মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে হাজিরকৃত সাক্ষী তালিকা বহির্ভূত বলে অভিযোগ: সাক্ষী সোলায়মান ৪ বার দুর্নীতির দায়ে জেল খেটেছেন || জুলফিকারের নাম আছে রাজাকারের তালিকায়

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর বিশ্ব বরেণ্য মোফাসসিরে কুরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে গতকাল ২ জন সাক্ষীর জেরা সম্পন্ন হয়েছে। ১৫ নম্বর সাক্ষী হিসেবে গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদানকারী যশোরের বাঘারপাড়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেনের জেরা গতকাল সম্পন্ন হয়। ১৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে একই থানার আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি জুলফিকার আলী জুলা গতকাল জবানবন্দি দিয়েছেন। তারও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। জেরার মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে যে, সাক্ষী সোলায়মান হোসেন সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায়ই দুর্নীতির অভিযোগে ৩ বারসহ সর্বমোট ৪ বার গ্রেফতার হয়েছেন। ৪ বার গ্রেফতার হওয়ার কথা তিনি স্বীকার করে বলেছেন, এসবই ছিলো রাজনৈতিক কারণে। অন্যদিকে ১৬ নম্বর সাক্ষী জুলফিকার আলী নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করলেও সাংবাদিক রোকনুদ্দৌলা লিখিত ‘মুক্তিযুদ্ধে যশোর’ বইয়ে রাজাকারের তালিকায় তার নাম আছে। এ ছাড়াও পূর্ববর্তী সাক্ষীদের বক্তব্যের সাথে অনেক তথ্যের অমিল পাওয়া যায় এই ২ জনের জেরায়। Continue reading

Posted in সাক্ষীদের জেরা | Leave a comment

সাক্ষী হাজির করতে সরকার পক্ষের আইনজীবীদের বেহাল অবস্থা: আদালত ক্ষুব্ধ

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর বিশ্ববরেণ্য আলেমে দ্বীন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মধুসূদন ঘরামী সাক্ষী দিতে আসেননি। তিনি অসুস্থ হওয়ায় পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনালে জানিয়েছেন সরকার পক্ষের আইনজীবীরা। সাক্ষীর হাজিরা নিয়ে এক বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন তারা। এ নিয়ে আদালত গতকাল একবেলা মুলতবি করতে বাধ্য হন ক্ষুব্ধ বিচারকরা। এক বেহাল অবস্থার মধ্যেই গতকাল বিকেলে একজন সাক্ষীকে হাজির করা হয়। অথচ সকালে তারা দিয়েছিলেন অন্য নাম। হাজির করা সাক্ষী সোলায়মান হোসেন জবানবন্দীতে বলেছেন যে, ১৯৭০ সালের এক নির্বাচনী জনসভায় মাওলানা সাঈদী বঙ্গবন্ধুকে জগবন্ধু বলে অভিহিত করেছিলেন। অপ্রত্যাশিতভাবে এক সাক্ষীর কথা বলে অন্য সাক্ষীকে হাজির করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, আমাদেরকে ন্যায়সঙ্গত জেরা থেকে বঞ্চিত করা এবং ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করার জন্য প্রসিকিউশন ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করছে। Continue reading

Posted in ট্রাইবৃন্যাল, মামলার সংবাদ | Leave a comment

চার্জ গঠন সম্পূর্ণ বেআইনী – আইনজীবী শুনানি ছাড়াই এটিএম আজহারসহ ১৬১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক তাসনীম আলমসহ জামায়াতের নেতা-কর্মীদের গতকাল নিম্ন বৃধবার আদালতে হাজির করা হয়

