসকারীতা থেকে রার জন্যে তাদের শক্তি চূর্ণ করে তাদের ধ্বংস করার জন্যে পড়েছেন।
      হযরত আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূল (সা) মুসলিম কয়েদীদের উদ্ধার এবং কাফিরদের ধ্বংসের জন্যে অনবরত একমাস পর্যন্ত এশার সালাতে কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন।
      আহলে ইসলাম যদি কোন সময়ে কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হয়, দিন-রাতব্যাপী দুশমনদের পক্ষ থেকে আসন্ন বিপদে এবং তাদের ভয় ও সন্ত্রাসে ইসলামের মর্দে মুজাহিদদের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে, যদি চারদিকে দুশমনের শক্তিমত্তা দেখা যায়, তারা যদি মিল্লাতে ইসলামিয়াকে ধ্বংস করার জন্যে এবং ইসলামের নূর নিভিয়ে দেয়ার জন্যে আহলে ইসলামের উপর অমানুষিক জুলুম করতে থাকে, এমন নৈরাশ্যজনক অবস্থা থেকে বাঁচার জন্যে দুশমনের শক্তি চূর্ণ করতে, তাদেরকে ধ্বংস করতে আল্লাহর দরবারে দরখাস্ত করার জন্যে কুনুতে নাযিলাহ পড়া মাসনুন। (আসান ফিকাহ, ১ম খন্ড, পৃ: ২১১)
      পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের শেষ রাক’আতে রুকু থেকে উঠে ‘সামি’আল্লাহ-হু লিমান হামিদা’ পড়ার পর হাত তুলে কুনুতে নাযিলাহ পড়তে হবে। এ সময় মুক্তাদিগণ আমীন, আমীন বলবে। (আবু দাউদ, মিশকাত, হা/১২৯০)
      ইসলাম বিরোধী শক্তি বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য কামনা করে বিশেষভাবে এ দো’আ পড়তে হয়। কুনুতে নাযিলাহ সব ওয়াক্তে ফরয সালাতে বিশেষ করে ফজরের শেষ রাক’আতে রুকুর পরে দাঁড়িয়ে সরবে পাঠ করতে হবে। (ফিকহুস সুন্নাহ, ১ম খন্ড, পৃ: ১৪৮)
      কুনুতে নাযিলার জন্য রাসূল (সা) থেকে নির্দিষ্ট কোন দো’আ বর্ণিত হয়নি। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি বা শক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে এ দো’আ করেছেন। তবে হযরত ওমর (রা) থেকে এ বিষয়ে একটি দো’আ বর্ণিত হয়েছে, যা তিনি ফজরের সালাতে পাঠ করতেন এবং যা ইসলাম বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে সবসময় পাঠ করা যেতে পারে। দো’আটি হ’ল:
      1-اللهم اغفر لنا و للمومنين و المومنات و المسلمين و المسلمات و الف بين قلوبهم و اصلح ذات بينهم و انصرهم علي عدوك و عدوهم- اللهم العن الكفرة الذين يصدون عن سبيلك و يكذبون رسلك و يقاتلون اولياءك- اللهم خالف بين كلمتهم و زلزل اقدامهم و انزل بهم بأسك الذي لا تردوه عن القوم المجرمين-(البيهقي)
      (ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব, ছালাতুর রাসূল (ছা), পৃ: ৯৮)
      আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বর্ণনা করেছেন, রাসূল (সা) একমাস অনবরত যোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং ফজরের সালাতে কুনুতে নাযিলা পড়েছেন। (মুসনাদে আহমদ, আবু দাউদ, উদ্ধৃত: আল্লামা হাফিজ ইবনে কায়্যিম, আল্লাহর রাসূল কিভাবে নামায পড়তেন, পৃ: ৮৬)
      অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি বিপদ আসলে বা বিপদে-আপদে কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন। (প্রাগুক্ত, আল্লাহর রাসূল কিভাবে নামায পড়তেন পৃ: ৮৬)
      সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন কারো জন্যে দু’আ কিংবা কারো জন্যে বদ দু’আ করতে চাইতেন, তখন ফরয সালাতের শেষ রাকাতের রুকুর পরে কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন।
      আবু দাউদে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা) এর সাধারণ রীতি ছিলো, যখন বিপদাপদ দেখা দিতো, তখনই কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন। বিপদাপদ দূর হয়ে গেলে পড়া ছেড়ে দিতেন। তিনি শুধু ফজরের সালাতে দু’আ কুনুত পড়তেন না, অন্যান্য সালাতেও পড়তেন।
      মুহাদ্দিসগণ বিপদে-আপদে কুনুতে নাযিলাহ (দু’আ কুনুত ) পড়াকে মুস্তাহাব বলেছেন। কেউ আবার সুন্নাত বলেছেন। (প্রাগুক্ত, পৃ: ৮৭)
      আহলে ইসলামের সংকট মুহুর্তে কুনুতে নাযিলা পড়া অত্যাবশ্যক (ওয়াজিব) বলে সমসায়িক মুজতাহিদগণ অভিমত দিয়েছেন।
      ইমাম রুকু থেকে ওঠে স্বশব্দে কুনুত পড়বেন। বর্ণিত আছে, কুনুতে নাযিলা স্বশব্দে পড়া উত্তম, তবে স্বশব্দে শুরু করে পরে নীরবে পড়াও যায়। রাসূল (সা) স্বশব্দে পড়েছেন আবার নীরবেও পড়েছেন। মুক্তাদীগণ স্বশব্দে আমীন! আমীন বলবেন। (প্রাগুক্ত, পৃ: ৮৭-৮৮)

      2-اللهم أعز الاسلام و المسلمين و اخجل الكفرة و المبتدأة و المشركين. اللهم دمر ديارهم و أقدم زلزلهم و مزق جمعهم و
      فرق بينهم و حرق بنيانهم. اللهم ألق في قلوبهم الرعب و الخوف و الهزيمة. ولا تزد الظالمين الا خسارا- (الحديث)
      3-اللهم انصر من نصر دين محمد صلي الله عليه و سلم واجعلنا منهم- و اخجل من خجل دين محمد صلي الله عليه و سلم ولا تجعلنا منهم. (الحديث)
      4-حديث عمر بن الخطاب رضي: ربنا اعنا ولا تعن علينا و انصرنا ولا تنصر علينا وانصر علي من بغي علينا.
      বর্তমানে হক্বপন্থী দ্বীনের মুজাহিদকে বা মুসলিম সম্প্রদায়কে ইসলাম বিরোধী শক্তির হাত থেকে রার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ করে নিরাপত্তার জন্য দো’আ এবং ইসলাম বিরুদ্ধদের জন্য বদ দো’আ করা যাবে। অনুরূপভাবে বর্তমানে ইসলাম বিরোধী কোন ব্যক্তি বা সম্প্রদায় ও দেশকে নিঃশ্চিহ্ন করার জন্য নির্দিষ্ট নামে আল্লাহর কাছে অভিশাপ প্রার্থনা করা যাবে। হাদীসের শেষাংশে ওয়ালীদ……. এর স্থলে যে কোন মাযলুম ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা যাবে। (তথ্যসূত্র: আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, আইনে রাসুল (সা) দো’আ অধ্যায়, পৃ: ৯৫-৯৮, ড. ওয়াইবা জুহাইলী, ফিকহি ইসলামী ওয়া আদিল্লাতীহি)
      5-اللهم انج الوليد بن الوليد اللهم انج سلمة بن هشام اللهم انج عياش بن ابي ربيعة- اللهم اشدد وطأتك علي مضر و اجعلها عليهم سنين كسني يوسف. اللهم العن فلانا و فلانا. (بخاري. بيهقي.ج2ص298. مصنف ابن ابي شيبة.ج2ص213)

      6-اللهم انج مولانا مطيع الرحمن نظامي.علي احسان محمد مجاهد وعلامة دلوار حسين سعيدي و عطاء الرحمن و ابو الكلام ازاد و غيرهم من الائمة الاسلام و المسلمين.
      7-اللهم انج ائمة الجماعة الاسلامية و المخيم الطلاب الاسلامي و اصحابهم و رفيقهم ببنغلاديش و سائر البلدان الاسلامية.
      8-اللهم اشدد وطائك علي الفرقة الباطلة و الحزب الشيطان و اهل الطاغوت و الملحدين و اصحابه و اجعلها عليهم الرعب و
      الخوف و الهرج و المرج و الفساد.
      9-اللهم العن علي عدونا و عدوالله و عدو الاسلام والمسلمين و معاند الاسلام والمسلمين و اصحابهم و احبائهم- اللهم العن علي عوامي ليغ و علي روئسة الوزراء الشيخ حسينة و اصحابها من عوامي ليغ و الهدمهم و اهلكهم.
      আরো প্রসিদ্ধ দু’আ সমূহ:
      10- اللهم منزل الكتاب سريع الحساب اهزم الأحزاب اللهم اهزمهم و زلزلهم- اللهم منزل الكتاب و مجري السحاب و هازم الأحزاب اهزمهم و انصرنا عليهم. (بخاري و مسلم)

      11-بسم الله الرحمن الرحيم اللهم انا نستعينك و نومن بك و نتوكل عليك و نثني عليك الخير و لا نكفرك بسم الله الرحمن الرحيم اللهم اياك نعبد و لك نصلي و نسجد و اليك نسعي و نحفد و نرجو رحمتك و نخشي عذابك ان عذابك بالكفار ملحق. اللهم
      عذب الكفرة الذين يصدون عن سبيلك. (ابن ابي شيبة)
      12-أخرج أحمد و الترمذي و النسائي عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلي الله عليه و سلم في الدعاء: اللهم زدنا ولا تنقصنا و أكرمنا و لا تهنا و اعطنا ولا تحرمنا و أثرنا ولا توثر علينا وارض عنا و ارضنا.
      13-اللهم أنت عضدي و نصيري بك أحول و بك أصول و بك أقاتل. (الحديث) 14-يا حي يا قيوم برحمتك نستغيث. (الحديث)
      القران: 15-أفوض أمري الي الله ان الله بصير بالعباد. 16-حسبنا الله نعم الوكيل نعم المولي و نعم النصير.رب اني مغلوب فانتصر.
      بسم الله الرحمن الرحيم: قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ (1) مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (2) وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ (3) وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ (4) وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ (5)
      بسم الله الرحمن الرحيم: قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ (1) مَلِكِ النَّاسِ (2) إِلَهِ النَّاسِ (3) مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ (4) الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُور النَّاسِ (5) مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ (6)
      জ্ঞাতব্য:
      ১। সকল ফরজ সালাতে উচ্চশব্দে কুনুতে নাযিলা পড়া জায়েজ। তবে ফজরের সালাতে পড়ার ব্যবস্থা করা উচিৎ।
      ২। ফরয সালাতের শেষ রাকাতের রুকু থেকে উঠে হাত তুলে/বেঁেধ/হাত ছেড়ে দো’আ পড়া যায়। তবে হাত তুলে পড়াই ভাল।
      ৩। ইমাম উচ্চশব্দে থেমে থেমে পড়বে এবং মুক্তাদিরা আমীন, আমীন বলতে থাকবে।
      ৪। একাকী সালাত আদায়কারীও কুনুতে নাযিলা পড়তে পারে।
      ৫। মহিলারাও তাদের সালাতে কুনুতে নাযিলাহ পড়তে পারে।

  61. Arif says:

    যে কথার কারণে মামলা করা হয়েছিলো তা আমরা এখানে উল্লেখ করছিঃ-
    ঢাকা মহানগর জামায়াত আমির রফিকুল ইসলাম খান বলেছিলেন, ”বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলন মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শেই চলছে, এর প্রমাণ ওই সময় হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে ইহুদিরা ‘আল আমীন’, ‘সাদিক’ উপাধি দেওয়ার পরও যখন তিনি নবুয়ত পেলেন, তখনই তাঁর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার, বাধা-প্রতিবন্ধকতা শুরু করে।” তিনি আরো বলেছিলেন, ‘আজও ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার-ষড়যন্ত্র চলছে। ইসলামী আন্দোলনের নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী জামায়াতে ইসলামীর আমির হওয়ার পর সাঁথিয়ায় কবরের নিচ থেকে হাড্ডিমাড্ডি নিয়ে উনাকে যুদ্ধাপরাধী-খুনি বলা শুরু হয়। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে কখনো কোনো অভিযোগ উঠেনি।’ …….. ‘ইসলামের শত্রুরা হজরত মুহাম্মদ (সা)-এর ওপর যে অত্যাচার, অপপ্রচার চালিয়েছিল, আজ জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধেও অনুরূপ অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চলছে।’

    একথা গুলোর মধ্যে ভূল কি বলা হয়েছে? কোথায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া হয়েছে?

    এরপর পুরো বক্তব্যটি দিয়েছেন রফিকুল ইসলাম খান। উক্ত সমাবেশে, নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদী উপস্থিত ছিলেন না, তাই তাদের কোন বক্তব্য দেয়ার প্রশ্নই উঠেনা। এখন যদি তথাকথিত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মামলা হয় তাহলে তা হবে শুধুমাত্র রফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে। কিন্তু সরকার উদ্দেশ্যমূলক ভাবে নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদীর নামে মামলা করেছে। “সরকার” বলছি এজন্য, এধরনের মামলা সরকারের অনুমতি ছাড়া হয়না। এতেই প্রমাণিত হয় সরকার যেত তেন ভাবে জামায়াত নেতাদের ফাঁসাতে চাচ্ছে। মামলা করার মতো অন্য কোন কিছু না পাওয়াতে ঠুনকো একটি মামলা করে তাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর সরকারের স্বৈরাচারী মানসিকতা আরো পরিস্কার হয়ে উঠেছে। কথিত অনেকগুলো মামলা দিয়ে দেশের রাজনৈতিক শীর্ষ নেতাদের রিমান্ডে পাঠানোর মতো হিংসাত্মক মানসিকতাও আওয়ামী লীগ প্রদর্শন করেছে। কিন্তু এতে লাভ আসলে নিজামী-মুজাহিদ-সাঈদীরই হলো। জনগণের সমর্থন তাদের দিকেই থাকবে। আর সরকারের স্বৈরাচারী মানসিকতাও আরো পরিস্কার হবে।

    আমরা বলতে চাই, যারা এদেশের অতীত দেখেছে…. বিশ্ব রাজনীতির অতীত-বর্তমান পর্যালোচনা করে যাচ্ছে তারা সবাই স্বীকার করবেন… সরকার কারো পরামর্শে এক ভয়ংকর খেলায় নেমে পড়েছে। যে খেলায় জামায়াতের বা নিজামী-সাঈদী-মুজাহিদের হারানোর কিছুই নেই। যদি হারে তাতে হারবে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর মতো বিশাল নেতাকে যারা পরামর্শ দিয়ে বাকশাল গঠন করিয়েছিলো, যারা বুদ্ধি দিয়ে বিরোধী দল দমনে তাকে প্ররোচিত করেছিলো…. মনে হচ্ছে তারাই আবার শেখ হাসিনার ঘাড়ে সওয়ার হয়েছে। তারা এখন শেখ হাসিনাকে বঙ্গবন্ধুর মতো শেষ না করে ছাড়বে না বলে মনে হচ্ছে। আর শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর মতো ফাঁদে পড়ে যাচ্ছে। এই ফাঁদ থেকে তাকে বাচিঁয়ে তোলার মতো কিছু লোক এখনো আছে। কিন্তু শেখ হাসিনা তা শুনবেন না। দূর্ভাগ্য এখানেই।

    বিশিষ্ট কলামিষ্ট মাসুদ মজুমদাদের কিছু কথা এখানে উল্লেখ করছি, ”দেশের অন্যতম প্রধান ও পুরোনে দল হিসেবে একটি জিনিস আওয়ামী লীগেরই বেশি জানার কথা। সবাই জানে ও বোঝে কোনো রাজনৈতিক দলকে হামলা-মামলা, জুলুম-নিপীড়ন করে দমানো যায় না। নিঃশেষ করে দেয়া যায় না; বরং আক্রান্ত দলের আয়েশি চরিত্রের জনশক্তিকে জাগিয়ে তোলা হয়। অগ্রন্থিত রাজনীতি গ্রন্থিত করা হয়। গণবিচ্ছিন্ন দলকে গণভিত্তি দেয়া হয়। কোনো দলের ভেতর চিন্তার েেত্র অনৈক্যের বা বিভাজনের আলামত থাকলে সে ধারায়ও আসে ঐক্য ও গতি। মেরুকরণের শাণিত ধারায় সম ও প্রতিবাদী শক্তির উজ্জীবন ঘটে। ঋজু থেকে ঋজুতর হয় আদর্শের ধারা। অর্š—কোন্দল, বিভেদ ও মতদ্বৈধতার অবসান ঘটে। যেকোনো আদর্শিক রাজনৈতিক দলই প্রতিরোধের মুখে পড়লে স্খবিরতা কাটিয়ে ওঠে। সংস্কারের ধারায় প্রগতি এসে তাদের আরো শাণিত করে দেয়। বক্তব্য ও কর্মসূচিকে গণমুখী করে তোলে। সাময়িক বাঁক ঘুরে কিছুটা রূপান্তরও ঘটে বটে। তবে প্রতিকূলতার মাঝে কোনো আদর্শবাদীই বিচ্যুত হন না। যদিও চরম অত্যাচার জুলুম, নিপীড়ন, জেলজরিমানা কিছু সুবিধাবাদী ও আপসকামীর জন্ম দিতে পারে। কিন্তু প্রবহমান প্রবল স্রোতধারায় আদর্শ নতুন উপলব্ধি ও প্রেরণা হয়ে আসে। নেতিবাচক অর্থে হলেও জামায়াতকে সব অর্থে পরিমার্জিত করে সম, যোগ্য ও প্রতিরোধশক্তিসম্পন্ন করার দায়িত্বও যেন এই সরকার নিয়ে নিয়েছে। অনেকেই নিশ্চিত সরকারের এই জুলুম-অত্যাচার জামায়াতের জন্য সাপে বর হবে।” ইনশাআল্লাহ, সকল ষড়যন্ত্র নস্যৎ হবে। ইসলামী আন্দোলন আরো বেগবান হবে।

    সবশেষে যে সব সাংবাদিক/কথিত সুশীল/বুদ্ধিজীবিরা জামায়াত নেতাদের গ্রেফতারের পর তাদের খুশি লুকোতে পারছেন না তাদের চিন্তার জন্য কিছু কথা এখানে উল্লেখ করছি।
    আওয়ামী লীগ সরকারের এ ধরনের ফ্যাসিবাদী চরিত্র ও এর বিপরীতে দেশের বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের নিস্ক্রিয়তা দেখে আমাদের জার্মান চিন্তাবিদ মার্টিন নায়মোলারের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। তিনি প্রথম মহাযুদ্ধে দুর্ধর্ষ ইউ বোট (সাবমেরিন) ক্যাপ্টেন ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নাৎসি ডিক্টেটরশিপের কঠোর সমালোচক হয়ে ওঠেন। সে জন্য ১৯৩৭ সালের ১ জুলাই তাকে গ্রেফতার করা হয়, কিন্তু আদালত তাকে হাল্কা সাজা দিয়ে ছেড়ে দিলে ক্রুদ্ধ হিটলার ব্যক্তিগতভাবে তাকে বন্দিশিবিরে আটক রাখার নির্দেশ দেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত তিনি সে শিবিরে আটক ছিলেন­ প্রায় নিঃসঙ্গভাবে। সে সময় জার্মান বুদ্ধিজীবীদের নিস্ক্রিয়তা ও সাহসের অভাব কিভাবে নিজেদের ও বিশ্বের সর্বনাশ করেছে, সেটা অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ভাষায় লিখেছেন মার্টিন নায়মোলার :

    প্রথমে ওরা এসেছিল কমিউনিস্টদের ধরতে, আর আমি প্রতিবাদ করিনি­; কারণ আমি কমিউনিস্ট ছিলাম না;
    তারপর তারা সোশ্যালিস্টদের ধরতে এসেছিল, আমি প্রতিবাদ করিনি; কারণ আমি সোশ্যালিস্ট ছিলাম না;
    তারপর তারা এলো ট্রেড ইউনিয়নপন্থীদের ধরতে, আমি প্রতিবাদ করিনি­; কারণ আমি ট্রেড ইউনিয়নপন্থী ছিলাম না;
    তারপর তারা এলো ইহুদিদের ধরতে, তখনো আমি প্রতিবাদ করিনি­; কেননা আমি ইহুদি ছিলাম না;
    তারপর ওরা আমাকে ধরতে এলো­; তখন আর আমার হয়ে প্রতিবাদ করতে কেউ অবশিষ্ট ছিল না।’

    জার্মানির বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদ করেননি, তারা নিস্ক্রিয় ছিলেন। তার পরিণতিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়েছে, পাঁচ কোটিরও বেশি মানুষ মারা গেছে, এমনকি মানব সভ্যতাও বিপন্ন হয়েছিল। মার্টিন নায়মোলারের অনুশোচনার কথাগুলো সে জন্যই গভীর অর্থবহ।
    আমাদের দেশেও বর্তমান সরকারের অগণতান্ত্রিক, ফ্যাসিবাদী ও দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবি ও সুশীল সমাজ কথা বলছেন না। তারা হয়তো মনে করে নিয়েছে আওয়ামী লীগের এই নির্যাতন তাদেরকে স্পর্শ করবেনা। কিন্তু তাদের এই নিস্ক্রিয়তার কারণে একদিন এই ফ্যাসিবাদ তাদের সহ পুরো দেশকেই গ্রাস করে ফেলবে। তখন আর কারো কিছুই করার থাকবে না আফসোস করা ছাড়া। আমরা আওয়ামী লীগ সরকারের এই বাকশালী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাই এবং সুশীল সমাজ যারা সব দেখে এখনো নিশ্চুপ তাদের বিবেক সত্যিকার ভাবে জেগে উঠুক এই কামনা করছি।

    • Sarwar Alam says:

      Excellent writing, everything has elaborately been described. The intelligents pls come forward and think about the Nation as well as for the generation.. do not tolerate any injustice .. injustice will be established in the society and the living atmosphere will be jeopardized due to your silence … so speak out without killing much time …

  62. shafiqul islam says:

    জামায়াতের সংঙ্গে জঙ্গিবাদের সম্পর্ক একথা আওয়ামী লীগের মূখে মানায় না ,
    কেননা
    শায়খ রহমান বাংলা ভাই আওয়ামী লীগের দুলা ভাই,
    যুবলীগ নেতা মীর্জা আজমের দুলা ভাই শায়খ রহমান
    একথা চীর সত্য।

  63. Faiz says:

    রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গ্রেফতার, রিমান্ড ও গুম করার মতো যে ঘটনা ঘটছে তা কোনো গণতান্ত্রিক সভ্য দেশে চলতে পারে না। সরকারের এসব কর্মকাণ্ড দেশের সংবিধান ও আইনের খেলাপ। সরকারের বেপরোয়া আচরণে দেশের মানুষ আতঙ্কিত। যেখানে এই সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার কথা, সেখানে মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেশের মানুষ সরকারের প্রতি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সরকারের কাজে নানা অসঙ্গতি থেকে এই প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে যে আসলে দেশ কে চালাচ্ছে?
    সেন্টার ফর ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড পিস স্টাডিজ গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই আলোচনার আয়োজন করে। দৈনিক নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে `গ্রেফতার ও রিমান্ড আতঙ্কঃ বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম শামসুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নেন কলামিস্ট সাদেক খান, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, অ্যাডভোকেট গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার সাদ্দাদ খান, অ্যাডভোকেট নিরু শাসসুন নাহার সিদ্দিকা, বেনজিন খান ও আলমগীর হোসেন। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সেন্টার ফর ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড পিস স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক সাদেক রহমান।
    এম শামসুল ইসলাম বলেন, এ সরকারের আমলে গ্রেফতার ও রিমান্ডের সাথে গুম সংযুক্ত হয়েছে। এ অবস্থায় মানুষের মধ্যে ভয়াবহ আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি বলেন, শান্তির জন্য গণতন্ত্র। কিন্তু সেই শান্তিই না থাকলে এ কোন গণতন্ত্র? তিনি বলেন, যে সরকার পাঁচ বছর থাকার কথা, সেই সরকারের দেড় বছরেই মানুষ অতিষ্ঠ। মানুষ দেখছে এই সরকার মইন-ফখরুদ্দীনের অগণতান্ত্রিক সরকারের ধারাবাহিকতা মাত্র। তিনি বলেন, হরতাল ও মানববন্ধন কর্মসূচি না দিলে এই সরকারের আগ্রাসী রূপ বুঝতে পারতাম না। এ সরকার সবচেয়ে দুর্বল সরকার। তারা তাদের ছাত্রলীগকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। যে সরকার মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না, সেই সরকার অবশ্যই দেশ চালাতে ব্যর্থ। সময় আসছে সরকার নিজেই বুঝতে পারবে তাদের পক্ষে দেশ চালানো আর সম্ভব নয়। সরকার নিজের অসহায়ত্ব বুঝতে পারবে। তিনি বলেন, সরকার মিডিয়ার ওপর যেভাবে হামলা চালাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে তারা দেশকে ‘৭৫ পূর্ববর্তী অবস্থায় নিয়ে যেতে যাচ্ছে। আশা করি সরকার নিজেদের ভুল বুঝতে পারবে।
    সাদেক খান বলেন­ গ্রেফতার সমস্যা নয়, আতঙ্কের কারণ রিমান্ড। রিমান্ডে নিয়ে জোর করে স্বীকৃতি আদায় করে তারপর মামলা করা হচ্ছে। এটি সংবিধান ও আইনের খেলাপ। আজ মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। গুম করা হচ্ছে। এটি কোনো গণতান্ত্রিক সভ্য দেশে চলতে পারে না। এই সরকারকে বিএনপি পাঁচ বছর সময় দিতে চায়। কিন্তু দেশের মানুষ এত সময় দিতে রাজি নেই। শেখ হাসিনার সরকার আসলে কে চালাচ্ছে বোধহয় শেখ হাসিনা নিজেও জানেন না। না হয় সরকারের কাজে এত অসঙ্গতি কেন? তিনি বলেন­ মাওলানা নিজামী, সাঈদী ও মুজাহিদকে গ্রেফতারের পদ্ধতি থেকেই পরিষ্কার তাদের হয়রানিমূলকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের আচরণেই তারা সারা বিশ্বে ইসলামবান্ধব হিসেবে পরিচিত হয়ে যাচ্ছে। সাদেক খান বলেন, গণবিস্ফোরণ গণতন্ত্র বিরুদ্ধ নয়। ড্যাপ নিয়ে গাজীপুরে মানুষের বিস্ফোরণ ঘটেছে। সরকারের অন্যায় অগণতান্ত্রিক আচরণের বিরুদ্ধে অধিকভাবে গণসংযোগ দরকার। জাতীয়তাবাদী ও ইসলামি শক্তিকে একত্র হওয়া দরকার।
    শফিউল আলম প্রধান বলেন, আমরা কোথায় বাস করছি যেখানে একজন জনপ্রতিনিধি হারিয়ে যাবে, সরকার কোনো দায়িত্ব নেবে না। তিনি এই সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না মন্তব্য করে বলেন, কতগুলো এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এ সরকারকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধ কোনো ইসুø নয়। ভারত ট্রানজিট নিতে চায়, বন্দর চায়। এগুলোর বিরুদ্ধে যাতে কোনো প্রতিরোধ গড়ে উঠতে না পারে সে জন্য যুদ্ধাপরাধ ইসুø জামায়াতের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।
    অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, আজকে দুবৃêত্তদের যেভাবে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হয়, ঠিক সেইভাবে বরেণ্য ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে। দেশটা অকার্যকর রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের উপকরণগুলো অকার্যর হয়ে পড়ছে। আজকে মাওলানা নিজামীদের গ্রেফতারের পদ্ধতি দেখে মানুষ আতঙ্কিত হয়েছে। যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়, সেটিতে জামিন পাওয়ার পর তাদের নতুন মামলা দিয়ে ১৯ দিন রিমান্ডে নেয়া হলো। সন্ত্রাসীদের রিমান্ডে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে রাজনীতিবিদদের এভাবে রিমান্ডে নেয়ার নজির নেই। সরকার আইনেরও তোয়াক্কা করছে না। তিনি বলেন, সরকার নিজেকে শুধরাতে না পারলে চলে যাওয়ার জন্য তৈরি থাকতে হবে।
    সভাপতির বক্তব্যে আলমগীর মহিউদ্দিন বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এমন রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা কখনো দেখা যায়নি। এমন অবস্থা বিরাজ করলে গণতন্ত্র কখনো শক্তিশালী হয় না। গণতন্ত্র সামনে যেতে পারে না।

  64. jobair says:

    Feraun (as the time of Musa nabi) was the greatest powerful man of the world ,He thought that he will kill Musa (S.) by his power but history said that he was vanished by the power of Allah .I hope that this jalem government will be vanish by Allah’s power. Allah pray my doah.

  65. We are astonished that how is criticizing by some daily news against ideal persons and national political leaders. Also we anxious thus if going on thereafter our social where going. How will learn our next generation.

    Frequently such a rumor those can make, they do not have quality and once it will be underestimate.

  66. Ala uddin says:

    AL government is not parmanent. Only 5 years their mandate. About 2 years has gone. wait &see. AL must damage for their own task.

  67. Abdur Razzak Rana says:

    I want unconditional release of innocent leaders of jamaat-e-islami ar shibir

  68. Anamul Haque, Birampur, Dinajpur says:

    আল্লাহ্ এই জালিম সরকারের থাবা থেকে ও ভারতের কবল থেকে এই মুসলিম ভূখন্ডকে রক্ষা করবেনই এবং কুচক্রান্ত নস্যাত করে দেবেন ফেরাউন , নমরূদ এবং হাতী ওয়ালাদের মত ইনশাল্লাহ্ । সবাই দোয়া করবেন , রোজা রাখবেন এবং কুনুতে নাজেলা পড়বেন। আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করুন । আল্লাহ তুমি আমাদের বদরের সাহাবাদের সেই ঈমান. সেই শক্তি, সেই হিম্মত, সেই ত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহ এই দেশের সকল আলেম ওলামা দের এক হওয়ার তাওফিক দান কর। আল্লাহ অতি শীঘ্রই এ জালেমদেরকে লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত করবেন। আমিন। হে আল্লাহ, তুমি তুমার বান্দাদের সাহায্য কর।ওই জালিমদের হেদায়াত দান কর।আর যদি এদের হেদায়াত না থাকে তাহলে তোমার ফায়সালা নাজিল কর।

    কুনুতে নাযিলা বলতে সেই দোয়া বুঝায় যা রাসূল (সা) ইসলামের দুশমনদের ধ্বংসকারীতা থেকে রার জন্যে তাদের শক্তি চূর্ণ করে তাদের ধ্বংস করার জন্যে পড়েছেন।
    হযরত আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূল (সা) মুসলিম কয়েদীদের উদ্ধার এবং কাফিরদের ধ্বংসের জন্যে অনবরত একমাস পর্যন্ত এশার সালাতে কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন।
    আহলে ইসলাম যদি কোন সময়ে কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হয়, দিন-রাতব্যাপী দুশমনদের পক্ষ থেকে আসন্ন বিপদে এবং তাদের ভয় ও সন্ত্রাসে ইসলামের মর্দে মুজাহিদদের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে, যদি চারদিকে দুশমনের শক্তিমত্তা দেখা যায়, তারা যদি মিল্লাতে ইসলামিয়াকে ধ্বংস করার জন্যে এবং ইসলামের নূর নিভিয়ে দেয়ার জন্যে আহলে ইসলামের উপর অমানুষিক জুলুম করতে থাকে, এমন নৈরাশ্যজনক অবস্থা থেকে বাঁচার জন্যে দুশমনের শক্তি চূর্ণ করতে, তাদেরকে ধ্বংস করতে আল্লাহর দরবারে দরখাস্ত করার জন্যে কুনুতে নাযিলাহ পড়া মাসনুন। (আসান ফিকাহ, ১ম খন্ড, পৃ: ২১১)
    পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের শেষ রাক’আতে রুকু থেকে উঠে ‘সামি’আল্লাহ-হু লিমান হামিদা’ পড়ার পর হাত তুলে কুনুতে নাযিলাহ পড়তে হবে। এ সময় মুক্তাদিগণ আমীন, আমীন বলবে। (আবু দাউদ, মিশকাত, হা/১২৯০)
    ইসলাম বিরোধী শক্তি বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য কামনা করে বিশেষভাবে এ দো’আ পড়তে হয়। কুনুতে নাযিলাহ সব ওয়াক্তে ফরয সালাতে বিশেষ করে ফজরের শেষ রাক’আতে রুকুর পরে দাঁড়িয়ে সরবে পাঠ করতে হবে। (ফিকহুস সুন্নাহ, ১ম খন্ড, পৃ: ১৪৮)
    কুনুতে নাযিলার জন্য রাসূল (সা) থেকে নির্দিষ্ট কোন দো’আ বর্ণিত হয়নি। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি বা শক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে এ দো’আ করেছেন। তবে হযরত ওমর (রা) থেকে এ বিষয়ে একটি দো’আ বর্ণিত হয়েছে, যা তিনি ফজরের সালাতে পাঠ করতেন এবং যা ইসলাম বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে সবসময় পাঠ করা যেতে পারে। দো’আটি হ’ল:
    1-اللهم اغفر لنا و للمومنين و المومنات و المسلمين و المسلمات و الف بين قلوبهم و اصلح ذات بينهم و انصرهم علي عدوك و عدوهم- اللهم العن الكفرة الذين يصدون عن سبيلك و يكذبون رسلك و يقاتلون اولياءك- اللهم خالف بين كلمتهم و زلزل اقدامهم و انزل بهم بأسك الذي لا تردوه عن القوم المجرمين-(البيهقي)
    (ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব, ছালাতুর রাসূল (ছা), পৃ: ৯৮)
    আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বর্ণনা করেছেন, রাসূল (সা) একমাস অনবরত যোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং ফজরের সালাতে কুনুতে নাযিলা পড়েছেন। (মুসনাদে আহমদ, আবু দাউদ, উদ্ধৃত: আল্লামা হাফিজ ইবনে কায়্যিম, আল্লাহর রাসূল কিভাবে নামায পড়তেন, পৃ: ৮৬)
    অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি বিপদ আসলে বা বিপদে-আপদে কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন। (প্রাগুক্ত, আল্লাহর রাসূল কিভাবে নামায পড়তেন পৃ: ৮৬)
    সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন কারো জন্যে দু’আ কিংবা কারো জন্যে বদ দু’আ করতে চাইতেন, তখন ফরয সালাতের শেষ রাকাতের রুকুর পরে কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন।
    আবু দাউদে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা) এর সাধারণ রীতি ছিলো, যখন বিপদাপদ দেখা দিতো, তখনই কুনুতে নাযিলাহ পড়তেন। বিপদাপদ দূর হয়ে গেলে পড়া ছেড়ে দিতেন। তিনি শুধু ফজরের সালাতে দু’আ কুনুত পড়তেন না, অন্যান্য সালাতেও পড়তেন।
    মুহাদ্দিসগণ বিপদে-আপদে কুনুতে নাযিলাহ (দু’আ কুনুত ) পড়াকে মুস্তাহাব বলেছেন। কেউ আবার সুন্নাত বলেছেন। (প্রাগুক্ত, পৃ: ৮৭)
    আহলে ইসলামের সংকট মুহুর্তে কুনুতে নাযিলা পড়া অত্যাবশ্যক (ওয়াজিব) বলে সমসায়িক মুজতাহিদগণ অভিমত দিয়েছেন।
    ইমাম রুকু থেকে ওঠে স্বশব্দে কুনুত পড়বেন। বর্ণিত আছে, কুনুতে নাযিলা স্বশব্দে পড়া উত্তম, তবে স্বশব্দে শুরু করে পরে নীরবে পড়াও যায়। রাসূল (সা) স্বশব্দে পড়েছেন আবার নীরবেও পড়েছেন। মুক্তাদীগণ স্বশব্দে আমীন! আমীন বলবেন। (প্রাগুক্ত, পৃ: ৮৭-৮৮)

    2-اللهم أعز الاسلام و المسلمين و اخجل الكفرة و المبتدأة و المشركين. اللهم دمر ديارهم و أقدم زلزلهم و مزق جمعهم و
    فرق بينهم و حرق بنيانهم. اللهم ألق في قلوبهم الرعب و الخوف و الهزيمة. ولا تزد الظالمين الا خسارا- (الحديث)
    3-اللهم انصر من نصر دين محمد صلي الله عليه و سلم واجعلنا منهم- و اخجل من خجل دين محمد صلي الله عليه و سلم ولا تجعلنا منهم. (الحديث)
    4-حديث عمر بن الخطاب رضي: ربنا اعنا ولا تعن علينا و انصرنا ولا تنصر علينا وانصر علي من بغي علينا.
    বর্তমানে হক্বপন্থী দ্বীনের মুজাহিদকে বা মুসলিম সম্প্রদায়কে ইসলাম বিরোধী শক্তির হাত থেকে রার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ করে নিরাপত্তার জন্য দো’আ এবং ইসলাম বিরুদ্ধদের জন্য বদ দো’আ করা যাবে। অনুরূপভাবে বর্তমানে ইসলাম বিরোধী কোন ব্যক্তি বা সম্প্রদায় ও দেশকে নিঃশ্চিহ্ন করার জন্য নির্দিষ্ট নামে আল্লাহর কাছে অভিশাপ প্রার্থনা করা যাবে। হাদীসের শেষাংশে ওয়ালীদ……. এর স্থলে যে কোন মাযলুম ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা যাবে। (তথ্যসূত্র: আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, আইনে রাসুল (সা) দো’আ অধ্যায়, পৃ: ৯৫-৯৮, ড. ওয়াইবা জুহাইলী, ফিকহি ইসলামী ওয়া আদিল্লাতীহি)
    5-اللهم انج الوليد بن الوليد اللهم انج سلمة بن هشام اللهم انج عياش بن ابي ربيعة- اللهم اشدد وطأتك علي مضر و اجعلها عليهم سنين كسني يوسف. اللهم العن فلانا و فلانا. (بخاري. بيهقي.ج2ص298. مصنف ابن ابي شيبة.ج2ص213)

    6-اللهم انج مولانا مطيع الرحمن نظامي.علي احسان محمد مجاهد وعلامة دلوار حسين سعيدي و عطاء الرحمن و ابو الكلام ازاد و غيرهم من الائمة الاسلام و المسلمين.
    7-اللهم انج ائمة الجماعة الاسلامية و المخيم الطلاب الاسلامي و اصحابهم و رفيقهم ببنغلاديش و سائر البلدان الاسلامية.
    8-اللهم اشدد وطائك علي الفرقة الباطلة و الحزب الشيطان و اهل الطاغوت و الملحدين و اصحابه و اجعلها عليهم الرعب و
    الخوف و الهرج و المرج و الفساد.
    9-اللهم العن علي عدونا و عدوالله و عدو الاسلام والمسلمين و معاند الاسلام والمسلمين و اصحابهم و احبائهم- اللهم العن علي عوامي ليغ و علي روئسة الوزراء الشيخ حسينة و اصحابها من عوامي ليغ و الهدمهم و اهلكهم.
    আরো প্রসিদ্ধ দু’আ সমূহ:
    10- اللهم منزل الكتاب سريع الحساب اهزم الأحزاب اللهم اهزمهم و زلزلهم- اللهم منزل الكتاب و مجري السحاب و هازم الأحزاب اهزمهم و انصرنا عليهم. (بخاري و مسلم)

    11-بسم الله الرحمن الرحيم اللهم انا نستعينك و نومن بك و نتوكل عليك و نثني عليك الخير و لا نكفرك بسم الله الرحمن الرحيم اللهم اياك نعبد و لك نصلي و نسجد و اليك نسعي و نحفد و نرجو رحمتك و نخشي عذابك ان عذابك بالكفار ملحق. اللهم
    عذب الكفرة الذين يصدون عن سبيلك. (ابن ابي شيبة)
    12-أخرج أحمد و الترمذي و النسائي عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلي الله عليه و سلم في الدعاء: اللهم زدنا ولا تنقصنا و أكرمنا و لا تهنا و اعطنا ولا تحرمنا و أثرنا ولا توثر علينا وارض عنا و ارضنا.
    13-اللهم أنت عضدي و نصيري بك أحول و بك أصول و بك أقاتل. (الحديث) 14-يا حي يا قيوم برحمتك نستغيث. (الحديث)
    القران: 15-أفوض أمري الي الله ان الله بصير بالعباد. 16-حسبنا الله نعم الوكيل نعم المولي و نعم النصير.رب اني مغلوب فانتصر.
    بسم الله الرحمن الرحيم: قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ (1) مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (2) وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ (3) وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ (4) وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ (5)
    بسم الله الرحمن الرحيم: قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ (1) مَلِكِ النَّاسِ (2) إِلَهِ النَّاسِ (3) مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ (4) الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُور النَّاسِ (5) مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ (6)
    জ্ঞাতব্য:
    ১। সকল ফরজ সালাতে উচ্চশব্দে কুনুতে নাযিলা পড়া জায়েজ। তবে ফজরের সালাতে পড়ার ব্যবস্থা করা উচিৎ।
    ২। ফরয সালাতের শেষ রাকাতের রুকু থেকে উঠে হাত তুলে/বেঁেধ/হাত ছেড়ে দো’আ পড়া যায়। তবে হাত তুলে পড়াই ভাল।
    ৩। ইমাম উচ্চশব্দে থেমে থেমে পড়বে এবং মুক্তাদিরা আমীন, আমীন বলতে থাকবে।
    ৪। একাকী সালাত আদায়কারীও কুনুতে নাযিলা পড়তে পারে।
    ৫। মহিলারাও তাদের সালাতে কুনুতে নাযিলাহ পড়তে পারে।

    মো: এনামুল হক
    প্রধান মুহাদ্দিস, (সহকারী অধ্যাপক) বিজুল দারুল হুদা কামিল স্নাতকোত্তর মাদরাসা, বিরামপুর, দিনাজপুর, ০১৭১৩৩১৪৬৮৯ ; ০১৮২০৫০৬৪১০
    E-mail address anambiram@gmail.com, anambiram_iuk@yahoo.com

  69. Daniel says:

    Plz put ur signature here to free our leader.
    http://www.petitiononline.com/u080710k/petition.html

  70. M N Elahi Al Kamal Bhuiyan says:

    Its very natural and practical that Allah will examine the man if he is really a Momin or not. Its also very natural phenomena that a team which is really following the true rules of movement for materealize the Islamic rules will fall in danger by anti Islam group. So We all (who believes himself a Momin) should bear in mind that we all are in the exam. field and if we want to emancipate us from “Jahannam” we should attend this exam. and hopefully, Allah will protect us and Islamic Movement will go with progress for better future of the country. We all are praying to Almighty Allah to help us on the way of islamic movement and specially praying for dismissal of conspiracy against Islam.