আসামী পক্ষের শুনানি শেষ না করেই পল্টন থানার এক মামলায় জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামসহ ১৬১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়েছে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন। তারা জানান, মামলার কোন ডকুমেন্ট সরবরাহ করা হয়নি, এটিএম আজহারুল ইসলামকে বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে অথচ ৪টি মামলায় দেখানো হয়েছে একই সময়ে কাকরাইল ও বিজয়নগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসবের শুনানি শেষ না করেই আদালত অভিযোগ গঠন করেছে এবং ৬ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছে। রমনা থানার আরেকটি মামলাও ৬ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করা হয়েছে। দ্রুত বিচার আইনের ৪ ও ৫ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অপরদিকে এটিএম আজহারুল ইসলাম দেশবাসীকে সালাম জানিয়েছেন এবং দোয়া কামনা করে বলেছেন, জুলুম নির্যাতন করে মানুষের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। সত্যের বিজয় একদিন হবেই বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। Continue reading

Posted in মামলার সংবাদ, সাধারণ | Leave a comment

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা: চতুর্থ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা

চাঞ্চল্যকর চট্টগ্রাম ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক  মামলার চতুর্থ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও  জেরা গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল  বুধবার বেলা ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক এস এম মুজিবর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করে। আদালতে চতুর্থ সাক্ষী সাবেক শিল্পসচিব ড. শোয়েব আহমেদ সাক্ষ্য  দেন এবং পরে তাকে জেরা করেন আসামী পক্ষের আইনজীবীরা। বিকালে আদালত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবীর আদেশ  দেন। Continue reading

Posted in মামলার সংবাদ, সাধারণ | Leave a comment

নড়াইল জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের বৈঠক: গোলাম আযম নিজামীসহ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা

মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার মিথ্যা, কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগে আন্তজার্তিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা দেলাওযার হোসাইন সাইদীসহ অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দের মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন নড়াইল জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ। রোববার জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়। শহরের আলাদাতপুরস্থ আলকুবা ইসলামী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মপরিষদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নড়াইল জেলা আমীর মাওলানা নুরুন্নবী জিহাদী। বক্তব্য দেন নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক বাচ্চু, সেক্রেটারি মাওলানা আশেক এলাহী, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আয়ুব হোসেন খান, অফিস সেক্রেটারি মাস্টার নবী হোসাইন, রাজনৈতিক সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, জামায়াত নেতা এটিএম ফিরোজ কবীর প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, অধ্যাপক গোলাম আযমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে কারাগারে পাঠিয়ে সরকার মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।

Posted in প্রতিক্রিয়া | Leave a comment

অভিযোগ শুনানিতে আদালতের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী: আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের জন্যও এই ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন হবে

বিএনপি নেতা সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী এডভোকেট আহসানুল হক হেনা বলেছেন, আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের জন্যও এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন হবে। এটা বাঘের পিঠে সওয়ার হওয়ার মতো আদালত। সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনীত সমস্ত অভিযোগই সুলিখিত গল্প। তার কণ্ঠ স্তব্দ করার জন্য পরপর ৬ বারের নির্বাচিত এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। জনপ্রিয়তার কারণে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তার বিরুদ্ধে আনীত ২৫টি অভিযোগের মধ্যে ১ নম্বর এবং ১৪ নম্বর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে খোদ আদালতের প্রশ্নেরই সদুত্তর দিতে পারেননি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম। তিনি আদালতের কাছে বারবার পারডন (ক্ষমা) বলেন এবং উল্লেখ করেন যে একটু পরেই সাংবাদিকরা বলবে যে প্রসিকিউটররা অযোগ্য। বাইরে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। আমাদের কাছে সব অভিযোগেরই সাক্ষ্য প্রমাণ আছে। আমরা তা প্রমাণ করবো। Continue reading