  71. Abu jafar rasel says:

    We must act rigidly,vigorously.

  72. abdul wodud says:

    জালিম সরকারের হাত থেকে এদেশকে বাচাতে হলে মুসলিম জনতাকে মুসলিম পরিচয়ে ফিরে আসতে হবে এবং মুসলিম জনতাকে এক হতে হবে।

  73. Abul Bashar says:

    jamaat netader proti zulum korona. jamaat neta kormider mukti dia khama chan.

  74. obaid says:

    Amar ektai dua…hi ALLAH ei jalem awami der hoy hedayet din notoba mul soho destroy kore din….Amin

  75. Faysal says:

    Allah you will take action about this Government without any cause as like this government taking action the innocents people.

  76. Faysal says:

    one day all power will be vanish accept almighty Allah don’t forget it.

  77. মুস্তাফিজ says:

    সরকার জামায়াতে ইসলামীকে তাদের মত নেতা সর্বস্ব দল মনে করে তাকলে ভুল করবে।
    যুগে যুগে মসুলমান রা আল্লাহর দ্বীন কে প্রতিষ্টা করতে গিয়ে অবর্ননীয় জুলুম নির্জাতনের শিকার হয়েছেন হাজারো নবী, রাসুল। আজকের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে আমরাও একই ধারাবাহিকতায়
    আওয়ামী দাজ্জাল সরকারের কঠোরতম নির্জাতনের শিকার !! হে আল্লাহ, তুমি জালেম সরকারের
    হাত থেকে জামায়াতে ইসলামী কে রক্ষা কর। আমাদের নেতাদের স্ব সম্মানে বের করে ইউসুফ (আঃ) কে যেমন জ়েল খানা থেকে সরাসরি সিংহাসনে বসিয়ে ছিলে, ঠিক সেভাবে করে বাংলাদেশে
    জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় অধিষ্টিত কর। আমিন।

  78. Abul Bashar says:

    Allah you will take action about this Government without any cause as like this government taking action the innocents people.

  79. Abdus Samad says:

    Allah save them by His power.

  80. Fuad (Pabna) says:

    গ্রেফতার নির্যাতন বন্ধ করুন। বাংলাদেশের শীর্ষ তিন জাতীয় নেতাকে (মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদ ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী) অবিলম্বে মুক্তিমুক্তি দিন । আল্লাহ অতি শীঘ্রই এ জালেমদেরকে পর্যুদস্ত করবেন।

  81. mojakker says:

    ora manosh noy,ora awamiligue.so tader kach theke gonotantrik behave asha kora tai bokami.hasinar uchit sheikh mujiber kach theke shikkha newa.itihasher sobcheye boro shikkha holo itihash theke kew shikkha neyna,specially awamiligue!

  82. Liakat says:

    সরকারের উচিত নিজামী-সাঈদী-মুজাহিদ কে অভিলম্বে মুক্তি দিয়ে তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া।

  83. MD MESBAH UDDIN( Gazipuri) says:

    I want to free three jamat leaders no politics.

  84. md Eshak says:

    Ami sorkarar mokha thotho mary…………..Allah save the muslim leaders.inshaallaha we will over come.

  85. Ehsanur says:

    Awamiligue is the great fool. Free Nizami,Muzahid and Saydi .

  86. Makhon says:

    জামাত নেতাদেরকে গ্রেফতার করে সরকার চরম ভুল করছে। একজন দলের প্রধানকে এভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে এটা সাধারণ দৃষ্টিতে মনে হয় সরকার তাদের নিয়ে পুতুল খেলায় নেমেছে। এটা চরম অন্যায়। চরম নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা। দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় আলেম মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। তার উপর এভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে। আমার মনে হয় তাদের উপর খোদার কোন গজব নাজিল হবে। তাদের বদদোয়ায় এরা ( সরকার) জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। এরা কোন অন্যায় করেনি। এদেরকে দ্রুত মুক্তি দিন।

  87. Mamun Ashraf says:

    Stop politics. No more politics in Bangladesh.
    Bangladesh gvt. & all Minister 100% dishonest.
    I think Allah save the country.
    Mamun Ashraf
    New York
    USA

  88. muhammad Hafizur Rahman says:

    I hate of this bad policy of Awami Gov.

  89. muhammad Hafizur Rahman says:

    কোন জালেম সরকারেরই শেষ পরিণতি ভাল হয় না। জনরোষে পরে অথবা গণ আন্দোলনের মূখে তাঁদের পতন হয়। এ ই জালেম সরকারে নিরীহ নিরাপরাধ মানুষকে যেভাবে বিনা কারণে গ্রেপতার ও রিমান্ডে নিচ্ছে তার বিরুদ্ধেও জনরোষ ধুমায়িত হচ্ছে এবং এতদিন এর পরিসমাপ্তি ঘটবে ইনশাআল্লাহ।

  90. Md. Borhanuddin Chowdhury says:

    gonotantrik dese bakshali achoron bondho koro.jamat sirsho netader abilombe nissorte mukti dea hok.

  91. TOUHID UDDINSHIKDER says:

    ALLHA WILL SAVE OUR REAL LEADERS

  92. সত্যের জয় অব্যশই হবে। ইনশাল্লাহ

  93. Al-Amin says:

    SARKAR TAR SIMA ATIKRRAM KARBEN NA ATA AMRA KAMONA KARI. KARON ALLAH SIMA LANGHONKARIKE JATHATHRTO SIKKHA DEACEN & DIBEN.

    ACHIEREI JADI ISLAMI VHABDHARAR AI TIN NETAR MUKTI NA DEN TAHOLE AMI BISWAS KARI BANGLADESHER MANUSH JELER TALA VHENGE TADER MUKTO KATRE ANBEN INSHAALLAH

    PRAY FOR THEM

  94. Samad says:

    Allah is almighty,Allah always try to find his momin bandha through fall in pressure. Sure allah wil give jannaht to those bandhah who sacrifice their time,money and life, Every workers of Islami movement should patience and depends on allah”s will and dicission. So we should do our duty and watch what faisala come from almighty.

  95. shahab uddin says:

    truth & the follower of truth will be winner, this is universal truth, inshallah our leaders will be back as winner, may allah save them ……..amin.

  96. altaf says:

    Utilizing time( life) and wealth in materializing Islam ( Ekamate Deen) is the best and safest investment. Hence, Mowlana Nizami, Saidee and Muzahid and other Jamaat Shibir leaders and activists who are sacrificing for Islam are most successful here and hereafter.

  97. Abdul Bari. says:

    We see that our priminister only for B.A.L. Because her and her minister’s always try to save themself.They took oath after election but they do not work with following their oath. I think, they should realise their activities. I mind, in1971 Nizami, Saidi and Muzahid was not policy maker. So, after invastigation government should take action.

  98. M R Salim says:

    Release them Immidiatly. Allah is for all. Fear Allah.

  99. MOZAHID HOSSAIN SOJIB (COMILLA, CHOWDDAGRAM says:

    Allah Tomi Sorbosoktiman, Tomi Islam k Rokkha Koro, Shek Hasina & tar Ministerder Hadayet Dan, Jalim Sorkar theke amader basan, Banglaer Muslim Bhiderke Salah Uddin Ayubeer Moto Sokti Dan, Omarer Moto Sahos Dan (Amin) Allah Apni Amader aponar diner jonno Kobul Koren

  100. kawsar(Abu Dhabi ) says:

    Oh my Allah please listenm my pray,If jamaat islami is real islamic movement please save this organization.

  101. এক জন সালাউদ্দীন আয়ুবীর অপেক্ষায় says:

    আরো আপডে খবর চাই । আরো প্রতিবাদ চাই। facebook, blog, online a ব্যাপক প্রচারনা চাই। আর এটা খুব জোরদার ভাবে করতে হবে। এই জন্য সবাই কে জোর প্রচেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ আমাদের তাোফিক দান করুন। আমিন।

    • Ekhon Jagar Shomoy says:

      This is to এক জন সালাউদ্দীন আয়ুবীর অপেক্ষায়,

      Are you Still Waiting for a salahuddin ayoubi?

  102. nazim uddin says:

    আওয়ামীলীগ সরকার বর্তমানে জামায়াতের সাথে যে আচরণ করছে তা এক কথায় বেআইনি, অমানবিক, অগণতান্ত্রিক। এতে জামায়াত সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারও নিজেদের জন্য বোধ হয় খারাপ পরিনতি ডেকে আনছে। যুদ্ধাপরাধ বা মানবা বিরোধী বিচারের যে কথা বলা হচ্ছে তা যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ তা এসব ঘটনা থেকে দিবালোকের মতো পরিস্কার হয়ে ওঠেছে। বাংলাদেশের জনগন এখন আর বোকা নয়। চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের মতো সময় সুযোগ মতো জনগন ঠিকই জবাব দিয়ে দেবে। তার আগে জামায়াতকে বুদ্ধিমত্তার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারের রোষানল থেকে বেরিয়ে আসার জন্য।

  103. Muhammad Ahsanuzzaman Nasir says:

    আওয়ামীলীগ সরকার বর্তমানে জামায়াতের সাথে যে আচরণ করছে তা এক কথায় বেআইনি, অমানবিক, অগণতান্ত্রিক। এতে জামায়াত সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারও নিজেদের জন্য বোধ হয় খারাপ পরিনতি ডেকে আনছে। যুদ্ধাপরাধ বা মানব বিরোধী বিচারের যে কথা বলা হচ্ছে তা যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ তা এসব ঘটনা থেকে দিবালোকের মতো পরিস্কার হয়ে ওঠেছে। বাংলাদেশের জনগন এখন আর বোকা নয়। চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের মতো সময় সুযোগ মতো জনগন ঠিকই জবাব দিয়ে দেবে। তার আগে জামায়াতকে বুদ্ধিমত্তার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারের রোষানল থেকে বেরিয়ে আসার জন্য।

  104. Sojib (comilla) says:

    Ato Mitha Mamla Diya Kono Labe Hobe na Alla jodi Sohay Thake, Aye Jalim Sorkar Ke Ekdin Allaher Kath Goray Jobab Dihi Korte Hobe Saydin Are Mitha Bole Par Pawa Jabe Na, Allah Tomi Ayi Sorkarke Hadayet Den, Jamat Shibir Er Akjon Neta Kormi Bache Thaka Obasthay, Kokhono Aye Bangladeshi Islami Rajnite Bhondo Korte Dewa Jabe na, Proyojone Jibon Deye Sohid Hower Jonno Toiri Hote Hobe. Jil Jolum Nirzaton Andoloner Poshikhon, Rokto Jokhon Deyichi Rokto Aro Debo, Tobo Banglar Jomin Theke Baksal Mukto korbo Insha Allah, Khoner Ner Doriya Dekhi Nay Kono bwi Songram Ane dibe Amader joy, Sotter Sananira nebe Nako Bisram Amader Songram cholbe Obiram,

  105. MD>ISHAQ TANVIR says:

    bangladesh jamat islam akti islami dular nam tadarka sas kurbar junno jamatar 5nataka garaf tar kursa sur kar.judi tadar ka mukti nadaa huy tahula jakon somoy Allah gojub dita paran .tadar ka dorot sara dar junno bulaholo

  106. বুড়ো says:

    যদিও বিচার প্রক্রিয়াটা শুরু হওয়ার কথা ছিল যুদ্ধাপরাধী ইসুতে। কিন্তু যে কোন কারণেই হোক সরকার তা করেনি ;)

    তারপরও নানা নাটকের পর অবশেষে মানবতাবিরোধী তকমা এঁটে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভালো কথা। যত দ্রুত সম্ভব বিচার প্রক্রিয়া শেষ করা উচিত এবং অবশ্যই আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। শাহরিয়ার কবিরের থিউরি ফলো করলে এই বিচার নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।

    মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শেষ হওয়ার পর আশা করি সরকার যুদ্ধাপরাধী ইসু নিয়েও কাজ শুরু করবে। যদি তা’ না হয় তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে ভবিষ্যতে বহু বিতর্ক তৈরি হবে এটা পরিষ্কার। যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার ইত্যাদি বিষয় যেন রাজনৈতিক খেলায় পরিণত না হয়।

    আমার মতে দেশে তিন ধরনের যুদ্ধাপরাধী রয়েছে।

    ১। খাঁটি যুদ্ধাপরাধী।

    এরা ছিল সুবিধাবাদী। পাকসেনাদের সহায়তা দিয়ে নিজেদের পিঠ ও পেট দু’টোই বাঁচিয়েছে। পাশাপাশি জিঘাংশা চরিতার্থের জন্য পাক বাহিনীর হাতে বহু বাঙালিকে ধরিয়ে দিয়েছে। বহু নারীর উপর নির্যাতন করেছে। এদের আমরা রাজাকার বলে বেশি চিনি। যুদ্ধের পর এরা বেশির ভাগই ভারত ও পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। যারা পালাতে পারেনি তাদের অধিকাংশই মুক্তিবাহিনীর হাতে মারা যায়। এদের অনেকেই পরবর্তীতে মুজিব সরকার ও জিয়ার শাসনামলে দেশে ফিরে আসে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে নিজেদের অনুপ্রবেশ ঘটায়। এদেরই একটি গ্রুপ বর্তমান একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ে অধিষ্ঠিত।

    ২। লুটেরা+যুদ্ধাপরাধী।

    এরা তৎকালীন বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মী-সমর্থক। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এরা বেশির ভাগই ভারত পালিয়ে যায় এবং যুদ্ধের শেষদিকে পরিস্থিতি কিছুটা ঠান্ডা হলে দেশে ফিরে এসে ধুমা লুটতরাজ চালায়। এ সময় তারা দেশত্যাগী হিন্দু এবং নিরীহ প্রতিবেশীদের সম্পদ জোর পূর্বক কিংবা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দখল করে নেয়। রক্ষিবাহিনী নামক দলের সদস্য হয়ে তারা সব লুটতরাজকে জায়েজ করে নেয়। পাশাপাশি এরা ভিন্ন মতাঅবলম্বীদের হত্যাযজ্ঞে অংশ নিয়ে নিজেদের ভিত মজবুত করে। পরবর্তীতে এরা একেক সময় একেক রাজনৈতিক দলে নাম লেখায় নিজেদের রক্ষার জন্য। এদেরই অনেকেই এখন বর্তমান সময়ে বেশ ভালো তবিয়তে আছেন। তাদের ছেলেপেলেরাই এখন পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য বজায় রাখতে নানারকম সন্ত্রাস ও দখলনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

    ৩। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা+পাতি-মুক্তিযোদ্ধা+মানবতাবিরোধী+যুদ্ধাপরাধী।

    আমার মতে সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধগুলো এরাই করেছেন। যুদ্ধের পর যুদ্ধবিদ্ধস্ত সময়ে দেশে লুটতরাজ, ধর্ষণ, গণহত্যার কাজগুলো এরাই করেছেন। এদের অনেকে মুক্তিবাহিনীর মাধ্যমে বহু নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করিয়েছেন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে। দাড়ি-টুপিওয়ালা বহু মানুষের স্ত্রী-সন্তানের উপর চালিয়েছেন নির্যাতন। রাজাকারদের অনুকরণে কোন অংশে কম যাননি তারা। আবার বহু পাতি মুক্তিযোদ্ধা তখন স্বার্থের জন্য নিজ প্রতিবেশীকে হত্যা করেছেন। শুধুমাত্র সম্পদের লোভে এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে লাইন ধরে দাঁড় করিয়ে মানুষকে মেরে খালে ফেলে দেয়ার ঘটনা তখন নিত্য-নৈমত্তিক ব্যাপার ছিল। এদের সাথে রাজাকারদের পার্থক্য ছিল একটিই- রাজাকাররা পাক সেনাদের সহায়তায় বাঙালী নিধন করেছে এরা মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় বাঙালি নিধন করতো। এমন অনেক মুক্তিযোদ্ধা এখনও বেচে আছেন যারা রাজাকার সন্দেহে মানুষকে হত্যার পর তার মাথা কেটে সেই খুলি নিয়ে ফুটবল খেলেছেন। এদের মধ্যে অনেকেই যুদ্ধে অংশ না নিয়েও কেবলমাত্র মুক্তিবাহিনীর সাথে যোগাযোগ থাকার সুবাদে রাতারাতি মুক্তিযোদ্ধা বনে যান।

    [আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধারা তখন কী করেছেন? সব চাইতে ভালো হবে এর জবাব একজন মুক্তিযোদ্ধার মুখ থেকে শোনা। তাহলেই তাদের সে সময়কার হতাশা ও দেশের জন্য হাহাকার হৃদয়ঙ্গম করা সম্ভব হবে। অনেক মুক্তিযোদ্ধাও তখন উপরোল্লিখিত যুদ্ধাপরাধীদের অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। আজো হচ্ছেন। আমার মতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বিভিন্ন সরকার সমর্থিত ইতিহাসবিদ বা সেক্টর কমাণ্ডার নয় বরং প্রকৃতপক্ষে যারা মাঠ পর্যায়ে যুদ্ধ করেছেন তাদের কাছ থেকে তথ্য, উপাত্ত নিয়ে লেখা উচিত। জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে মুক্তিযোদ্ধারা। আর যুদ্ধের পর যুদ্ধাপরাধীরাই রাজনৈতিক বর্মের আড়ালে মুক্তিযোদ্ধা বনে গিয়ে সরকার ও সমাজের নানা প্রান্তে প্রতিষ্ঠিত। সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধারা পিজি হাসপাতালে চিকিতসার জন্য যেয়ে বারান্দায় পড়ে থাকেন দিনের পর দিন। ]

    আমি আশা করবো মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি হিসেবে দাবিদার আওয়ামী লীগ নতুন প্রযন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্যে হলেও এসব বিষয় নিয়ে নতুন করে ভাববে। শুধু মানবতাবিরোধী বিচার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলই যেন উদ্দেশ্য না হয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে দেশের মানুষের কাছে দেয়া সেই ওয়াদা পালন করতে হবে। অপরাধী তা’ সে যে দলেরই হোক। তবেই আমরা জানবো- বর্তমান সরকার ইতিহাস লুকোতে চায় না।

    এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়েই আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারবো।

  107. Alam says:

    We want this Blog will also in English Virson. So it will be internationally effective to free jamat leader.
    Some information need hide then government depertment cant get any help form this blog.

  108. KHURSHED ALAM says:

    jalim awamilig arr bibudday gono andolon gode tultay hobe.

  109. Abdur Rahim says:

    These present government has proved to be anti-Islamic and a puppet of foreign powers. It is great disrespect to arrest Islamic figures like Mufassir Sayeedi and others. May Allah protect them and give guidanc to this oppressive Awami League.

  110. যাযাবর says:

    এখন থেকে প্রায় ৪০ বছর আগের “মানবতাবিরোধী” কাজের জন্য ধরে ধরে রিমান্ড আর শাস্তির জন্য সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে… ভাল উদ্যোগ। অপরাধ যে যতই আগে করুক তার শাস্তি পেতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল যাদের বিরুদ্ধে এইসব অভিযোগ উঠেছে তারা কিন্তু ‘৭১ এর পর এই ৪০ বছর বয়সে যথেষ্ঠ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বাইরে পালিয়ে যায়নি বরং সংসদে জন প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং সফলতার সাথে মন্ত্রীত্ব করেছেন। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে নিজামী-মুজাহিদ এর মন্ত্রনালয় অন্যান্য যে কোন মন্ত্রনালয় থেকে দূর্নীতি মুক্ত। তাছাড়া এর আগে বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা উভয়েই দেশ শাসন করেছেন তখনতো “যুদ্ধাপরাধী” নামক কোন শব্দের সাথে আমরা পরিচিত ছিলাম না। এখন কেন এ নিয়ে এত… জনগন মনে হয় এত বোকা না। আর বর্তমানে সোনার ছেলেরা ও তাদের বাবারা যা করছেন তা কি মানবতাবিরোধী না!! নাকি তা মুক্তিযুদ্ধ!! এগুলোর বিচার কি আরও চল্লিশ বছর পর হবে???

  111. Md. Omar khaiam says:

    Amra protteke jodi Allahtawalar hukumshomuhoke Nabi karim (Sm.)-er paakiza torikai pura kori tobe amra, amader shomaj babostha shobkisu valo hoye jabe. Allah tokhon amader jonno upojukto shashonkorta nijukto korben. Amader eeman, aamol shundor hoye gele Allahtawalar shahajjo ashbe. Ekmatro Allah shobkisu kornewala.

  112. Md Gazi Ali Hassan says:

    pap chareni bapere……… ederkeo charbena. just allah is taking some time for ultimate punishment.

  113. S N Islam says:

    If govt. want to role the country peacefully they should free the Jamaat leaders within short time.

  114. Should take lessons from the history …..

  115. Masud says:

    Allah Tumi Amaderke Mittha Mamla Theke Mukti Daw R Jalim Shahir Poton Daw

  116. sultan says:

    hy allah tumi jalamer hat hota islam ka basow

  117. abu hanif khandakar. says:

    allah jolomar abasan kara. allah tadar mokta kara. ar saita parci na.

  118. S. Islam says:

    We are waiting for command for movement at “RAJPATH”.

  119. Ziaur Rahman says:

    This is nothing but a obvious secular conspiracy against Islam, All Muslim Should strive by all means for the emancipation of all Jamat Leaders, the cruel victim of Awami fascist Govt. We the general people of Bangladesh pray on demanding the quick rescues of all them. Amin.

  120. kamal says:

    ALLAH IS ALMIGHTY, OTITE KONO SORKAR EI JULUM NIRJATON KORE THAKTE PARENI AWAMILUGE O THAKTE PARBENA. ALLAHPAK KHOMOTA DIA PORIKHA KOREN KIBABE KHOMOTAR BABOHAR KORA HOI…. JODI KHOMOTAR APOBABOHAER SIMA LONGON KORE ALLAHPAK KHUB SOKTO HATE DOREN.. AMAR MONE HOI AI SORKAR KHUB BESI BARABARI KORSE ADER PORINOTI KHUB KHARAP. ALLAH AMADER AI JALEM SORKARER JULUM THEKE ROKKHA KORUN. AMEEN.

  121. বুড়ো says:

    দুনিয়া ধ্বংসের পর স্বর্গ ও নরকের মাঝে বিচার কাজ চলছে।

    পরকালের যাত্রীরা সব লাইন ধরে দাড়িয়ে আছে। আমাদের টুকু মিয়াও আছে সে লাইনে। টুকু মিয়ার বয়স হয়েছিল। তাই লাইনের একটু সাইডে গিয়ে তিনি এক দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষ করছিলেন।

    লাইনের প্রথমদিকে খেয়াল করে টুকু মিয়া দেখতে পেলেন তাদের জাতির আব্বার আমলনামা চেক করা হচ্ছে। স্বর্গের কোতোয়াল তার ইয়া বড় কম্পিউটারে হিসাব-নিকাশ করে রায় দিল তিনি স্বর্গে যেতে পারেন।

    কিছু পর পালা এল জনকন্যার। তিনিও স্বর্গের টিকিট নিয়ে হাসিমুখে জাতির আব্বার হাত ধরে স্বর্গের পথে পা বাড়ালেন।
    এ দুজনের সুপারিশে এরপর একে একে স্বর্গে যেতে থাকলেন, কোপাজ্জল হোসেন চৌধুরী পায়া, মোয়াঙ্গার কবির পানক, ধর্ষণে সেঞ্চুরিয়ান সাবেক এক তারকা, এসইউ আহমেদ, দেশের সাবেক এক আইন প্রতিমন্ত্রী বামরুল ইসলামসহ আরো অনেক উজ্জল নক্ষত্র!

    পরলোকের সিকিউরিটি ক্যামেরায় ধরা পড়লো এসব দেখে টুকু মিয়া কেমন যেন একটু ভাবিত হয়ে পড়লো।

    যাই হোক, কিছু পর টুকু মিয়ার ডাক পড়লো। কম্পিত পায়ে কোতোয়ালের সামনে গিয়ে দাড়ালেন তিনি। তার আমলনামা কম্পিউটারে ঢুকিয়ে দিতেই তার ইনফরমেশন স্ক্রিণে ভেসে এল।

    নাম : টুকু মিয়া।
    পরিচয় : মুক্তিযোদ্ধা।
    জন্ম : ১৯৪৫।
    মৃত্যু : ২০১১।
    মৃত্যুর কারণ : না খেতে পাওয়া।
    ….. আরো অন্যান্য তথ্য।

    কোতায়াল রায় দিল, তুমি দুনিয়ায় অনেক কষ্ট করেছ। তুমি তোমার জীবতকালে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বীরত্বের সাথে দেশ স্বাধীন করেছ। কিন্তু যুদ্ধের পর তুমি অনেক কষ্টে জাবনীপাত করেছ। তবুও তুমি তোমার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হও নি। এর পুরষ্কার-স্বরুপ তোমাকে স্বর্গে ঢোকার অনুমতি দেয়া হল।

    কোতোয়াল সুধালো- বলো টুকু মিয়া তুমি স্বর্গের কোন অংশে বাস করতে চাও?

    টুকু মিয়া পাল্টা জানতে চাইলো- স্বর্গ কখনো ধ্বংস হবে না?
    কোতোয়াল – না!
    - স্বর্গে চিরদিন জাতির আব্বা থাকবেন?
    - হ্যা।
    স্বর্গে চিরদিন জাতির কন্যা থাকবেন?
    -হ্যা।
    - স্বর্গে রাজনীতি নিষিদ্ধ?
    - না!

    তাহলে আমি নরকে যেতে চাই। – তড়িত জবাব দিল টুকু মিয়া।

    http://www.somewhereinblog.net/blog/buddahblog/29209587

  122. karim says:

    allah k jara basasa valo dokko ki r tader takta para,hotasa ki r tader takta para

  123. redowan ullah tohin says:

    sydee nizami are bigest islamic person of the world,the are announce islam of the world. so our pri-minester need to free sydee,nizami and all jamat leaders.they are not against of libaration,but they are so much love our country and people.allah please give hadayet our government……….la ela ha ella anta chobanaka enne konto menaj joalemen…….all are read this doa……..all time

  124. zakr hossain says:

    allah, free our great three leader from jalim sarkar.

  125. nadim says:

    which steps the government is taking against the jamat leaders are absolutlt wrong.If they continue it we will also take terrible steps against them.

  126. MD NAIM MOSTOFA says:

    I think the awamileague government is doing fully wrong.The should free the jamat leaders.Nor we will take terrible steps against them.

  127. Nazrul Islam says:

    Hasina(cm) Dan a Bam dar kotha suna jonogonar priyo Nata dar upor nijjaton ar korban na, Manus roda Namla ar pol Valo Noi…………(Student)

  128. imran hasan says:

    anti atheist leaders are only responsible for the recent tribunal.they are willing to perform their hypocrisy through tv channel and news papers.

  129. MD NAZMUL HAQUE says:

    I think the awami government is taking some wrong steps.They should free the jamat leaders.Nor we will protest them with some terrible steps. NAZMUL,GOVT BULBUL HAQUE COLLEGE

  130. Iqbal mahamud chowdhury says:

    war criminal issue is 100% politically motivated issue…………….
    so we reject this tribunal…………………

  131. ebrahim hasan says:

    Ami banglay likhta chai, bevinno sobi pathate chai, Help me,pls

  132. Faisal Khan says:

    HEROIC REMARK OF ALLAMA DELAWAR HOSSAIN SAYEDEE
    The path of Islamic movement is not a bed of roses, this path is dangerous. I have connected to the Islamic movement recognizing this universal truth. I don’t care about jail, fine and hang. I never bow down to mistruth. I will tell from Quran till the last breath of my life. I never connected with any crime. I am solely depended on Allah. Today or tomorrow, truth will be proved. – Maulana Sayedee , 28 July 2010, The Daily Sangram
    Maulana Rafiq bin Sayedee says, ” My father has broken physically but mentally he is fit as he was”
    Bravo Sayedee. We know you have no crime and you are innocent. Insha’Allah you will free and will raise your voice from Quran once again. May Allah bless you.

  133. Md Gazi Ali Hassan says:

    MAY ALLAH HELP OUR LEADER IN FRONT OF TRIBUNAL.
    SYED KUTUB KE JOKHON FASHIR JONNO READY KORCHILO,
    JELKHANAR IMAM SAHEB ASLEN KALEMA PODANOR JONNO
    TINI SALAM DILEN EBONG BOSTE BOLLEN,
    TARPOR BOLLEN- APNI AMAKE KALEMA PODIYE AGAMIKAL KICHU TAKA PABEN AR AMI KALEMA PODE AMAR PROVUR SATHE MILIT HOBO.
    ERA EJUGHER SYED KUTUB. PRAY FOR THEM.

  134. Mahamud says:

    জামায়াত নেতাদের ‘আইন অনুযায়ী’ গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি: আনিসুল হক

    Mon 2 Aug 2010 7:53 PM BdST

    ঢাকা, ০২ আগস্ট (আরটিএনএন ডটনেট)– জামায়াতের চার শীর্ষ নেতাকে মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে ‘আইন অনুযায়ী’ গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় সরকার পক্ষের প্রধান কৌঁসুলি ও সিনিয়র আইনজীবী আনিসুল হক। বলেছেন, ‘আইন অনুযায়ী অভিযোগ গঠনের পরই কেবল এই ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে।’

    আজ সোমবার প্রথমবারের মতো জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ এবং দুই সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মাদ কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লাকে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারে স্থাপিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এত প্রতিক্রিয়ায় আনিসুল হক এসব কথা বলেন।

    তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ এ্যাক্ট ৭৩ অনুযায়ী কাউকে গ্রেপ্তার দেখানোর আগে অভিযোগ গঠন করতে হয়।

    জামায়াতের শীর্ষ চার নেতার গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণে মানবতা বিরোধী অপরাধে তাদের (জামায়াতের চার নেতা) গ্রেপ্তার দেখানো সম্পূর্ণ অবৈধ।

    তিনি বলেন, জামায়াতের শীর্ষ চার নেতাকে হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো বৈধ হলেও ট্রাইব্যুনাল সেকশন ১১(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের গ্রেপ্তার দেখানো ঠিক হয়নি।

    ঐ অনুচ্ছেদের ৩ নং ধারায় এ বর্ণিত অপরাধে (মানতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা এবং যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক অভিযোগ) অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধেই কেবলমাত্র ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা রয়েছে।

    ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন করার পরই কেবল এসব অপরাধের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা প্রাপ্ত হবে বলে তিনি জানান।
    তিনি বলেন, আইনের বিধান ঠিক রেখেই বিচার হওয়া উচিত।

    প্রত্যেক বাঙালিই যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় দাবি করে তিনি বলেন, বিচারের নামে প্রহসন কেউ দেখতে চায় না।

  135. Sohel says:

    Allah is enough for us. May Allah help us

  136. mumin says:

    It is a great oppression on Islamic movement. So every Muslim should participate in
    any program held against this government. It is Imani responsibility.

  137. Masud Rahman says:

    The leaders of the Jamaat-e-Islami are honest, truthful and god fearing. I have personally seen their day to day conduct. All these five leaders arrested as well as the other top leaders are meticulous in abiding by the Islamic ruling, behavior in their personal life. Accusing them for murder and rape is laughable and ludicrous.

    There is a concerted efforts by Shariar Kabir gong to assasin the characters of these Islamic personalities for long time. To certain degree they are successful. Young generation now beleive that Jamaat leaders are criminal due to those propaganda effort of Indian backed sushil shomaj. But insha Allah truth will prevail one day. People of Bangladesh will vindicate these leaders and will know how dangerous Shariar Kabir, Jafor Iqbal, Muntasir Mamun all other other Indian lackeys are. But I am only concern that if the people rise up very late then damage will be done and our beloved motherland will be destroyed completely – the process started already!!!

  138. Hasem says:

    Etihas sakkhi, Somoyer bebodane jalem etihaser astakure nikkhipto hobe. In-sa-Allah. amra aksomoy nobbo varotio razakar der bisarer mukhomukhi korbo. sedin besi duer noy…

  139. এক জন সালাহ উদ্দীন আইয়ুবীর অপেক্ষায় says:

    আল্লাহ আমাদের অপরাধ গুলো ক্ষমা করে দাো

  140. Rashead Hasan Akash says:

    Plz. Eder mukti din.

  141. Mohammed Shahjahan Monir says:

    Our all activities are monitoring by the Almighty Allah (SWT) who is the Lord of the whole universe and the Judge of the all judges and his judgement is final.Nothing to be worried for Allahfearies.

  142. এক জন সালাহ উদ্দীন আইয়ুবীর অপেক্ষায় says:

    ইসলামী সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার, কবি মতিউর রহমান মল্লিক আমাদের মাঝে আর নেই। তিনি রাত ১.০০ টায় হাসপাতালে ইন্তিকাল করেছেন(ইন্নালিল্লাহি….)। আল্রাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন_আমিন। জানাযা বাদ যোহর বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে। জোহর জামায়াত ১.১৫ মিঃ

  143. Wahid says:

    Robbana Akhrizna min hajihil koriatijjolimi ahluha…….

  144. Fahim says:

    website looking very good. Another request please update Qader molla and Kamaruzzaman profile. we want free our 5 top leader and all other jamaat and shibir workers who arrested from whole bangladesh.

  145. tamim says:

    please,free them without any dealy

  146. md. zakie hossain says:

    the man who are protect against Indian conspracy the present govrt. send them karagar. dont be sleep, wake up and rise your voice against the veenginec politices. I would like to advise our next generation to read about our country and be patriot. save the country, go ahead dont be back. all the country are raceing go ahead but except bangaladesh is raceing the back. that is the ittiterate decision. the briliant and honest person shoud take the power of administration of the bangladesh

  147. sakir says:

    Almighty allah will save us

  148. zia uddin md yousuf says:

    ha allah amader dua kobol koro .allah tumi tader mukti dao .

  149. rohama says:

    what is going on in our country! Is it democracy or demo of crazy?? vezal kheye kheye shadaron manusgulo zeno bidroho korte bhule gheche.Sarkar manusher sharir theke jama(right) khule niche, ar gadha manush gulo vabche hamdulillah lungi(big right) to kere nei ni!! Ar vitamin of vast power kheye “proshashon” is being now symbol of “shoshon”.

  150. Joga Joga jarai Manoshh ka Allahar pothe dakacha Taderka Kasta Pata hoayacha. So amaderka Dairza Darta Hoba abong Mohan allahar kacha partanah korta Hoba

  151. abdul rahman says:

    i am not an activist of jamaat e islami. i can say rather i am an opposite ideologist. but in this case i will not support the activities of the awami government what they are doing with jamaat in bangladesh. this is no any humanity. this is a rubbish work. it remember us the ancient type tourchering which the modern world mentioned as a dark age of human era. don’t worry. keep patience. the time will come for all. i am sure these bullsheet power mad hogs will be punished, for sure, inshaallah.
    thanks.
    abdul rahman.

  152. N ISLAM TC says:

    আল্লাহ ঈমানদারদের সন্মানিত করার পূর্বে তাদের পরীক্ষা নেন ।

  153. আমান says:

    মহান আল্লাহ রাব্বুলআলমীন এই আওয়ামী রাম-বামদের হাত থেকে জামায়াত-শিবির নেতাদের অবশ্যই বাচাঁবেন।

  154. muzahed says:

    We are expecting special blessings for them and us, because leftist supported govt. is very dangerous.