Posted in ট্রাইবৃন্যাল, মামলার সংবাদ | Leave a comment

স্বাভাবিক ওষুধ সেবন করছেন গোলাম আযম || আরো পরীক্ষার পর নতুন ব্যবস্থা

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমের কোমড়ের হাড় বাঁকা ও ক্ষয় হয়ে গেছে। পিত্তথলিতে অনেকগুলো পাথর রয়েছে। প্রশ্রাবেও সমস্যা হয়। উচ্চ রক্তচাপের জন্য তিনি ওষুধ সেবন করেছেন। এক্স-রে ও এম আর আই রিপোর্টে হাড়ের ক্ষয় ও বাঁকা হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আরো কিছু দিন পর সিদ্ধান্ত নিতে চান ডাক্তারগণ। গতকাল সোমবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ডীন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ দৈনিক সংগ্রামকে বলেন, গোলাম আযমের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক। তিনি স্বাভাবিকভাবে খাওয়া দাওয়া করছেন। উচ্চ রক্তচাপ ও কোমড় ব্যথার জন্য ওষুধ সেবন করছেন। তার এক্স-রে ও এম আর আই রিপোর্ট অর্থপেডিক সার্জন এম কে দত্ত ও নিউরোলজী সার্জন কনক কান্তি বড়ূয়া দেখেছেন। এসব পরীক্ষায় হাড়ের ক্ষয় ও বাঁকা হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়েছে। তবে এ বিষয়ে আরো কিছুদিন পর আরো কিছু পরীক্ষা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। Continue reading

Posted in সাম্প্রতিক খবর | Leave a comment

২১ তারিখ মাত্র আধা ঘণ্টা সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া হয়েছে: নিজামীর সাথে ২ জন আইনজীবীর ২ দিন ৩ ঘণ্টা করে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার নির্দেশ

মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সাথে কেন্দ্রীয় কারাগারে তার দুইজন আইনজীবী দুই দিন ৩ ঘণ্টা করে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন। আগামী ২৮ জানুয়ারি এবং ১১ ফেব্রুয়ারি এই ২ দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত দুইজন আইনজীবীকে তার সাথে সাক্ষাতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গত ১২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল এক আদেশে মাওলানা নিজামীর সাথে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তার ২ জন আইনজীবীর মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আইনী পরামর্শ করার জন্য ২১ ও ২৮ জানুয়ারি এবং ১১ ফেব্রুয়ারি সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনা মতে গত ২১ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষাৎ করতে গেলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ তাদেরকে মাত্র আধা ঘণ্টা সময় দেন। আধা ঘণ্টা হলে কারা কর্তৃপক্ষ জানায় যে, জেলকোড অনুসারে আপনাদের সময় শেষ। এই বলে তাদেরকে বিদায় করে দেয়া হয়। Continue reading

Posted in ট্রাইবৃন্যাল | Leave a comment

সংগ্রাম সাংবাদিককে ট্রাইব্যুনাল বললেন সব কিছু লিখতে হয় না

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গতকাল সোমবার দৈনিক সংগ্রামের সিনিয়র রিপোর্টার শহীদুল ইসলামকে বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের সব কিছু লিখতে হয় না। আমরা তো প্রকাশ্য আদালতেই এটা বলেছিলাম যে, আমরাও শিখছি। আমাদেরও ভুল হতে পারে। এর সব কিছু রিপোর্ট করার প্রয়োজন নেই। গতকাল সকালে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক জিজ্ঞেস করেন সংগ্রামের রিপোর্টার কি আছেন? উপস্থিত শহীদুল ইসলাম উঠে দাঁড়ালে তিনি হাসতে হাসতে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। তিনি দৈনিক সংগ্রামে গতকাল সোমবার প্রথম পাতায় প্রকাশিত রিপোর্ট ‘গোলাম আযমের ডকুমেন্টে পৃষ্ঠা নম্বর নেই’ এবং গত ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত ‘কামারুজ্জামানের হাজিরা- ট্রাইব্যুনালের ভুল’ শিরোনামে ২টি রিপোর্টের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। বিচারপতি নিজামুল হক আরো বলেন, আমরা আজ একটু আগে মতিউর রহমান নিজামীর আইনজীবীর অনুপস্থিতিতেই একটি অর্ডার দিয়েছি। তাদের পিটিশনে ডেট ভুল ছিলো, আমরা শুধরে নিয়েছি। এটাও লিখেন। জবাবে শহীদুল ইসলাম বলেন, আপনি যখন বলছেন, অবশ্যই লিখব। দৈনিক সংগ্রাম ট্রাইব্যুনালের সব খবর সবিস্তারেই দিয়ে থাকে।