  155. বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ কে ধ্বংস করার জন্য আর কোনো ইস্যু না পেয়ে যুদ্ধাপরাধী নামে একটি অনিয়মতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক, অগণতান্ত্রিক ব্যবহার করছে জামায়াত নেতাদের সাথে। যা আসলে অযৌক্তিক। আমি এই নিরপরাধী জামায়াত নেতাদেও নিঃশর্ত মুক্তি চাই।

  156. মোঃ ফিরোজ মাহমুদ says:

    তুলনা মূলক সম্পর্ক
    বর্তমান সময় ও ইসলামের ইতিহাস

    সমসত প্রশংসা সেই মহান আল্লাহ্ তায়ালার। যিনি সরব শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর বিদায়ের পরেও দুনিয়ার পথভ্রষ্ট মানুষকে সরল পথ দেখিয়ে দেবার জন্য তাঁর বান্দাদেরকেই প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। সেই বান্দাদেরকে প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত করেছেন, যারা মহানবী (সাঃ) এর আদর্শকে গ্রহন করে তাঁরই মতো নির্যাতিত ও অবহেলিত হয়ে আল্লাহ্‌র প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করছে। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা মহানবী (সাঃ) এর মতো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে অপপ্রচারের স্বীকার হয়ে আছে। আর আল্লাহ্ এই অপপ্রচারের মাধ্যমেই তাঁর দ্বীনকে সমাজের মধ্যে প্রসারিত করছে। যেমনটি করেছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর বেলায়। আল্লাহ্‌র বর্তমান প্রতিনিধিরা যাদেরকে সরল পথ দেখাতে চায়, তারাই এখন তাদেরকে বিভিন্ন উপায়ে নির্যাতন পূর্বক অপপ্রচার চালায়। অথচ প্রতিনিধিরা তাদের জন্যই কাজ করেন। তবুও কেনো বামপন্থীরা এভাবে নিযার্তনতন করে? কারন হলো, ইসলাম। মহানবী (সাঃ) নবুওতের পূবের্ আরবের সেই জাহেলী যুগের মানুষদের কাছে এতো খানি বিশ্বস্ত ছিলেন যে, তারা তাকে আল-আমিন নামে ডাকতো। আরববাসীদের সম্পদ যে সময় চুরি কিংবা ছিনতাই হবার ভয় থাকতো, তখন তারা সেই সম্পদ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর কাছে আমানত হিসেবে রাখতো। কারণ তারা জানতো মুহাম্মাদের কাছে এই সম্পদের কোন খেয়ানত হবেনা। সেই মুহাম্মাদ (সাঃ) যখন আরবের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আঘাত হানলো অথার্ত আরববাসীকে সমস্ত কুফর ও বাতিল থেকে সত্যের পথে আহ্বান করলো, তখন আরবের পরাক্রমশালী ধনাঢ্য ব্যক্তিরাই মুহাম্মাদ (সাঃ)- এর বিরোধীতা করতে শুরু করলো। অনুরূপ ভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, যেই ইমাম, আলেমগণ গত বিশ বছর আগেও যে সকল মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন, তারাই যখন বাংলাদেশের মানুষদেরকে ইহুদি-নাছারা মতোবাদ পরিত্যাগ করে ইসলামের আদর্শে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান করলো, তখন তারাই মানুষের কাছে সবচেয়ে খারাপ হিসেবে বিবেচিত হলো। রাজনৈতিক চক্রান-গুলো তাদেরকে সমাজের কাছে পরিচয় করিয়ে দিলো রগকাটা বাহিনী, যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গী ইত্যাদি হিসেবে। অথচ সেই জামায়াত, শিবির ই দেশের গঠন ও উন্নয়ণে সর্বোত্তম গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। কিন্তু সাধারন মানুষ জামায়াত শিবিরকে বুঝতে পারেনা আর বুঝলেও বিশ্বাস করতে চায়না। এটি কেয়ামতের পূর্বাভাসের একটি নমুনা। আল্লাহ্ বলেছেন মানুষ বিশ্বাশীকে অবিশ্বাশ করবে আর যাকে সন্দেহ করা যায়, তাকে বিশ্বাশ করে আমানত তার হাতে তুলে দেবে। এরূপ আরো অনেক ঘটনা ঘটবে। তার পরে কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। এথেকে বোঝা যায় কেয়ামত খুব কাছে। মানুষ আজ রাজনৈতিক কারণে আল্লাহ্‌র বিধান থেকে দূরে সরে গেছে। মুসলমানী, বিয়ে, মৃত্যুর পরে মিলাদ, ইফতার এগুলি তাদের কাছে সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। আর জন্মদিন পালন, বিবাহ বার্ষিকী পালন, মাজারে ফুল দেওয়া ইত্যাদি কুসংস্কারগুলো তাদের মাঝে ঢুকে পড়েছে। রাজনৈতিক কারণেই মানুষ আজ ইমাম, আলেমগণকে সম্মান দেখাতে চায়না। অথচ রাজনীতির দিকে একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে জামায়াত, শিবির, বি.এন.পি, আওয়ামী লীগ। রাজনীতি কোন বিষয় নয়। আল্লাহ্ মানুষকে দলীয় ভাবে কোন পার্থক্য করেন না। পার্থক্য করেন শুধু আল্লাহ্‌র পথ ও শয়তানের পথ হিসেবে। যারা আল্লাহ্‌র পথ ছেড়ে দিয়ে মানবিক মতোবাদের দিকে ধাবিত হয়ে জীবনের সর্বক্ষেত্রে সামান্য কিছু আল্লাহ্‌র পথ এবং বেশির ভাগই শয়তানের পথ অবলম্বন করে, তারাই বামপন্থী। আর একটি ইসলামী রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে যারা জীবনের সর্বক্ষেত্রে বেশির ভাগই আল্লাহ্‌র পথ অনুসরন করে, তারাই ডানপন’ী। সে জামায়াত কিংবা আওয়ামী লীগ অথবা যে কোন সংগঠণ-ই হোক না কেন। যাই হোক, মানুষ যত যাই করুন না কেন, আল্লাহ্‌ই সকল ক্ষমতার ঊর্ধে। মানুষ তা জানে; কিন্তু অনুভব করতে পারেনা। আল্লাহ্ মানুষকে দিন ও রাতের দিকে দেখতে বলেছেন। সেখানে তাদের জন্য রয়েছে শিক্ষা। তবুও মানুষ বোঝেনা যে, দিন ও রাতের মাঝে পার্থক্য কি? রাত ও দিন বোঝাতে শুধুই কি অন্ধকার ও আলো বোঝানো হয়েছে? নাকি সেই সঙ্গে মিথ্যা ও সত্যেকে বোঝানো হয়েছে? আরো একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, দিনের পরে রাত আসে এবং রাতের পরে দিন। এভাবে দিনের পর দিন অতিবাহিত হতে থাকে। সেই সাথে আমাদের জীবনের মুহুর্ত গুলোও চলে যেতে থাকে জীবন থেকে। এই মুহুর্তগুলোর দিকেও আল্লাহ্ নজর করে দেখতে বলেছেন। খেয়াল করে দেখুন, এখন যদি আপনার বয়স হয় ঢঢ, তবে সেই দিনের কথা খেয়াল করুন, যেদিন আপনি প্রথম পৃথিবীর দিকে তাকিয়েছেন। মনে করে দেখুনতো, ছোট বেলায় কি করেছেন তা এখন মনে পড়ে কি না। যদি মনে পড়ে তবে খেয়াল করুনতো, সেই দিন থেকে আপনার বর্তমান বয়স ঢঢ বছর কোন দিক দিয়ে অতিবাহিত হলো? এভাবে যদি আরও বিশ বছর পর আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, গত বিশ বছর সময় আপনার জীবন থেকে কিভাবে চলে গেল। উত্তর দিতে পারবেন নিশ্চয় (জীবনের কোন গ্যারান্টি নাই)।কিন্তু আরও দশ বছর পর যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন কি উত্তর দিতে পারবেন? উত্তর দেবার কোন গ্যারান্টি আছে কি? এভাবে সম্পূর্ণ জীবন পেরিয়ে গেল, কিন্তু নিজের জন্য কি করলেন? বর্তমান সময় পযর্ন্ত যদি আল্লাহ্‌র বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করেন, তবে কোন সমস্যা নেই, কিন্তু যদি বর্তমান সময় পযর্ন্ত জাহেলীয়াতের জীবন যাপন করেন তবে? তাই এখন পযর্ন্ত মানুষের জীবনের অতীতের যতগুলি দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে, তার জন্য আফসোস করে কোন লাভ নেই। লাভ শুধু একটাতেই। তা হলো তওবা করে আল্লাহ্‌র পথে নিজেকে সমর্পণ করা। আল্লাহ্ যেমন নামাজকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে বলেছেন, তেমনি সমাজের একজন মানুষ হিসেবে নামাজের দায়িত্ব পালন করার কথাও বলেছেন। একটু খেয়াল করে দেখুন, সরকারি দায়িত্ব পালন করার জন্য আমরা সবাই কতখানি উদ্বিগ্ন হয়ে কতো রকম অপচেষ্টা চালাই। সেই দায়িত্ব পাবার জন্য জনগণ যদি না সুপারিশ করে তবে সে দায়িত্ব পাওয়া যায়না। কিন্তু সমগ্র বিশ্বের সরকার (মহান আল্লাহ্), তাঁর সকল কাযর্কলাপ চালানোর জন্য তাঁর কর্মচারীর কোন অভাব নেই (ফেরেস্তাকূল), তারপরেও তিঁনি আমাদেরকে নিজ ইচ্ছায় তাঁর কিছু দায়িত্ব পালন করার জন্য আমাদেরকে নিযুক্ত করেছেন। যার জন্য মহান আল্লাহ্‌র কাছে আমাদের লক্ষ কোটি বার শুকরিয়া আদায় করা উচিৎ। অথচ আমরা সেই দায়িত্ব পেয়েও তা এড়িয়ে চলছি। কতখানি জাহেলীর মাঝে আমরা আছি! আমি দেখেছি অনেককে, যাদেরকে নামাজের কথা বললে তারা বলে “নামাজ পড়ে কি হবে?” আবার অনেকে বলে ধর্ম পালন করে কি হবে? এর উত্তরে আমি বলতে চাই, পৃথিবীতে জড় বস্তু থেকে শুরু করে প্রতিটি জীবের ধর্ম আছে। যদি জড় বস্তু তার ধর্ম পালন না করে তবে কি হবে? যেমন চুম্বক যদি তার ধর্ম পালন না করে, তবে কি হবে? লক্ষ্য করুন বিদ্যুতের অন্যতম উপাদান হলো চুম্বক। চুম্বক যদি তার ধর্ম পালন না করে তাহলে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবেনা। এতে করে সমগ্র পৃথিবী হয়ে পড়বে অন্ধকার ও অচল। অনুরূপ ভাবে পৃথিবীর দুই মেরু যদি তার চুম্বকত্ব হারানো স্বরূপ যদি তার ধর্ম ত্যাগ করে তবে পৃথিবী তার অবস্তুান থেকে ছিটকে পড়বে। লক্ষ্য করুন, কোন জড় বস্তু যদি তার ধর্ম পালন না করে, তবে কত রকম বিপত্তির উদ্ভব হচ্ছে। অনুরূপ ভাবে মানুষ যদি তার ধর্ম পালন না করে, তবে তার ফল স্বরূপ পৃথিবীতে কমপক্ষে মনের দিক থেকে অশান্তি এবং পরকালে তো তার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা হবেই। এখন লক্ষ্য করুন, পৃথিবীতে মানুষের অনেক রকম ধর্ম আছে। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, জৈণ ইত্যাদি। এখন প্রশ্ন আসতে পারে যে, সব ধর্মই কি সত্য? অথবা কোন ধর্মকে সত্য হিসেবে মানবো? এ প্রশ্নের জবাবে আমি কুরআনের একটা আয়াতের কথাই বলবো, আল্লাহ্ বলেছেন, “তোমরা কোন ভুল ধারনা নিয়ে বসে থেকোনা”। এটা স্বাভাবিক যে, আপনিও কোন ভুল ধারনা নিয়ে বসে থাকতে চাইবেন না। যদি কোন ভূল ধারনা নিয়ে বসে থাকতে না চান তাহলে আপনি আপনার ধর্ম গ্রন্থগুলোই খুলে দেখুন। বোঝার চেষ্টা করুন সেখানে কি লেখা আছে, উদঘাটন করুন বিভিন্ন তথ্য, মিলিয়ে দেখুন সমাজের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে আলোচনা করুন সেই তথ্য সম্পর্কে তাদের ধর্ম কি বলে? বিভিন্ন রকম পরীক্ষা ও পরযবেক্ষণ চালান। তারপর সিদ্ধান্ত নিন কোনটি সঠিক ধর্ম আর কোনটি সঠিক নয়। একটা কথা মনে রাখা প্রয়োজন যে, যারা ভিন্ন ধর্ম থেকে বুঝে শুনে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে, তাদের ঈমান আকীদা প্রবল হয়, যেই ঈমান আকীদা প্রবল করার জন্য কমপক্ষে বাংলাদেশের মুসলমানদের সারাজীবনই ব্যয় হয়ে যায়। এখন দিন ও রাতের দিকে আরও একবার তাকিয়ে দেখা যাক। যদি আমরা দিন ও রাতকে ইহকাল ও পরকালের সাথে তুলনা করি, তাহলে দেখা যাবে দিন হলো ইহকাল ও রাতহলো পরকাল। আমরা দিনের চাকচিক্যের মধ্যে সারাক্ষণ ডুবে থাকি। আবার যখন রাত আসে তখন শরীরের ক্লানি- মেটানোর জন্য আমরা ঘুমাই। এই ঘুমটা আমাদের জন্য সাধারন মৃত্যু স্বরূপ। কারন আল্লাহ্ রাতের ঘুমটাকে মৃত্যুর সাথে তুলনা করেছেন। আমরা ঘুমানোর পরে আমাদের সাধারন মৃত্যু ঘটে। সেই মৃত্যুর পর আমাদের আত্মা সম্পর্কে আমাদের কোন অনুভুতি থাকেনা। অনুভুতি তখন পাওয়া যায়, যখন আমরা কোন স্বপ্ন দেখি। স্বপ্নে যেই দৃশ্যগুলি আমরা দেখি তা মাঝে মাঝে আমাদের জন্য বাস-বে খুবই হাস্যকর হয়ে ওঠে। আবার কেউ দেখে যে সে উড়ে বেড়াচ্ছে, কেউ অনেক কষ্টের মাঝে আছে, কারো শাসি- হচ্ছে, কেউ বা আবার খুবই শান্তির মাঝে আছে। এরকম বিভিন্ন স্বপ্ন আমরা দেখি। এই স্বপ্নের মাঝে আমরা যেই জগতের মধ্যে প্রবেশ করি, তা কি আমাদেরকে পরকালের আভাস প্রদান করেনা? আবার দিনকে ইহকালের সাথে তুলনা করে যদি দিনের বেলায় কঠোর পরিশ্রম করি, তাহলে রাতে শান্তিতে ঘুম আসে। কিন্তু দিনের বেলায় যদি আমরা সারাক্ষন ঘুমিয়ে কাটাই, তবে কি রাতে আমরা আরামে ঘুমাতে পারি? অনুরূপভাবে যদি আমরা ইহকালে শুধু আরাম আয়েশের মধ্যে কাটাই, তবে পরকালে শান্তিতে থাকতে পারবোনা এবং ইহকালে যদি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কাটাই তাহলে পরকালে শান্তিতে থাকতে পারবো। এতো শুধু আল্লাহ্ প্রদত্ত একটি কথার ব্যাখ্যা। যদি আল্লাহ্ প্রদত্ত ছয় হাজার ছয় শত ছিয়াষট্টি আয়াতের ব্যাখ্যা করা হয়, তবে কি তার মূল্যায়ন কম হবে? আমাদের অবস্তুা এমন হয়েছে যে, ‘অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী’ প্রবাদের মতো আমরা শুধু গুটি কয়েক হাদিস জেনে আল্লাহ্‌র দ্বীন সম্পর্কে বিভিন্ন রকম মন-ব্য করে থাকি। যা আমাদের জন্য কুফুরি হয়ে যায়। কারণ আল কুরআন আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের জন্য সয়ং সম্পূর্ণ করে দিয়েছেন। সুতরাং মন-ব্য করার জন্য প্রথমে আল কুরআন সম্পূর্ণটাই গ্রহন করে নিতে হবে । আমরা বুঝতে পারিনা যে, আল্লাহ্‌র যা জ্ঞান আছে, তা আমাদের জ্ঞানসীমারেখার বাইরে। আমরা বুঝতে পারবোনা আল্লাহ্ কেনো কিছু কিছু জায়গায় অসংগতি রেখেছেন। এই সমস- জায়গায় অসংগতি না খুজে তা নির্দ্বিধায় মেনে নেওয়ার নামই ঈমান। অনুরূপ ভাবে “ইসলাম নারীকে ঠকিয়েছে” এরকম কথা না বলে নারীর প্রকৃত অধিকার তাকে প্রদান করার নামই ঈমান। ইসলামী আইন সম্পর্কে কোন মন-ব্য না করে তা বাস-বায়নের জন্য সংগ্রামের পথে অটুট থাকার নামই ঈমান। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এরূপ সময় চোখে দেখার তীব্র ইচ্ছা থাকার নামই ঈমান। ইসলামকে ভালভাবে জেনে কুরআন, হাদিস ও কুরআনের ব্যাখ্যা সঠিকভাবে জেনে আমরা সর্বক্ষেত্রে ঈমান আনার চেষ্টা করবো। আল্লাহ্‌র পথে সংগ্রাম করবো। যেমনটি করেছিলেন সাহাবায়েকেরাম গণ। তারা যেমন তৎকালীন রাজনীতিতেও আল্লাহ্‌র বিধান কায়েম করেছিলেন, তেমনি আমাদেরও কাজ হবে রাজনৈতিক ভাবেও আল্লাহ্‌র পথকে সমর্থন করা। যদি আমি জামায়াতকে আল্লাহ্‌র পথের অনুসারী বলি এবং যদি তাতে কারো কোনো আপত্তি থাকে তবে একটাই উত্তর দেবো। বর্তমান সময়ের রাজনীতি সহ মানুষের সকল কাযর্কলাপকে ইসলামের ইতিহাসের সাথে তুলনা করুন। সকল উত্তর আপনি নিজেই বের করতে পারবেন। আমাদের উচিৎ অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় সম্পর্কে গভীর চিন্তা করা। তাও শুধু মাত্র ইসলামি ভাবধারা মনের মাঝে গেঁথে রেখে। সমাজের মধ্যে কিছু ছোট ছোট বিষয় আছে যা আমাদেরকে আল্লাহ্‌র পথ থেকে বিমুখ করে দিচ্ছে। অথচ আমরা বিষয়গুলি চিন্তাও করে দেখছিনা যে, বিষয় গুলি আমাদের জন্য কতখানি ক্ষতিকর। এরূপ একটি বিষয় হলো ‘সালাম’। সালামের প্রচলনটা সমাজের এরকম হয়ে গেছে যে সালাম শুধু সম্মানিতদেরই প্রাপ্য। অথচ সালামের অর্থ হলো ‘আপনার উপর শানি- বর্ষিত হোক’। লক্ষ্য করে দেখুন, শান্তির অর্থ হলো ইসলাম। যার মাঝে ইসলামের চিন্তা চেতনা নেই তার উপর তা বর্ষণ হোক এবং সে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিক। আর যে ইসলামের ছায়াতলে আছে সে সেখানেই থাকুক। এই হলো সালামের অর্থ। অথচ কাউকে সালাম দিলে সে মনে মনে নিজেকে বড় মনে করে অহংকার করে। যেখানে তার লজ্জা পাবার কথা এই ভেবে যে, আমি ইসলামের ছায়াতলে নেই তাই সে আমাকে ইসলামের ছায়াতলে যাবার জন্য দোয়া করলো। সেখানে সে গর্ববোধ করে এই ভেবে যে, সমাজে আমার কর্তৃত্ব, পজিশন বা হস্তক্ষেপ আছে বলে সে আমাকে সালাম দিয়ে সম্মান জানালো। সালাম গ্রহীতার মনোভাবটা অনেকটা এরূপ হবার কারনে সালামের প্রচলনটা সমাজে আজ বিকৃত হয়ে গেছে। এখন সমাজের মধ্যে যে সম্মানিত, সেই শুধু সালাম পাবার যোগ্য। কিন্তু বাস-বে কি সে একাই সালাম পাবার যোগ্য? আমরা যারা ইসলামের ছায়াতলে নেই তারা কি সালাম পাবার যোগ্য নই? নাকি আমরা সবাই সালাম পাবার যোগ্য? চিন্তা করুন। মরতে তো হবেই। তবে অন্ধকারে থেকে কি লাভ? ইসলাম নিয়ে চিন্তা করুন। আল কুরআন হাতে নিয়ে বিজ্ঞান ও অন্যান্য সিস্টেমগুলির সাথে তুলনা করার চেষ্টা করুন। আপনারা ভাল করেই জানেন যে, পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে, তার সবই মহান আল্লাহ্‌র সৃষ্টি। আল্লাহ্‌র সৃষ্টিকে বিশ্লেষণ করলে আপনিও বুঝতে পারবেন যে, আল্লাহ্ কিভাবে সবকিছুই দেখতে পায়। যেমন আমরা জানি, প্রকৃতিতে মৌলিক রং আছে তিনটি। এই তিনটি রংয়ের সংমিশ্রনে সৃষ্টি হয় বর্ণালীর অন্যান্য রং। আমরা যখন কোন বস্তুকে দেখি, তখন ঐ বস্তুর উপর সাদা আলো পড়ে এবং বস্তুর প্রকৃত রং ঐ সাদা আলো ভিন্ন দুটি রংকে শোষণ করে এবং বাকি রংটাকে প্রতিফলিত করে। এটি বস্তুর প্রকৃত রংয়ের ধর্ম। এখন যদি বস্তুর প্রকৃত রংটি তার ধর্ম পালন না করে তাহলে কি বস্তুর প্রকৃত রংটি আমরা দেখতে পাব? ধরুন আপনার হাতে একটি লাল রংয়ের বল আছে এবং তাতে নীল ও সবুজ রংয়ের আলো ফেলা হলো। আপনি কি তখন লাল বল দেখতে পাবেন? নাকি সাদা বল দেখতে পাবেন? বস্তুর ধর্ম পরিপন্থী কোন কাজ যদি বলের রং পরিবর্তন করে দিতে পারে, তবে ইসলাম পরিপন্থী কোন কাজকি আপনার শরীরের সৌন্দয্যের বিকৃতি ঘটাতে পারেনা? আর সেই বিকৃতি কি আল্লাহ্‌র চোখে ধরা পড়বে না? অনুরূপ ভাবে লবন যদি তার ধর্ম পালন না করে, তবে আপনি খাবারের স্বাদ পাবেন না। এভাবে পৃথিবীর প্রতিটি সৃষ্টি (মানুষ ছাড়া) তাদের ধর্ম পালন করে আসছে। মাত্র কয়েকটা বস্তুর ধর্ম বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যদি একটি বস্তু তার ধর্ম পালন না করে, তাহলে প্রাকৃতিক বিপযর্য় সৃষ্টি হয়। আর মানুষ যদি তার ধর্ম পালন না করে দূরে সরে যায়, তবে কি সিডরের মতো বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপযর্য় সৃষ্টি হবে না? এই সমস্ত বিপযর্য় কি মানুষ মোকাবিলা করতে পারবে? নাকি তা মোকাবিলা করার জন্য আল্লাহ্‌র সাহায্য দরকার? আল্লাহ্‌র সাহায্য পাবার জন্য কি আল্লাহ্ সান্নিধ্য পাবার দরকার নেই? নিঃসন্দেহে আছে। যেমনটি আপনি আপনার কোন বিপদের সময় কোন মন্ত্রীর সাহায্য পাবার জন্য সেই মন্ত্রীর সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই সম্পর্ক যদি আপনি আল্লাহ্‌র সাথে গড়ে তুলতে পারেন তা হলে কোন মন্ত্রীর দরকার নেই। আল্লাহ্‌ই সর্ব শক্তিমান। আমাদের শুধু দরকার আল্লাহ্‌র সান্নিধ্য অর্জন করা। আল্লাহ্‌র সান্নিধ্য অর্জনের উপায় হিসাবে আল্লাহ্ আল কুরআনে সূরা আস-সাফ এর ১০-১১ নং আয়াতে উল্লেখ করেছেন, “হে ঈমানদারগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যবসার সন্ধান দেব যা তোমাদেরকে কঠিন আযাব থেকে বাঁচাবে। (তা হচ্ছে তোমরা) আল্লাহ্ ও রাসূলের ওপর প্রকৃত ঈমান রাখবে এবং আল্লাহ্‌র রাস-ায় জান, মাল দিয়ে জিহাদ করবে। এটাই তোমাদের সত্যিকার উত্তম পথ। যদি তোমরা উপলব্ধি করতে সক্ষম হও”। এখন লক্ষ্য করুন, আল্লাহ্ তাঁর কুরআনে যেই ব্যবসার কথা বলেছেন, সেই ব্যবসা ও আমাদের বর্তমান যুগের ব্যবসার যদি তুলনা করি, তাহলে কি দাঁড়ায়? তুলনার জন্য ছোট্ট একটা হাদিসের সাহায্য নেওয়া যাক। হাদিসে আছে হাশরের দিনে মানুষের ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতম কর্ম ফল তাকে প্রদান করা হবে। যদি একজন ব্যক্তি তার কাজের ফল ভোগ করে, তবে তার কাজের সঙ্গে জড়িত দ্বিতীয় ব্যক্তির ক্ষেত্রেও এরূপ ঘটে। যেমনটি ঘটে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে। ক্রেতা যদি দ্রব্য ক্রয় করে, তবে সমপরিমাণ অর্থ বিক্রেতাকে প্রদান করতে হয়। সেই সাথে বিক্রেতার দ্রব্য যেমন কমে, তেমনি তার অর্থও বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ্ এই ফলকে প্রথমে পাপ ও পূণ্যের সাথে তুলনা করেছেন। বিজনেস এ্যাকাউন্টিং-এ যেমন প্রতিটি লেনদেনকে জাবেদার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ঠিক তেমনি মানুষের প্রতিটি ভাল ও মন্দ কাজকে ডেবিট ও ক্রেডিট এর মতো পাপ ও পূণ্যের খাতায় তোলা হয়। উদাহরণ স্বরূপ একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তিকে ঠকিয়ে বা চিটিং করে কিছু টাকা অর্জন করলো। যেহেতু এটি আল্লাহ্‌র বিধান পরিপন’ী কাজ সেহেতু তার পূণ্যের খাতায় ডেবিট ও পাপের খাতায় ক্রেডিট হলো। এভাবে মানুষ যতো ভাল ও মন্দ কাজ করতে থাকে, সেই কাজগুলোকে লেনদেন স্বরূপ পাপ ও পূণ্যের খাতায় ডেবিট ও ক্রেডিট হিসাবে লেখা হয়। মানুষের প্রতিটি কর্মের সাথে এরকম ঘটনা ঘটতে থাকে। মানুষ যেমন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের হিসাব নির্দিষ্ট একটা দিনে করে, ঠিক তেমনি শেষ বিচারের দিন মানুষের এই জাবেদাকৃত ডেবিট ও ক্রেডিট গুলিকে ফাইনাল এ্যাকাউন্টিং করা হবে। এতে যার উদ্বৃতি থাকবে, সেই উদ্বৃতিকে রূপান-র করা হবে সমপরিমাণ জান্নাত হিসেবে এবং যার ঘাটতি থাকবে, সেই ঘাটতিকে রূপান-র করা হবে সমপরিমাণ জাহান্নাম হিসেবে। লক্ষ্য করুন, মানুষের সামান্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চালাতে গিয়ে মানুষ হিসাব করার সময় হিসাব মেলাতে গিয়ে হিমসিম খেয়ে যায়, অথচ আল্লাহ্‌র বিধান প্রকৃতির হিসাব তারা বুঝতে চায়। এটাকি মানুষের বোঝা সম্ভব? একটা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন করবে এবং একজন তা জাবেদায় লিপিবদ্ধ করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই কর্মচারী যদি নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন না করে এবং সেই কর্মচারীই যদি উক্ত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের হিসাব সম্পর্কে জোরপূর্বক কর্তৃপক্ষের উপর কর্তৃত্ব দেখাতে চায়, তবে কি সেই প্রতিষ্ঠানটি তাকে কর্মফল হিসেবে বেতন-বোনাস দিবে? নাকি তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে শাসি- স্বরূপ অব্যহতি দিবে? আর যারা নিয়ম নীতি অনুযায়ী হিসাব নিকাশ করে তারাইবা কেনো ঐ ব্যক্তিকে হিসাব দেবে? অনুরূপ ভাবে মানুষ যদি আল্লাহ্‌র বিধান অনুযায়ী জীবন যাপন না করে এবং যারা আল্লাহ্‌র বিধান অনুযায়ী জীবন যাপন করে, তাদের উপর কর্তৃত্ব করতে চায়, তবে কি আল্লাহ্ তাদেরকে কর্মফল হিসেবে জান্নাতে প্রদান করবে? নাকি তাদেরকে কর্মফল হিসেবে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে? আর যারা আল্লাহ্‌র বিধান অনুযায়ী জীবন যাপন করে তারাইবা কেনো কাফিরদের কর্তৃত্ব মেনে নেবে? আল্লাহ্‌র বিধান সম্পর্কে আরেকটি কথা না বললেই নয়। তা হলো কোন ব্যক্তির কথা ও কাজ যদি কারো ভালো লাগে, তাহলে সেই ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তির ভক্ত হয়ে পড়ে এবং তাকে আল্লাহ্‌র পয়গম্বর বা পীর হিসাবে গ্রহন করে এবং তার কাছে বিভিন্ন রকম চাহিদা তুলে ধরে। যদি ব্যক্তিটি মারা যায়, তাহলে তার কবরকে মাজার বানিয়ে তার জিয়ারত করে এবং কবরের কাছে সিজদাও করে।এই কাজগুলি আমাদের জন্য অত্যান- কুফুরীর পথ হয়ে যায়। আমরা জানি মানুষ যদি আল্লাহ্‌র কাছে কোন কিছু চায়, তাহলে আল্লাহ্ খুশী হয় এবং মানুষ যদি মানুষের কাছে কিছু চায়, তাহলে মানুষ বেজার হয়। আমরা তা বুঝতেও পারিনা। যদি সেই ব্যক্তিটি কোন বই লিখে থাকে। তবে সেই বইকে আমরা ভক্তি দিয়ে থাকি। অথচ আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) বলেছেন, তোমরা কোন হাদিসের দলীল না দেখে তা মানবেনা। আর আমরা দলীল দেখার প্রয়োজনও মনে করিনা। এটি আমাদের জন্য অজ্ঞতা। আমরা আশা করি, আমরা কোন ভূল ধারনা নিয়ে বসে থাকবো না। শয়তানকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে বিতাড়িত করবো। কারন শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু। আমরা আল কুরআন ও আল হাদিসকে জীবনের সকল ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিয়ে সকল ভূল সুধরে নিবো এবং প্রকৃত ঈমান নিয়ে মৃত্যু বরণ করবো। ইনশাআল্লাহ্। ****

  157. S.Alam says:

    Bangladesha joto alam bangladeshar sorkarar hata bina karona nijjatito hoccha, Bangladeska allahr gozober hat hat dhaka rokkah korar jonno tadar sobayka obilomba mukti dawa hok.

  158. Manoara says:

    Whats going on Bangladesh? If somebody keep any islamic book he is treated as a ‘JONGI’. I am a muslim, I have right to learn & practice of my own religion. Who will dishoner to my right Almighty Allah will destroy them.

  159. rahat says:

    হে আল্লাহ নিজামিদেরকে ইসলামের দুশমনের হাত থেকে রক্ষা কর। আমিন।

  160. ইউসুফ says:

    হে আল্লাহ, তুমি এই জালিম এবং অবৈধ সরকারের হাত থেকে নিজামি, মুজাহিদ,সাঈদি সহ ইসলামি আন্দোলনের সকল নেতাদেরকে মুক্ত করে দাও। আমিন।

  161. mostafa says:

    হে আল্লাহ, তুমি এই জালিম এবং অবৈধ সরকারের হাত থেকে মুক্তি দাও। আমিন।

  162. ja dabota ja fula tusto sa dabota k sa ful dita hoba. awami hanadar bahini hortal k voi pai andolon k voi pai abar nijara opposition a thakla hortal dai andolon kora. so JAMAT LIEDER dar k mukto korta LAGATAR HORTAL AND ANDOLON ar bikolpo nai.
    ALLAH awami hanadar sorkar ar hand tha k BANGLADESH AND ISLAM AND ALAM OLAMA dar k hafajot korun.

  163. There is no doubt that the Government is on the wrong tract. “Jurisdiction of war criminals” is merely lame excuse. With this excuse the government wants to keep their path free from Strong oppositions. Very few politicians from the government are as efficient as in Bangladesh Jamaate Islami. Rather than checking opposition party leaders, the Government should concentrate on the development of the economy. People actually wants to live in peace, to have their meals three times a day. People wants economic affluence not meaning less speech from the Government politicians. Basically, if I want to start writing failure of this government, then the space provided in this domain will not be sufficient. So better for democratic practice free all the Jamaat leaders. By doing this you will simply practice democracy not showing any benignity to the Jamaat leaders. . . . Hope the Government may understand my objective of writing this comment. . .

  164. Ahsan says:

    যুদ্ধপরাধীদের বিচার হোক কঠিন ভাবে…যারাই দোষী তারা সবচেয়ে কঠিন শাস্তি পাক, তা সে জামাতে ইসলামীর লোক হোক, অথবা আওয়ামী-লীগ ই হোক। এদেশের সব পলিটিকাল দলই শয়তানের আখড়া… সব শয়তান নিপাত যাক, বাংলাদেশ মুক্তি পাক।

  165. আজগর মুজিব says:

    সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রথম শিকার জামায়াতে ইসলামী. আমি এর প্রতিবাদ জানাই।

    • Reply says:

      প্রথম শিকার নয়। প্রথম শিকার ফ্রীডম পার্টি, ২য় মুজাহিদ, ৩য় শিকার সেনাবাহিনী আর বিডিআর, সর্বশেস শিকার জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতে ইসলামী আগে বুঝলে এ দশা হতো না।

  166. রাবেয়া বসরি says:

    প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে হয়রানির পর শারীরিকভাবেও নির্যাতনের সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। এই আচরন গণতান্ত্রিক মুল্যবোধের পরিপন্থী। কাউকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা দেশ ও জাতির জন্য সুখকর হবে না।
    আমরা সরকারের এই আচরনের প্রতিবাদ জানাই।

  167. h.kabir says:

    Allah a jalim der hat thaka bangladesher sokal manus der , islam & bangladesher sadinata -sarboVomotto k hefajat karun.

  168. shams says:

    dan & bam pashe kali jagai muktir andolen er postar & micil er picture deohok.

  169. কালাম ভাই says:

    এই সরকার বাঁকা লোমও সোজা করতে পারবে না ।

  170. এহসান says:

    এটা স্বাভাবিক যে ইসলামী আন্দোলনের কমীদের এ ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে।আমার একটাই দোয়া আল্লাহ যেন তাদের কবুল করেন,আমাদেরও।তবে,আমাদের ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যাপক প্রচারণা করা দরকার।আমাদের সবাই মিলে এ ওয়েব সাইট গুলোকে আরো বেশি তথ্যাবহুল করা দরকার।মুক্তিযুদ্ধ,মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ীদের চরিত্র,বিচার নাটক এই সব বিষয় সাধারন মানুষের সামনে নিয়ে আসুন,আমরা সবাই মিলে নিজের আশপাশ থেকেই নানা দলিলপত্র,তথ্য সংগ্রহ করে ইউটিউব সহ নানা ব্লগ,ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে দেই। আমাদের মনে রাখতে হবে হলুদ সংবাদিকতার বিরুদ্ধে ইন্টারনেটই আমাদের প্রধান হাতিয়ার ।

  171. md. khalekozzaman says:

    he allah jalimderke hedayat dan kor.

  172. ikbal hossain says:

    All the Bangladeshis remain this is nor fear justices.
    I requested the government please leave those leader.
    Afraid Allah (SWT).

  173. Muzahid says:

    Uporer sobar janno Dozokher dorza khola. AMEEN

  174. Fazlul karim says:

    বিগ্ঘ সম্পাদক সমীপে আমার আবেদন আমার এই কথা গুলো জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য |আমরা জানি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে অভিযুক্তদের বিরদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্তু দ্ণডের বিধান রাখা হয়েছে এবং বিচারটি অততান্ত স্পর্শকাতর |যে আইনে মানুষের জীবন মরণের প্রশ্ন জড়িত,যেখানে বিচারকের একটু ভুলের কারণে অভিযুক্তের জীবন হানি হতে পারে|সঙ্গত কারণেই এই ধরনের বিচারে বিচারপতিকে হতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, সত,অভিগ্ঘ এবং থাকতে হবে ভুলের উর্ধে |আর তাহলেই অবিযুক্তরা নেয় বিচার পেতে পারে|অথচ আমরা দেক্তে পাচ্ছি ট্রাইবুনালের বিচারপতি নিজাম সাহেব নিজেই বলছেন আমরা শিখছি আমাদের ভুল হতে পারে|অর্থাত্‍ সে নিজেই বলছেন সে অনভিগ্ঘ এবং তার ভুল হতে পারে |অভিযুক্তরাও ইতিমধ্যে নিজাম সাবের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন |বিষয়টি যেহেতু খুবেই স্পর্শকাতর এবং সরকার চাচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিচার করতে|অতএব সমগ্র জাতির দাবি,সচ্চ নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের বিচারের সার্থে একজন নিরপেক্ষ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক মানের বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হোক|

  175. মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ says:

    আমরা আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করি তারা যেন সুবিচার পান এবং কলঙ্কমুক্ত হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ সব বিষয়ে অবগত। আমিন।

  176. samrat says:

    We should do :
    1. Internal comunication each other. 2. Heavily work in field ground . 3. Grow awarness about false juddho oporathi case and its Jera. Above all 80000 of Dedicated Activist should be Prepeared for getting ride of Five Leaders.

  177. ruhul amin says:

    যে যত বেশী হক কথা বলবে, সে তত সমালোচনার পাত্র হবেন।

  178. rahad says:

    Allah must be save their.

  179. mdsuzan ali says:

    i am muslim.i live in rajshahi.ami bolte chai bortoman sorkar rajakar der bicharer nam kore musolmander proti j ottachar chalase tar madhome bidhormyder sontosto korarchesta korce. but allah k voy korse na.allah 1 din taderbichar korbe amader k sudhu opekha korte hobe amin

  180. মোঃ নূরুজ্জামান says:

    আল্লাহ এই জালিম সরকারকে পতন ঘটাও ।

  181. jubair ahmad khan says:

    েহ আল্লা বাংলােদেশর মুশলমান ও ইশলাম আজ হুমিকরমুেখ তুিমএই জােলমেদর হাত েথেক ইশলাম ও মুশিলমেদরেক বঁাচাও িবেশশকের েয শকল েনতৃবৃন্দ ইশলািম আেন্দালন করেতিগেয় আজ বাংলার জেলম শরকােরর িনরযাতেনর িশকারহেচ্ছ তােদরেক েহফাযত কর।

  182. willium says:

    Jodi boli je asol ghotona k arale rekhe nokol ta k samne ana hocche, seta oboshoy thik. Columbia university er professor Sharmila Bosh 1971 er upor j documents gulo prokash korechen ta porle asol ghotona jana jabe. It’s upto u j akjon muslim hisebe ki chai ami, onek attotag ar songram er por Pakistan hoechilo sudhu amader muslimder jonno, nizer valo to pagoleo bujhe amra kano bujhlam na. Ajo India te muslimra service o jobs pai na, ontoto valo maner jobgulo to akdome na. Jodi oi somoy desher unity chaoa wrong hobe tahole aj je Indiar state banabar je conspiracy “muktijoddhara” kore asche setake ki bolbo. Muktijuddher pokher sokti jodi prokasho dibaloke manush pitie mare tobe era chilo vul ar Razakarrer Albodorra chilo thik

  183. Mukhosh Unmochon says:

    নারীর ব্যবসায় ধরা খেয়ে
    বাপ-মা যাদের ফকির হয়;
    তারাই তো সৎ লোকের মাঝে
    নারী ব্যবসার গন্ধ পায়।

    রাত্রি যখন ১০টা বাজে-
    বাপ যে তখন যায় কাম্পাসে;
    রাত-দুপুরের বেলায় তাদের
    Practical-এর সময় হয়।
    তারাই তো সৎ লোকের মাঝে
    নারী ব্যবসার গন্ধ পায়।

    ব্যবসায়ীদের ফান্দে পড়ে-
    ক্যামেরাতে বন্দী হয়ে;
    তোর বাপকে যখন বাধ্য হয়ে
    লক্ষ টাকা গুনতে হয়-
    সাঈদী সাহেব কেমনে নেবে
    তোমার বাপের পাপের দায়।

    ছাত্রী নামের বেশ্যা নিয়ে,
    লেংটা হয়ে রাত যাপিয়ে-
    জীবন্ত সব চিত্রসহ
    বউয়ের হাতে ধরা খায়।
    তারপরেও তার বউ-ছাওয়ালরা
    সাঈদী সাবের নিন্দা গায়।
    আপন লোকের গুয়ার গন্ধ
    পরের গুয়ায় লেপে দেয়।

    ওই পুঁচকি তুই কেমনে জানলি
    নারীর চালান সাঈদী দেয়,
    তবে কি তোর বাপের যোগান
    সাঈদী সাহেব আইনা দেয়।