Posted in সাম্প্রতিক খবর | Leave a comment

প্রাসঙ্গিক ভাবনা-মো. নূরুল আমিন: অধ্যাপক গোলাম আযম ও যুদ্ধাপরাধ

\ পাঁচ\

পূর্ববর্তী আলোচনায় আমরা দেখিয়েছি যে, বাংলাদেশে ভারতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বিশেষ করে এ দেশের কোটি কোটি মানুষের একটি বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারত বাংলাদেশে একটি তাবেদার সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই প্রাথমিকভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান করেছে। চিরশত্রু পাকিস্তানকে দুর্বল করার লক্ষ্য তো ছিলই। এ প্রেক্ষিতে তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য আওয়ামী লীগকেই বেছে নিয়েছিল এবং আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন সেক্যুলার বা বামপন্থী দলকে সহজে বিশ্বাস করতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধকালে মওলানা ভাসানীর ন্যায় বামপন্থী জনপ্রিয় নেতাকেও ভারতে গিয়ে অন্তরীণ অবস্থায় দিন কাটাতে হয়েছে। জাতীয় লীগ প্রধান অলি আহাদ ও তার দলের অন্য নেতারাও ভারতের বুকে ঠাঁই পাননি। তারা মুক্তিযুদ্ধ করতে ভারত গিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের সাথে ভিন্নমত পোষণকারী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্র নেতা এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নাও মুক্তিযুদ্ধ করতে গিয়ে ভারতের মাটি থেকে অপমানিত হয়ে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই অবস্থায় জামায়াতের মত ইসলামপন্থী একটি দলের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা ও তার স্বীকৃতি পাওয়া অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ ছিল। দ্বি-জাতিতত্ত্বে বিশ্বাসী ইসলামপন্থী দলগুলো ভারতের চক্ষুশূল ছিল এবং তারা চেয়েছিল ধর্মনিরপেক্ষ একটি বাংলাদেশ যেখানে দ্বি-জাতিতত্ত্বভিত্তিক কোন আদর্শ কিংবা ইসলামপন্থী কোন রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব থাকবে না। স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলাদেশের বুকে এবং তার বাইরে ভারত অনুপ্রাণিত সকল প্রচার-প্রচারণার এটাই ছিল মূলকথা। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের চিন্তা-চেতনা ছিল এর পরিপন্থী। তারা মুসলিম জাতিসত্তা নিয়েই বেঁচে থাকতে চেয়েছে এবং থাকছে। পিন্ডির শৃক্মখল থেকে মুক্ত হয়ে দিল্লীর গোলামীর জিঞ্জির তারা গলায় আটকাতে চায়নি। এর প্রমাণ তারা বহুবার দিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতসহ জাতীয়তাবাদী, ইসলামপন্থী দলসমূহ তাদেরই প্রতিনিধিত্ব করে এবং এই অপরাধেই ভারত তাদেরকে শত্রু হিসেবে গণ্য করে এবং দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বনদ্বী আওয়ামী লীগ দলটি ভারতের সুরে সুর মিলিয়ে তাদেরই সহযোদ্ধা এই প্রতিদ্বনদ্বী রাজনৈতিক দলগুলোকে শত্রু হিসেবে অভিহিত করেছে। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে বর্তমানে সরকারিভাবে যে হিংসাত্মক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে তা এই নিধনেরই একটি অংশ মাত্র। Continue reading

Posted in আর্কাইভ, উপসম্পাদকীয়, সংবাদপত্র | Leave a comment