  184. Ovaga Desh says:

    ১২ আউলিয়ার দেশে আজ ইসলাম প্রচারক আলেমরা ফাঁসির মঞ্চে।
    ধর্ম নিসিদ্ধকারী সোভিয়েত রাশিয়ার পদলেহী সারা পৃথিবীতে পরিত্যক্ত আবর্জনাতুল্য কমিউনিস্টরা ধর্মীয় নেতাদের ফাঁসির মাধ্যমে ধর্মীয় রাজনীতি নিসিদ্ধ করার প্রকাশ্য আস্ফালন দেখাচ্ছে ২য় বৃহত্তম মুসলিম দেশে।
    আল্লাহর দুনিয়ায় আল্লাহর বান্দা তথা আল্লাহর ধর্মের অনুসারী মুসলিমদের দেশে আল্লাহবিরোধী ও ধর্মবিরোধী রাজনীতি বুক ফুলিয়ে দাপটের সাথে থাকবে, কিন্তু ধর্মীয় রাজনীতি থাকবে না- আল্লাহতে বিশ্বাসী ধর্মপ্রাণ মানুসের বাঁচার অধিকারও থাকবে না।
    যারাই মানুসকে আল্লাহর পথে ডাকবে, শয়তানের পথ থেকে ফেরাতে চাইবে, শয়তানের অনুসারীরা নিজেদের শয়তানী কর্মকান্ডের দায়ভার তাদের উপরেই চাপিয়ে দেবে, আর কল্পকাহিনীর সূত্র ধরে সাজানো সাক্ষী দিয়ে বিচারের নামে ফাঁসিতে ঝোলাবে।
    তাদের এ আক্রমণ সাঈদীর বিরুদ্ধে নয়- এ আক্রমণ আল্লাহর বিরুদ্ধে, কোরআনের বিরুদ্ধে। এর মাধ্যমে তারা স্বয়ং আল্লাহকেই অপমানিত করেছে, কোরআনকেই পদদলিত করেছে। এই দুবৃত্তদের মূল আক্রোশ যে ধর্মের বিরুদ্ধে, এ ফাঁসির আয়েজনের উদ্দেশ্য যে কেবল ধর্মকে বিলুপ্ত করা, সে কথা তো কমিউনিস্ট নেতাদের ঘোসণাতেই প্রমাণিত হয়েছে।
    সাঈদী সাহেবের হায়াত-মউত সম্বন্ধে তার প্রভুই ভাল জানেন। কিন্তু আল্লাহর ধর্মের এমন একজন প্রচারকের এ ধরনের পরিণতির জবাব স্বয়ং আল্লাহ কিভাবে দেবেন, তা আমাদের ধারণার বাইরে। এর প্রেক্ষিতে কি ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসতে পারে, তার পূর্বাভাস দেয়ার জন্য আবহাওয়াবিদ হবার দরকার নেই।

  185. Ovaga Desh says:

    কাউকে ফাসি দেয়া কি জনগণের ইচ্ছায় হয়? কাউকে চোর বা ছেলেধরা ভেবে পিটিয়ে মারার অধিকার কি জনগণের আছে? আল্লাহর কসম! সারা পৃথিবীর সব মানুষ মিলেও যদি একজন মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে, তাহলে আল্লাহ পৃথিবীর সব মানুষের কাছ থেকেই তার প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন। তদুপরি আল্লাহর কাছে একজন আলেমের মৃত্যু সারা পৃথিবীর মৃত্যু সমান।

  186. Ovaga Desh says:

    শাহবাগ আজ স্বঘোষিত পতিতাদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এরা গোটা দেশটাকেই পতিতালয় বানাতে চায়। এ কাজের পথে যাদেরকে বাধা মনে হয়, তাদেরকেই ফাসিতে ঝোলাবে এরা। বেশ্যাদের কাজই হল খারাপ লোকদেরকে দেহদান করা আর ভাল মানুষদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নাজেহাল করা। এরা যাদের কাছ থেকে দৈহিক সম্ভোগ আদায় করতে না পারে, বা টাকা খসাতে না পারে, তাদের নামেই কলংক রটিয়ে দেয়। কখনো বা রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের চরিত্র হননে টাকার বিনিময়ে এরা ব্যবহৃত হয়। বিশেষত একজন বেশ্যা তার বেশ্যাবৃত্তির কাজে কেউ বাধা দিলে বা বিরোধিতা করলে তার জানের শত্রু হয়ে দাড়ায়, এমনকি যদি নিজের গর্ভজাত শিশুও হয়ে থাকে।
    ইসলাম যেহেতু বেশ্যাবৃত্তিকে অনুমোদন করে না তাই সঙ্গত কারণেই বেশ্যারা ইসলামকেই সবচেয়ে বড় দুশমন মনে করে। আর আলেমরা যেহেতু ইসলামের বিধান সমাজে চালু করার দ্বারা বেশ্যাবৃত্তির পথ বন্ধ করতে চায়, তাই বেশ্যারা এবং তাদের পুরুষ দালাল ও বেপারীরা আলেমদের উপরেই উল্টো নারী ব্যবসার অপবাদ দিয়ে ফাঁসিতে ঝোলাতে চায়। এছাড়া মানুষকে ভয় দেখিয়ে blackmail করে টাকা আদায় করা, মিথ্যা অপবাদ দেয়া আর মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া বা দেয়ানো এসব যেহেতু বেশ্যাবৃত্তিরই সমতুল্য, তাই যেসব রাজনীতিবিদরা এসবে অভ্যস্ত তারাই এই বেশ্যাদের সাথে একাত্মতা জানাতে এগিয়ে আসেন।
    আজ সাঈদী যদি ঘোষণা দেন তিনি আর বেশ্যাবৃত্তির বিরোধিতা করবেন না, বরং ক্ষমতায় গেলে বেশ্যাবৃত্তির লাইসেন্স প্রদান করবেন, তাহলে এই শাহবাগের পতিতারা তার ফাসির দাবি বাদ দিয়ে মুক্তির দাবি শুরু করবে এবং ফুলের মালা দিয়ে বরণ করবে।

  187. Shabbag says:

    টানবাজারের পতিতারা
    দেহ বিক্রি করে খায়-
    শাহবাগের পতিতারা
    দেশ বিক্রি করতে চায়।

    নোংরা কুৎসিত নর্দমার কীট
    দেখলে ঘৃণায় বমি আয়,
    ভোগেরও অযোগ্য তারা
    চুদতেও নাহি ভক্তি হয়।

  188. Youtube vs Facebook says:

    এখন বুঝেছি সরকার কেন শুধু Youtube বন্ধ করেছে, কিন্তু Facebook বন্ধ করেনি। নবীর অবমাননামূলক সিনেমার দোহাই দি্যে Youtube বন্ধ করা হলেও Facebook-এ রয়েছে নবীকে অপমানকারী অসংখ্য কার্টুন আর অবমাননাকর মন্তব্য। আল্লাহ ও নবীর চিরন্তন দুশমন নবীকে গালি দিয়ে মঞ্চ নাটক নির্মাণকারী আওয়ামী লীগ নবীর দরদে উচ্ছসিত হয়ে কোন পদক্ষেপ নেবে একথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। Youtube বন্ধের কারণ হল, সরকারী দলের অপকর্ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জীবন্ত প্রমাণ ভিডিও আর অডিও যাতে তরুণ প্রজন্ম দেখতে না পারে। পক্ষান্তরে Facebook-এর মাধ্যমে বানোয়াট তথ্য ও চিত্রের দ্বারা সহজেই তরুণ প্রজন্মকে ক্ষেপিয়ে তোলা যাবে। বর্ণনা যে কেউ বানিয়ে লিখতে পারে। স্থিরচিত্র অনায়াসে ফটোশপের মাধ্যমে তৈরি করা যায়। ফলে এর দ্বারা যেকোন ব্যাপারে স্থূল বুদ্ধির তরুণ- যারা সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আগে থেকে কিছু জানে না, তাদেরকে সহজেই বিভ্রান্ত করে অন্ধ আবেগকে জাগিয়ে তোলা যায়। কিন্তু ভিডিওচিত্র বিশেষত কারো অডিও voice নিখুঁতভাবে জাল করা বা manipulate করার মত কোন technology এখনো আসেনি। তাই Youtube সত্য প্রকাশে যতটা সহায়ক, মিথ্যা প্রকাশে ততটা সহায়ক নয়। আর Facebook সত্য প্রকাশের পাশাপাশি মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ও ডকুমেন্ট প্রকাশেও সমান সহায়ক।
    ব্যক্তি বিশেষের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তথাকথিত প্রমাণ হিসেবে যেসব ছবি ২ বার ক্ষমতায় থেকেও BTV বা সংবাদপত্রে প্রদর্শন করতে পারেনি, ৪০ বছর পর Facebook ও Blogger-এ এগুলো কোত্থেকে এল? আইন-আদালতে এগুলোর কোন ভিত্তি বা কার্যকারিতা না থাকলেও, পরিপক্ক ও matured প্রবীণদের কাছে এসবের গ্রহণযোগ্যতা না থাকলেও কাচা বুদ্ধির কোমলমতি কিশোর-তরুণদের motivate করায় এ ধরনের জিনিস খুবই ফলপ্রসূ।

  189. Ovaga Desh says:

    প্রবাদ আছে, “কুত্তার পেটে ঘি সয় না।” জিন জাতি একজন নবীকেও জীবিত রাখেনি। বনী ইসরাইল তাদের কাছে পাঠানো অধিকাংশ নবীকে মেরে ফেলেছে। কোন নবীই নিজ কওমের কাছে সাদরে গৃহীত হননি। আমরা যে দেশে বাস করছি, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও এ জাতি আওলাদে রসূলকে ওয়াজরত অবস্থায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে, আজ নায়েবে রসূলদেরকে ফাঁসিতে ঝুলাতে চাচ্ছে। বর্তমান উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ তিনজন আলেমের দুইজন বাংলাদেশে হলেও এই দুইজনের একজনকে ফাঁসির পরোয়ানা মাথায় নিয়ে পালাতে হয়েছে, আর একজন ফাঁসির সেলে প্রহর গুনছে। আজ যেভাবে বিপথগামী কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতীরা বরেণ্য আলেমের ফাঁসির জন্য একত্রিত হয়েছে, তা নবীজীর (স:) প্রতি পাখর নিক্ষেপকারী তায়িফবাসীর নারকীর উল্লাস ও বিকৃত উৎসবের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। জগতের বহু জাতি তাদের কৃতী সন্তানদের মিথ্যা অভিযোগে হত্যা করেছে। সত্যিই কুত্তার পেটে ঘি সয় না। আল্লাহর নেয়ামতসরূপ মানুষের পখ-প্রদর্শক আলেমরা এ হতভাগা জাতির জন্য নয়।

  190. Real Fact says:

    এটা প্রজন্ম চত্বর নয়, বেজন্মা চত্বর। কারণ, যারা স্বদেশ ও স্বধর্মের বিরুদ্ধে ভিন্ন জাতির এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে, তাদেরকে বেজন্মা ছাড়া আর কি বলা যেতে পারে? আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদী, পৌত্তলিক, ক্রুশপূজারী ও নাস্তিক্যবাদী পতিত কমিউনিস্টরা তাদের এদেশীয় দোসর সেকুলার ও মুনাফিকদের সহযোগিতায় ইসলাম ও মুসলমানদের নির্মূল এবং মানুষের মন, মুখ ও জীবন থেকে আল্লাহর নাম মুছে ফেলার লক্ষ্যে যে ক্রুসেড পরিচালনা করে আসছে, শাহবাগের আন্দোলন মূলত সেই ক্রুসেডেরই অংশ। বিশেষত যে কমিউনিস্টরা বিগত শতাব্দীতে তাদের বিপ্লবের যুগে দেশে দেশে আল্লাহর জানাযা প্রদানের প্রকাশ্য মহড়া দিয়েছিল, শাহবাগ আন্দোলন তাদের সে প্রয়াসেরই পুনরুত্থানের প্রয়াস মাত্র।

    শয়তানের বীর্য হতে সৃষ্ট এই নির্লজ্জ জারজ কমিউনিস্টরা মানবতার দরদী সেজে গণহত্যার বিচারের নামে সমবেত হলেও পৃথিবীর ইতিহাসে শুধু কমিউনিস্টরা এক শতাব্দীতে যত মানুষ হত্যা করেছে, পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত অন্য সবাই মিলেও এত মানুষ হত্যা করেনি। স্ট্যালিন একাই কোটি মানুষ খুন করেছে, লেনিনও কম করেনি, আফগানিস্তানে রুশ আগ্রাসনে ৪০ লক্ষাধিক মানুষ শহীদ হয়, কম্বোডিয়ায় খেমারুজরা ২০ লক্ষাধিক মানুষ মেরে ফেলে। অন্যান্য দেশের হিসাব যোগ করলে আরো অনেক হবে। এই বাংলাদেশেও মফস্বল শহর আর গ্রামাঞ্চলে এখনো তথাকথিত কমিউনিস্ট বিপ্লবীরা সাধারণ মানুষের উপর হত্যা, চাঁদাবাজি আর নারী নির্যাতন চালাচ্ছেন, কোন পরিবার আর্থিক চাঁদা বা ছেলে সন্তান দিয়ে কথিত বিপ্লবীদের সাহায্য করতে ব্যর্থ হলে পরিবারের সবাইকে বেঁধে রেখে মেয়েকে গণধর্ষণ করে সেটা পুষিয়ে নিচ্ছেন, এটা কি মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে পড়ে না? সেই সশস্ত্র জঙ্গী কমুনিস্টদের চাঁদার টাকায় জীবিকা নির্বাহকারী বাম নেতা ও মন্ত্রী-এমপিরা শাহবাগ মোড়ে এসে মানবতার জয়গান গাইছেন। এরপরও তাদের দাবি, জগতে নাস্তিকরাই নাকি আস্তিকদের তুলনায় অধিক দরাজদিল হয়ে থাকে।

    যে ভারতপন্থীরা মানবতার দরদী সেজে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবিতে সোচ্চার, তাদের জানা উচিত, পৃথিবীর বুকে জাতিগত নির্মূল অভিযান পরিচালনায় হিন্দু ভারত ১ম স্থান অধিকার করে আছে। কোনপ্রকার যুদ্ধাবস্থা ছাড়াই হাজার হাজার মুসলমানকে বিনা উস্কানীতে খামাখা বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয় প্রতি বছর। হিন্দু নেতারা প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে দলীয় কর্মী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি মুসলিম মহিলাদের ধর্ষণের নির্দেশ ও ফতোয়া দেয়। এরপরও তারা অসাম্প্রদায়িক ও মানবতার বন্ধু, আর সাম্প্রদায়িক ও মানবতাবিরোধী হল বাংলাদেশের কোরআনের তাফসীরকারকরা!

    ইহুদীরা ফিলিস্তিনে প্রত্যক্ষভাবে আর সারা দুনিয়ায় পরোক্ষভাবে অগণিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটিয়ে যাচ্ছে। খৃস্টান ক্রুসেডাররা বসনিয়া, আফগান ও ইরাকে যা করেছে, তা কি মানবতাসুলভ? বসনিয়ায় কমপক্ষে তিন লক্ষ নারী-পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে, ৫০ হাজার নারীকে রেপ করার পর সন্তান ধারণের আগ পর্যন্ত ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে।

    বাংলাদেশে ৭১-এ যা হয়েছে, তাও হয়েছে ভারত ও তার এদেশীয় দালালদের কারসাজিতে। পাকিস্তানীরা যেটা করেছে, সেটা করেছে মূলত দুশমনের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে। ভারতীর এজেন্টরা পাকিস্তানী সৈন্য, তাদের পরিবার-পরিজন ও নিরীহ বিহারীদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে সটকে পড়ার পর রাগের মাথায় ক্রুদ্ধ ও হতাশ পাকিস্তানীরা নিরীহ বাংলাদেশীদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাকিস্তানীরা অবশ্যই যুদ্ধাপরাধী, কিন্তু তারা কোন পরিকল্পিত জাতিগত নির্মূল অভিযানের আওতায় ঠাণ্ডা মাথায় এ কাজ করেনি। শুধুমাত্র কোন ধর্ম বা দর্শন প্রতিষ্ঠার জন্য কিংবা ভিন্ন ধর্ম বা মতাদর্শকে ধ্বংস করার জন্য ঠাণ্ডা মাথায় সুপরিকল্পিত গণহত্যা, গণধর্ষণ ও নৃশংসতার দ্বারা কোন জনগোষ্ঠীকে নির্মূল করার কাজটা কেবল বামপন্থী আর রামপন্থীরাই করে থাকে। কোন মুসলমান এ কাজ ইতিহাসেও করেনি, বর্তমানেও করে না, আর ভবিষ্যতেও করবে না। একাত্তরে পাকিস্তানী ও বাংলাদেশী উভয়েই ছিল পরিস্থিতির শিকার। এক্ষেত্রে পাকিস্তানীরা আদৌ প্রযোজক কর্তা ছিল না, তারা ছিল প্রযোজ্য কর্তা। একাত্তরে যত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা কেবল এক পক্ষের দ্বারাই ঘটেছে এমনটি নয়। আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মুক্তিবাহিনী আর বামপন্থী নকশালরাও বহু নিরীহ ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রাণনাশ করেছে, নারী ধর্ষণেও তারা পিছিয়ে থাকেনি। অথচ সকল দলের দ্বারা সংঘটিত খুন-ধর্ষণের সম্মিলিত সংখ্যাকে কেবল এক পক্ষের উপরই আরোপ করা হয়েছে। ৭১-এর প্রকৃত যুদ্ধাপরাধী তারাই, যারা পরিকল্পিত নাশকতা ও উষ্কানীর দ্বারা দুটো জনগোষ্ঠীর মাঝে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ সৃষ্টি করেছে। শুধু একাত্তরের ঘটনাকেও নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ বিচার করা হলে বাম ও রামপন্থীরাই মূল অপরাধী হিসেবে প্রমাণিত হবে।

    দেশ স্বাধীনের পর সাড়ে তিন বছরে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ বানিয়ে ১০ লাখ মানুষ মারা এবং রক্ষিবাহিনী দিয়ে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করা, বাপকে দিয়ে ছেলের লাশের মাথা কাটিয়ে সে মাথা দিয়ে ফুটবল খেলা, জাতির পিতার জাতীয় রত্নদের হাতে যখন তখন নারীদের লাঞ্ছিত হওয়া- এগুলো কি মানবতাবিরোধী অপরাধ নয়?
    ৯২ সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পরই এর শীর্ষ নেতা হাশেম রাস্তায় ১২ বছর বয়সী এক কিশোর হকারকে যে বলৎকার করেছিলেন এবং এরপর সেক্টর কমান্ডার নুরুজ্জামান সহ ঘাদানিকের প্রতিষ্ঠাতা ২৪ জন শীর্ষ নেতার মধ্যে অনেকেই তাকে ছাড়ানোর জন্য থানায় ছুটে গিয়েছিলেন, সে কথা কি ভুলে গেছেন?
    দ্বিতীয়বার ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে স্থানীয় গদফাদারদের দিয়ে মানুষের জীবন ও সম্ভ্রম নষ্ট করা, জাহাংগীরনগরে রেপের century করার ন্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো কারা করেছিল? ড্রিল মেশিন ও লগি-বৈঠার নতুন অপ্রচলিত ব্যবহার এ জাতিকে কারা দেখিয়েছে? যে শাহবাগে আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মহড়া চলছে, সেই শাহবাগেই বিনা কারণে দোতলা বাসে আগুন দিয়ে ৯ জন নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মারার ন্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধটি কারা করেছিল? শাহবাগ campaign-এর মূল উদ্যোক্তা শাহরিয়ার কবির যেভাবে ভারতে গিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের কল্পকাহিনী প্রচার করে উগ্র হিন্দুদের ক্রোধ ও উন্মত্ততাকে উস্কে দিয়ে নিরীহ মুসলমানদের পুড়িয়ে মারার কাজে ইন্ধন যুগিয়েছিলেন, সেটা কি মানবতাবিরোধী অপরাধ নয়?
    ২০০৯ সালে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেই পিলখানায় সেনা অফিসারদের যেভাবে মারা হল এবং প্রতিবেশী দেশের সামরিক হস্তক্ষেপের ভয় দেখিয়ে সেনাবাহিনীর প্রতিবাদকে থামিয়ে দেয়া হল, এটা কি খুব মানবতাসুলভ কাজ হয়েছে? মেয়েদের স্কুলগুলোতে বেছে বেছে দুশ্চরিত্র হিন্দু পুরুষ শিক্ষকদের নিয়োগ দিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে মুসলিম বালিকা ও কিশোরীদের যে সর্বনাশ করা হচ্ছে, এটা কি মানবতার বিরোধী নয়? সর্বোপরি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে নিরপরাধ মানুষকে মিথ্যা অপবাদ দেয়া এবং সেই অপবাদের দায়ে ফাঁসি প্রদান করাটাই সবচাইতে বড় মানবতাবিরোধী অপরাধ।

    আল্লাহ ও নবীর বিরুদ্ধে মালাউনদের ক্রুসেড শত শত বছরের পুরনো হলেও বিগত দেড় দশক ধরে এটা জোরালো হয়েছে ইসরাইলে এক ইহুদী মহিলা কর্তৃক নবীর নামে অবমাননাকর কার্টুন প্রকাশের মধ্য দিয়ে। কয়েক বছর পর কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের পত্রিকায় নবীর নামে বেশ কিছু অবমাননাকর কার্টুন ছাপা হয়। সম্প্রতি আমেরিকায় মহানবীর নামে বিকৃত সিনেমা বানানো হয়েছে এবং সেই সাথে ফেসবুকে নবীকে নিয়ে অশালীন কার্টুন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রকাশের মহোৎসব শুরু হয়েছে। নবীর প্রতি এ সমন্বিত আক্রমণকে একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক উগ্র ইসলামবিদ্বেষী চক্রের কাজ বলেই মনে হয়। বাংলাদেশেও ক্ষমতাসীন সেকুলার সরকারের তত্ত্বাবধানে ঘাদানিক ও কমুনিস্টদের উদ্যোগে বিপথগামী যুবকদের ব্লগিং থেকে শুরু করে রাজপথে অবস্থান এ আন্তর্জাতিক চক্রের তৎপরতারই অংশ। নেটওয়ার্কের সদস্য সংগ্রহ (recruit) থেকে শুরু করে গ্রুপ মেম্বারদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা অর্জন ও সংগঠিত হবার ক্ষেত্রে নবীর অবমাননাকেই মূল মানদণ্ড হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। অর্থাৎ, কারা তাদের সত্যিকার নিবেদিতপ্রাণ বিশ্বস্ত লোক হতে পারে, সেটা যাচাইয়ের জন্য দেখা হয়েছে কে কত দ্বিগুণ উৎসাহের সাথে নবীর উপর আক্রমণে অংশগ্রহণ করতে পারে। এটা মূলত: সমমনা নির্বাচনেরই একটা পন্থা মাত্র। (ঠিক যেমন শয়তানের দোসর হতে হলে কুকর্ম ও কুফরী কাজের দ্বারা যেভাবে শয়তানের আস্থা অর্জন করতে হয়।) এভাবেই তাদের লিডারশিপ গড়ে উঠেছে এবং শাহবাগ campaign-এর দায়িত্বপূর্ণ confidential কাজগুলো তাদেকেরই দেয়া হয়েছে। আর সাধারণ যুবক-যুবতীদের মোটিভেট করা হয়েছে কেবল যুদ্ধাপরাধ ইস্যু দিয়ে। যেখানে খোদ ইসরাইল সরকারও নবীর অবমাননাকারী মহিলাকে চক্ষুলজ্জার খাতিরে হলেও গ্রেফতার দেখাতে বাধ্য হয়, সেখানে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী শাসকেরা নবীর উপর জঘন্য আক্রমণকারীদের জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়। অতএব, ভূপৃষ্ঠে আওয়ামী লীগই হচ্ছে আল্লাহ, নবী ও ইসলামের সবচেয়ে বড় দুশমন।

    বাংলাদেশের সেকুলার ও বামগোষ্ঠী যে ইসলামেরই শত্রু এবং তাদের কথিত যুদ্ধাপরাধের বিচার ও এর সমর্থনে শাহবাগে আন্দোলন যে ইসলামেরই বিরুদ্ধে, তার প্রমাণ হল, দেশে-বিদেশে যত ইসলামবিরোধী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আছে, যারা কথায় কথায় উঠতে বসতে সর্বদা আল্লাহ ও রাসূলকে নিয়ে তামাশা করতে অভ্যস্ত, তারা সবাই অকুণ্ঠচিত্তে নি:শর্তভাবে নির্দ্বিধায় এদেরকে সমর্থন করে। ধর্মবিরোধীদের মধ্যে এ নিয়ে কোন মতভেদ কোনকালে দেখা যায়নি, আর দেখা যাবেও না। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, সারা পৃথিবী চষে আপনি এমন একজন আল্লাহবিরোধী ও নবীবিরোধী ব্যক্তিকে হাজির করতে পারবেন না, যে বাংলাদেশের রাজনীতির ব্যাপারে একবাক্যে রাম ও বামপন্থীদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করবে না এবং তাদের সাথে তাল মিলিয়ে জামাত-শিবির ও ধর্মীয় রাজনীতি নির্মূলের দাবি জানাবে না। ইসলামের শত্রু-মিত্র নির্ণয়ে এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কি দেখতে চান? মুনাফিক চিনতে হলে না হয় কুরআন-হাদীস গবেষণার প্রয়োজন হয়, কিন্তু আল্লাহ-রসূলকে প্রকাশ্যে গালিদানকারীদের চেনার জন্য তো আর কুরআন-হাদীস ঘাটার দরকার হয় না। আল্লাহদ্রোহীদের সাথে যাদের স্থায়ী আত্মিক বন্ধন ও অবিচ্ছেদ্য রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তারা যে তাদেরই লোক, এটা বুঝতে কি জ্যোতিষী বা মনোবিজ্ঞানী হবার প্রয়োজন হয়? স্বয়ং ইবলীস শয়তানের সাক্ষাতও যদি পাওয়া যেত, তাহলে জানা যেত সে কোন পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে। শাহবাগ চত্বরে নামীদামী অনেকেই উপস্থিত হয়ে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। কিন্তু মি: ইবলিস হাজির হয়েছেন কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি। তবে শয়তান যদি দৃশ্যমান হতেন, তাহলে প্রধান অতিথির চেয়ারটা যে তিনিই অলংকৃত করতেন- একথা নিশ্চিতভাবেই বলে দেয়া যায়। আর তিনি থাকতে অন্য কারো ছবিও যে সেখানে শোভা পেত না, এটা বলাই বাহুল্য।

    এ উদ্যোগ যে কেবল ইসলামেরই বিরুদ্ধে, এর প্রমাণ হল, কথিত যুদ্ধাপরাধের বিচার ও ফাঁসির প্রক্রিয়ায় এমন দুইজন বাংলার শ্রেষ্ঠ আলেমে দ্বীনকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে, যারা একাত্তরের সংঘাতে আদৌ জড়িত হননি, লড়াইরত কোন পক্ষেই অংশগ্রহণ করেননি, এমনকি তখন তারা কোন রাজনৈতিক দল বা সামাজিক সংগঠনের সাথেও সম্পৃক্ত ছিলেন না। কথিত দেলোয়ার সিকদারকে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং কল্পিত বাচ্চু মিয়াকে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বানিয়ে এই দুই বরেণ্য আলেমকে ফাঁসির আসামী করা হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন কল্পকাহিনীভিত্তিক উদ্ভট বিচার কোনকালে ঘটেনি। অথচ এ দুজনের মূল পরিচয় হিসেবে আমরা জানি ওয়াজ মাহফিল ও কুরআনের তাফসীর করা এবং ধর্মীয় ব্যাপারে জনগণের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মানুষের জীবন সমস্যা সমাধানে সহায়তা করা। বিশেষত মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আমরা সবসময় একজন মধ্যমপন্থী মার্জিত নম্র স্বভাবের ধীরস্থির বক্তা হিসেবেই দেখেছি।

    বেজন্মাদের এই খোদাদ্রোহী আস্ফালন আল্লাহ এখনো সহ্য করে যাচ্ছেন শুধু এই কারণে যে, ভবিষ্যতে কেউ যাতে আল্লাহকে দোষ দিতে না পারেন যে, এই লোকগুলোকে আল্লাহ খামাখা বিনা অপরাধে শাস্তি দিলেন। আল্লাহর সহ্যক্ষমতা সত্যিই অবাক করার মতো!

  191. Ovaga Desh says:

    নিজামী ও সাঈদীকে সর্বপ্রথম গ্রেফতার করা হয় ধর্ম অবমাননা মামলায়। কারণ, তারা ধর্মীয় নেতাদের উপর নির্যাতনকারী ধর্মবিদ্বেষী জালেম সরকারকে নবীর উপর নির্যাতনকারী কাফেরদের সাথে তুলনা করেছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল, যেখানে ধর্মের জন্য স্বয়ং নবীকেই নির্যাতিত হতে হয়েছে, সেখানে ধর্মের কারণে আমাদেরকেও নির্যাতন ভোগ করতে হতেই পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এতে ধর্মদ্রোহী সেকুলার শাসকদের ভাড়াটিয়া মোল্লাদের ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে’(!) আঘাত লাগে যে, এতে নাকি নিজামী ও সাঈদী কর্তৃক নিজেদেরকে নবীর সাথে তুলনা করা হয়েছে। সেই ভণ্ড ও মুনাফিক শাসকগোষ্ঠী আজ আল্লাহ ও রসূলের অবমাননাকারীদের প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করছে। সেই গৃহপালিত দরবারি মোল্লাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে এখন আর আঘাত লাগছে না, তাদের নবীপ্রেমও আজ মরে গেছে। এছাড়া যারা মোহাম্মদী ইসলামের পুনরুজ্জীবন দানকারী আশেকে রসূল ও মাহবুবে খোদা হিসেবে নিজেদেরকে দাবি করেন, তাদের খোদাপ্রেম ও নবীপ্রেমের পরিচয় পাওয়া যাবে বর্তমানে তারা কি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তা দেখে- আমরা জানার অপেক্ষায় রইলাম। কথায় আছে, ধর্মের ডাক আপনি বাজে। আজ তো প্রমাণিত হল, কারা ধর্মের প্রকৃত শত্রু।

  192. Ovaga Desh says:

    একথা ঠিক যে, বর্তমানে গণজোয়ার আর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দুটোই ওদের হাতে। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অভিলাষ পূরণে আল্লাহ বাধ্য নন। সংখ্যা দেখে আর শক্তি দেখে আল্লাহ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। মানুষের আবদার পূরণ করা আল্লাহর কাজ নয়। আল্লাহ বলেন, “সত্য যদি তাদের প্রবৃত্তির অনুসারী হতো, তাহলে আসমান-জমিনের সবকিছু ওলট-পালট হয়ে যেত।” আল্লাহ আরো বলেন, “আপনি যদি তাদের অধিকাংশ মানুষের কথামতো চলেন, তাহলে তারা আপনাকে বিপথগামী করে ফেলবে।” অতএব আল্লাহ তাআলা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন কেবল সত্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতে। তাইতো নূহ (আ:)-এর সময় হাজার হাজার বিপথগামী মানুষের মোকাবেলায় ৮০ জন সত্যপন্থী মানুষ আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এই ৮০ জনের জন্য বাদবাকি সারা পৃথিবীর মানুষকে ডুবিয়ে মারতে আল্লাহ দ্বিধা করেননি। শেষ জামানায় যখন সারা দুনিয়াবাসী বিপথগামী হয়ে যাবে, তখন আর আল্লাহ তাআলা এই পৃথিবীকে টিকিয়ে রাখার প্রয়োজন বোধ করবেন না।
    অতএব, হকপন্থীদের ভয়ের কারণ নেই। তবে জামাত নেতাদের কাছে সবিনয় পরামর্শ, আল্লাহর কাছে তওবা করুন, ভবিষ্যতে আর ইসলামের শত্রুদের সহযোগী হবেন না।

  193. abbey says:

    We proud of you. All Bangladeshi people with you people of Bangladeshi watching very care fully.awamilig and some leftwing party they started war against ordinarily people. media and all Islamic party and attacking there business specially jamathy Islam and sathroshibir. in Bangladesh all muslim.islamick partyes they can not think it would be easy to become politically powerful party.
    Ware crime is very very emotional issue. what we see awamilig and his follower using this emotional issue against jamathy islam. lying. Propaganda. conspiracy using those weapons against jamathi islame.i like and all the follower of jamathi islam. Shibir. democratically use there ideological power. you must not stop and give up. with your political activity you must i say again you must include political deviate join talk show. I can tell you around the world Bangladeshi people hoping truth will came clear. for this you might lose leaders. supporter’s. I hope you will maintence highest standard of democracy.
    That’s all for today

  194. Abdullah al Saeed says:

    হে ছাত্র শিবিরের ভাইরা আল্লামা সাইদীকে মুক্ত করো (ভিডিও)

    http://www.sendspace.com/file/hudhze
    Rar password: naibhy

  195. Abdullah al Saeed says:

    ইসলামী ছাত্র শিবিরের শহীদ ভাইদের জন্য দুয়া

    হে আল্লাহ, হে বিশ্ব জাহানের রব, সকল প্রশংসাই তোমার। তুমি আমাদের সৃষ্টি করেছ, তুমিই আমাদের রিযিক দাও, আমাদের প্রতিপালন কর। তুমিই আমাদের জীবন দাও এবং তুমিই সে জীবন কেড়ে নাও। কে আছে ক্ষমতাবান তোমার উপরে!

    কিন্তু আজ আমাদের চারপাশে লাশ আর লাশ। গতকালও যে ভাইকে একান্ত আপন করে পেয়েছি আজ দেখি সেই ভাই গুলিবিদ্ধ। গতকালও যে ভাই আমাকে সকালের নাস্তা করিয়েছে আজ সে ভাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছে ওপারে। হে আল্লাহ। তুমি তাকে জান্নাতের খাবার দ্বারা নাস্তা করাও।

    হে আল্লাহ, এই দেশের দিকে তুমি তাকাও। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের এই দেশে আজ মুসলিমরাই নির্যাতিত-নিষ্পেষিত। আর যারা তোমার রাসুলকে (সাঃ) হেয় প্রতিপন্ন করে, তোমাকে গালিগালাজ করে তাদের মৃত্যুতে বলা হয় শহিদ।

    সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের সেই প্রিয় নবীর উপর যাকে তুমি পাঠিয়েছিলে সর্বযুগের জন্য সকল সমস্যার সমাধান দিয়ে। তাঁর মাধ্যমেই আমাদের দিয়েছিলে হিদায়াত, বলেছিলে তিনিই আমাদের উত্তম আদর্শ। আমরা যেন তারই আনুগত্য করি, তারই দেখানো পথে চলি। তাহলেই আমরা সফলকাম হব।

    হে প্রভু, আমরা কি তাঁর পথে চলছি না? তাঁর সাহাবীরা যদি ত্রিশ বছরে অর্ধ পৃথিবীতে দ্বীন কায়েম করতে পারেন, তবে আমরা কেন পারছি না?

    হে আল্লাহ, তুমি বলেছ, যারা মুমিন তাদেরকে দেখলে মুশরিক-কাফেরদের অন্তর কাঁপে, তারা তো কাপুরুষ, মুমিনদের দেখলে ভয়ে লেজ গুটিয়ে যায়।

    হে আল্লাহ তুমি বলেছ, শয়তানের চক্রান্ত অত্যন্ত দুর্বল।

    কিন্তু আমাদেরকে দেখলে তো তাদের অন্তর কাঁপে না। তারা লেজও গুটায় না, বরং আমাদের অস্ত্র নিয়ে তাড়া করে পাখির মত গুলি করে মারে।

    হে আল্লাহ, তুমি যাকে আমাদের জন্য করেছ উত্তম আদর্শ তাঁকে বা তাঁর সাহাবীদেরকে কুফফররা অস্ত্র নিয়ে তাড়া করলে তাঁরা কি করতেন?

    তাঁরাও কি আমাদের মত ইটপাটকেল ছুঁড়তেন নাকি উল্টো অস্ত্র নিয়ে তাঁড়া করতেন?

    হে আল্লাহ, তুমিইতো বলেছঃ

    أُذِنَ لِلَّذِينَ يُقَاتَلُونَ بِأَنَّهُمْ ظُلِمُوا وَإِنَّ اللَّهَ عَلَى نَصْرِهِمْ لَقَدِيرٌ

    যুদ্ধে অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে কাফেররা যুদ্ধ করে; কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম। (সূরা হজ্জ্ব, আয়াতঃ ৩৯)

    তাহলে আমরা কেন যুদ্ধে নামছি না? শুধু পশ্চিমাদের মত বিক্ষোভ কেন করছি আমরা?

    হে আল্লাহ তুমিইতো বলেছঃ

    وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ وَمِنْ رِبَاطِ الْخَيْلِ

    “আর তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সামর্থ অনুযায়ী সংগ্রহ করো শক্তি-সামর্থ্য ও পালিত ঘোড়া …” (সূরা আল আনফাল, আয়াতঃ ৬০)

    তাহলে আমরা কেন ইট-পাটকেল যোগাড় করছি?

    ইট-পাটকেল দিয়ে কি লড়াই হয়?

    আমাদের এখন অস্ত্র চাই। অস্ত্র।

    যুদ্ধে যাবার এখনিতো সময়। এখনি সময় আল্লাহর সাথে বানিজ্য সম্পাদন করার, জান আর মালের বিনিময়ে জান্নাত লাভ করার।

    তবে আমরা আমাদের জীবন কাপুরুষের মতো বিলিয়ে দিতে পারি না। আমরা বীরের মতো লড়াই করে সম্মুখ সমরে শহীদ হতে চাই।

    হে আল্লাহ তুমি বলেছঃ
    وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُمْ مَيْلَةً وَاحِدَةً

    কাফেররা চায় যে, তোমরা তোমাদের অস্ত্রে ও সরঞ্জামের ব্যাপারে অসতর্ক থাকো, যাতে তারা একযোগে তোমাদেরকে আক্রমণ করতে পারে। (সূরা নিসা, আয়াতঃ ১০২)

    আমরা আর অসতর্ক থাকব না।

    হে আমাদের নেতৃবৃন্দ, আমরা অস্ত্র চাই, আমরা সরঞ্জাম চাই।

    এখন আমরাই তাদেরকে একযোগে এমনভাবে আক্রমণ করতে চাই।

    আমরা আর হরতাল দিয়ে সাধারন জনগণের ক্ষতির কারণ হতে চাই না।

    আমরা মনে করি হাসিনার জালেম এই সরকার দ্বীন ইসলাম থেকে বহির্ভুত হয়ে কাফির-মুরতাদ হয়ে গেছে।

    সুতরাং তাদের সাথে আমাদের যুদ্ধ। এ যুদ্ধ আল্লাহর কালিমাকে বুলন্দ করার, এ যুদ্ধ আল্লাহর দ্বীনকে কায়েম করার।

    হে আল্লাহ, তুমি আমাদের সাথে থাক, তুমিই আমাদের একমাত্র সহায়।

    হে আল্লাহ, তুমি আমাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করো।

    নিশ্চয়ই, আমাদের ভাইদের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না।

  196. ্হে আল্লাহ, তুমি আমাদের সাথে থাক, তুমিই আমাদের একমাত্র সহায়।

  197. Dr. S. M. Noor-E-Shadid says:

    Look at your face in the mirror, and go through the verse of the Holy Qur’an, Sura Al Baqarah, Ch 2, V 17. Find any similarities?

    Open your mind. May Allah give you Hedayat.

  198. HABIB says:

    ITIHASHER PUNORABRITTI TO HOBEI KINTU TA JENO VALO DIKEI HOI INSHA ALLAH.AMADER UPOMOHADESHER EI BRAMMONNO BADI CHOKRANTO NOTUN NOI.RAZA GONESH THEKE SHURU KORE INDIRA GANDHI,AKATTORER POR AJ OBODHI TA BIDDOMAN.ER KARON HOLO UPOMOHADESER VUMI SHONTAN DRABIRDER KE EI BRAMMON DHARI ARJO DER THEKE MUKTO KORESILO AMADERI PURBOPURUSGON.KARON TARA SILO SHOTTIKARER IMANDAR.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>